উদ্দীপকে উল্লিখিত খ ভূমিরূপের গঠন প্রক্রিয়া বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: উদ্দীপকে 'খ' হলো অশ্বক্ষুরাকৃতি হ্রদ। নিচে ভূমিরূপের গঠন প্রকৃতি বিশ্লেষণ করা হলো: উদ্দীপকে 'খ' চিহ্নিত ভূমিরূপ হলো অশ্বক্ষুরাকৃতি হ্রদ। নদীর মধ্য ও নিম্নগতিতে ক্ষয় ও সঞ্চয়কার্যের ফলে অশ্বখুরাকৃতি হ্রদের সৃষ্টি হয়। অর্থাৎ নদীর মধ্য ও নিম্ন গতিতে যে ক্ষয়ের সৃষ্টি হয় তাকেই অশ্বক্ষুরাকৃতি হ্রদ বলে। নদীর ক্ষয়ক্রিয়ার ফলে সর্পিল বাঁকের সৃষ্টি হয়। বাক সৃষ্টির পর থেকে কালক্রমে নদী ছেদনের ফলে বক্রপথ পরিত্যাগ করে নতুনভাবে সৃষ্ট সোজাপথে চলতে থাকে। সোজাপথে চলার ফলে তখন আর বক্রপথে কোনো স্রোত থাকে না। তখন বাঁকের দুই মুখে পলি সঞ্চিত হতে থাকে। এভাবে পলি সঞ্চিত হতে হতে সর্পিল বাঁকের মুখ একেবারে বন্ধ হয়ে যায়। বাকের মুখ একবারে বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে এটি মূল নদী হতে সম্পূর্ণরূপে বিচ্ছিন্ন হয়ে একটি বন্ধ জলাশয়ে পরিণত হয়। সৃষ্ট বদ্ধ জলাশয় অশ্বের খুরের ন্যায় আকৃতিবিশিষ্ট দেখতে হয় বলে এরূপ প্রাকৃতিক বন্ধ জলাশয়কে অশ্বখুরাকৃতি হ্রদ বলে।
HSC Geography 1st Paper Chapter 3 : ভূমিরুপ পরিবর্তন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Geography 1st Paper · Chapter 3 : ভূমিরুপ পরিবর্তন · সৃজনশীল
উদ্দীপকে উল্লিখিত খ ভূমিরূপের গঠন প্রক্রিয়া বিশ্লেষণ কর।
উদ্দীপক

Dhaka · 2022
উত্তর
উত্তর
উত্তর
চিত্র: ভি আকৃতির উপত্যকা
পার্বত্য অঞ্চলের শিলা তুলনামূলকভাবে কঠিন থাকে। সেখানে নদীর স্রোতের গতিবেগও বেশি। ফলে এ অবস্থায় নদী পার্শ্বক্ষয়ের তুলনায় তলদেশের ক্ষয়সাধন অধিক হয়। এ সময় পার্বত্য অঞ্চলে নদী উপত্যকার মধ্যভাগ অধিক ক্ষয় হতে হতে কালক্রমে ইংরেজি ' অক্ষরের ন্যায় রূপধারণ করে। এজন্য এ ধরনের উপত্যকাকে' ' আকৃতির উপত্যকা বলে। পরবর্তীতে ধীরে ধীরে পার্শ্বদিকের ক্ষয়ের পরিমাণ বেশি হলে উপত্যকা ক্রমান্বয়ে প্রশস্ত হতে থাকে।উত্তর


