গাজী সাহেবের মানব কল্যাণধর্মী কাজ সমাজকর্ম বা সমাজকল্যাণের অন্তর্ভুক্ত। গাজী সাহেবের মানব কল্যাণধর্মী কাজ যেভাবে মনোবিজ্ঞানের সাথে সম্পর্কিত নিম্নে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
১. মনোবিজ্ঞান ব্যক্তির আচরণ ও মানসিক প্রক্রিয়াভিত্তিক জ্ঞান, নীতি ও বিষয় সম্পর্কে একটি তাত্ত্বিক আলোচনা করে। অপরদিকে ব্যক্তি বা গোষ্ঠী তার সীমিত আয় ও সম্পদের মধ্য দিয়ে তাদের নির্দিষ্ট এলাকা বা জনগোষ্ঠীর মৌলিক চাহিদা পূরণের ক্ষমতা কীভাবে অর্জন করবে, সেই বিষয়ের ক্ষেত্রে সমাজকর্ম বা সমাজকল্যাণ, মনোবিজ্ঞানের তাত্ত্বিক জ্ঞান বা বিষয়াদির আলোকে একটি জনকল্যাণমুখী মনো-সামাজিক কর্ম পরিকল্পনা প্রস্তুত করে।
২. মনোবিজ্ঞানের বিষয়বস্তুভিত্তিক প্রেষণা, শিক্ষণ, প্রত্যক্ষণ, মনোভাব ইত্যাদি আচরণের সাধারণ সূত্র বা নীতিসমূহের আলোকে সমাজকর্ম বা সমাজকল্যাণ বিজ্ঞান তার ব্যক্তি বা গোষ্ঠীগত জীবনে এক ধরনের সুষ্ঠু সামাজিক সম্পর্ক ও মিথস্ক্রিয়ার ক্ষেত্র প্রস্তুত ও প্রণয়ন করে।
৩. মনোবিজ্ঞানের সাধারণীকরণ ধারণাকে সফলতার সাথে কাজে লাগানোর উপর, ব্যক্তি বা গোষ্ঠীগত জীবনের সম্পর্ক ও মিথস্ক্রিয়ার ক্ষেত্র প্রস্তুত ও প্রণয়নে সমাজকর্ম বা সমাজকল্যাণ বিজ্ঞানের সফলতা অনেকাংশেই নির্ভর করে ।
৪. মনোবিজ্ঞান ও সমাজকর্ম বা সমাজকল্যাণ বিজ্ঞানের সম্পর্ক নিবিড় ও তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, সমাজে বসবাসকারী ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর আচরণ সম্পর্কিত অনুধ্যানের জন্য সমাজকর্ম বা সমাজকল্যাণ বিজ্ঞানকে মনোবিজ্ঞানেরই শরণাপন্ন হতে হয়।
উদ্দীপকে গাজী সাহেব বৃদ্ধ মানুষদের কল্যাণের জন্য একটি মানসম্পন্ন বৃদ্ধাশ্রম করেছেন। প্রতিষ্ঠানটির সেবার মান উন্নত হওয়ায় সেখানকার বৃদ্ধ ব্যক্তিগণ তার যথেষ্ট প্রশংসা করেন। সুতরাং, গাজী সাহেবের প্রতিষ্ঠানটি সমাজের বৃদ্ধ জনগোষ্ঠীর জীবনমান, চাহিদা, নিয়ম-নীতি, মূল্যবোধ, বিশ্বাস সকল কিছু বিবেচনায় রেখে সেবাদান করায় সমাজ মনোবিজ্ঞানের সাথে সম্পর্কিত