মায়ের সাথে গর্ভস্থ শিশুর নাড়ির সম্পর্ক। মায়ের ভালো-মন্দের সাথে শিশুর ভালো-মন্দ, জড়িত। শিশু নাভীরজ্জু দ্বারা মায়ের দেহ থেকে পুষ্টি গ্রহণ করে। এ রজ্জুতে যে প্লাসেন্টা থাকে তা ছাঁকনির মতো কাজ করে। এ ছাঁকনির ভিতর দিয়ে ভাইরাস সহজেই ভ্রুণে প্রবেশ করে এবং ভ্রূণের ক্ষতি করে। প্রথম দু সপ্তাহ থেকে চার মাসের মধ্যে শিশুর সকল অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ জন্ম নেয়। এ সময় শিশু যদি মায়ের কাছ থেকে, রুবেলা ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয় তবে চোখে ছানি পড়া, অন্ধ হওয়া, মানসিক প্রতিবন্ধী ইত্যাদি সমস্যা দেখা দিতে পারে। মায়ের ডায়াবেটিস, ব্লাডপ্রেসার ইত্যাদি রোগও শিশুর উপর নেতিবাচক প্রভাব বিস্তার করে। আমেরিকার গর্ভবতী মায়েদের উপর এক জরিপে দেখা যায় যে, শতকরা ৫ ভাগ মায়ের টক্সিমা নামক রোগ হয়ে থাকে। এ রোগ চলতে থাকলে ১৩% মা মারা যায় এবং ৫০% শিশু গর্ভে মারা যায়।
তাই বলা যায় যে, মায়ের অসুস্থতা গর্ভস্থ শিশুকে প্রভাবিত করে।