উদ্দীপকে বিজ্ঞানের প্রয়োগশীলতার দিকটিকে নির্দেশ করা হয়েছে।
কোনো বিষয়কে বিজ্ঞান হতে হলে ওই বিষয়ের গবেষণার ফলাফল অবশ্যই মানুষের কল্যাণে প্রয়োগশীল হতে হবে। কোনো বিষয় বা বস্তুকে যদি বাস্তবে প্রয়োগ করা না যায় তা কখনো বিজ্ঞান হতে পারে না। মনোবিজ্ঞানের গবেষণালব্ধ ফলাফল মানুষের কল্যাণে প্রয়োগ করা হচ্ছে।
আধুনিক মনোবিজ্ঞানে তৈরি হয়েছে বিভিন্ন শাখা; হচ্ছে বিশদ গবেষণা। আর এ গবেষণাগুলো মানুষের কল্যাণে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। উদ্দীপকে দেখা যায়, মানুষের শিক্ষণ, স্মৃতি, প্রেষণা, বুদ্ধি এসবের বিভিন্ন বিষয়ে মনোবিজ্ঞানীগণ প্রায়োগিক ধারণা প্রদান করে আসছেন। এসব বিষয়ে মানুষের সমস্যায় মনোবিজ্ঞানীরা কার্যকর সমাধান দিয়েছে আসছেন।
শিল্প-কারখানা, শিক্ষা, চিকিৎসা, সমাজজীবন, ব্যক্তিগত জীবন, রাষ্ট্রীয় জীবন, প্রভৃতি ক্ষেত্রে মনোবিজ্ঞানের বহুমুখী ব্যবহার লক্ষ করা যায়। তাই প্রয়োগশীলতার দিক দিয়ে মনোবিজ্ঞান অবশ্যই বিজ্ঞান ।