দৃশ্যকল্প-২ এ গ ও ঘ চিহ্নিত স্থান দুটি হলো যথাক্রমে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি ও প্রয়োগশীলতা। নিচে এদের বিশ্লেষণ করা হলো-
বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি বলতে বোঝায় পরীক্ষা-নিরীক্ষা বহির্ভূত জ্ঞানকে আঁকড়ে ধরে না থেকে পরীক্ষা-নিরীক্ষার বিষয়কে বিষয়বস্তু হিসেবে গ্রহণ করার মনোভাব পোষণ করা। এতে তত্ত্ব ও তথ্যের পরিবর্তনের সাথে সাথে পরীক্ষা-নিরীক্ষার বিষয়কে গ্রহণ করার দৃষ্টিভঙ্গি বিজ্ঞানীর থাকতে হবে। পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে মনোবিজ্ঞানিগণ পুরাতনকে বর্জন করে নিত্যনতুন তথ্য আহরণে সদা নিয়োজিত থাকেন।
বিজ্ঞানের আর একটি মাপকাঠি হলো এর প্রয়োগ বা ব্যবহার। যে জিনিস বা বিষয়কে প্রয়োগ বা ব্যবহার করা যায় না তাকে বিজ্ঞান বলা যায় না। মনোবিজ্ঞানের গবেষণায় প্রাপ্ত তথ্য বা সূত্র জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে কার্যকরীভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে। মনোবিজ্ঞানের আজ বহুমুখী ব্যবহার লক্ষ করা যায়। শিল্প-কারখানা, শিক্ষা, চিকিৎসা, সমাজজীবন, ব্যক্তিগত জীবন, রাষ্ট্রীয় জীবন প্রভৃতি প্রায় সর্বক্ষেত্রেই মনোবিজ্ঞানের ব্যবহার লক্ষ করা যায়। কোন বিষয় বিজ্ঞান হওয়ার জন্য চারটি শর্ত পূরণ করতে হয়, বিষয়বস্তু, বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি, বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি, প্রয়োগশীলতা। যা মনোবিজ্ঞানে রয়েছে।