Chapter 3 : ভূমিরুপ পরিবর্তন Geography 1st Paper

HSC Geography 1st Paper এর Chapter 3 : ভূমিরুপ পরিবর্তন অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

৩৫৯

প্রশ্ন

Geography 1st Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

টেলিভিশনে একটি প্রামাণ্য চিত্র দেখে সুপ্তি বুঝতে পারল, ভূমিরূপের ব্যাপক পরিবর্তনে মানুষের তেমন কোনো হাত নেই। কিন্তু ঐ পরিবর্তনে এক ধরনের প্রাকৃতিক শক্তি ক্রিয়াশীল যা খণ্ড খণ্ড ভূ-ভাগের সীমানা বরাবর সংঘটিত হয়। ইতিহাসে যার অনেক ভয়াবহ ক্ষতিকর প্রভাবের নজির রয়েছে।

Rajshahi · 2017

ক
ভূ-আলোড়ন কাকে বলে?

উত্তর

পৃথিবীর অভ্যন্তরভাগের বিভিন্ন শিলাস্তরে তাপ ও চাপের পার্থক্যের কারণে ভূত্বকে যে আলোড়ন ঘটে তাকে ভূআলোড়ন বলে। যেমন- ভূমিকম্প।
খ
ভূমিক্ষয় জীবজগতের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

ভূমিক্ষয়ের ফলে জীবজগতের ওপর সরাসরি ও ব্যাপক প্রভাব পরিলক্ষিত হয়। ভূমিক্ষয়ের দরুন অনেক স্থানে জীবের অস্তিত্ব বিলুপ্ত হয়। নদী তীরবর্তী অঞ্চলে ভাঙন বৃদ্ধি পায়। ফলে ফসল, গাছ পালা, গবাদি পশু ও মানুষের জীবনের ক্ষয়ক্ষতি সংঘটিত হয়, বিপর্যয় নেমে আসে। এছাড়া ভূমিক্ষয়ের ফলে ক্ষয়িত পদার্থগুলো অন্যত্র জমা হয়ে নতুন ভূমিরূপ সৃষ্টির মাধ্যমে উদ্ভিদ ও জীবের নতুন আবাসস্থল সৃষ্টি করে।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শক্তিটির স্থানিক বিন্যাস মানচিত্রে দেখাও।

উত্তর

উদ্দীপকের উল্লিখিত শক্তিটি হলো ভূমিকম্প। ভূমিকম্প পৃথিবীর খন্ড-খন্ড ভূ-ভাগের সীমানা বরাবর অর্থাৎ মহাদেশীয় প্লেটগুলোর সীমানায় সংঘটিত হয়ে থাকে। ভূমিকম্পের প্রভাব অত্যন্ত ভয়াবহ। নিচে ভূমিকম্পের স্থানিক বিন্যাস মানচিত্রে দেখানো হলো। question image
ঘ
উদ্দীপকের শক্তিটি খণ্ড খণ্ড ভূ-ভাগের সীমানা বরাবর সংঘটনের কারণ বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের উল্লিখিত শক্তিটি হলো ভূমিকম্প। পৃথিবীর সমগ্র ভূভাগ ৭টি বড় (যেমন- ইউরেশিয়, আফ্রিকান প্লেট) এবং ২৯টি ছোট (যেমন- বার্মা, পেরুভিয়ান প্লেট) প্লেট দ্বারা গঠিত। মহাদেশীয় প্লেটগুলোর সীমানা বরাবর (জাপান ও ইতালি) অধিক ভূমিকম্প সংঘটিত হয়। নিচে ভূমিকম্পের কারণ বিশ্লেষণ করা হলো: যখন দুইটি মহাদেশীয় প্লেট পরস্পরের মুখোমুখি মিলিত হয় তখন এদের সন্ধিস্থলে ভঙ্গিল পর্বতমালা গড়ে ওঠে। এ পর্বতের শিলাগুলো প্রচণ্ড চাপের মধ্যে থাকে। এর প্রভাবে শিলা বেঁকে যায় এবং এর আকৃতি কিছুটা বাঁকানো ধনুকের মতো হয়। এতে শিলার স্থিতিশক্তির স্থানান্তর হয়। তবে কোনো কারণে হঠাৎ দ্রুত চাপ বাড়তে থাকলে শিলা আরও বেঁকে একসময় ভেঙে যেতে পারে। এভাবে চ্যুতির (fault) সৃষ্টি হয়। সঞ্চিত স্থিতিশক্তি তখন প্রবল যান্ত্রিক শক্তি হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে এবং প্রচণ্ড শক্তিতে ভূত্বকে আঘাত করে। এই যান্ত্রিক শক্তিই ভূমিকম্পের সৃষ্টি করে। সুতরাং বলা যায়, খন্ড খন্ড ভূভাগের সীমানা বরাবর উল্লিখিত যান্ত্রিক শক্তিই ভূমিকম্পের প্রধান কারণ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

টেলিভিশনে একটি প্রামাণ্য চিত্র দেখে সুপ্তি বুঝতে পারল, ভূমিরূপের ব্যাপক পরিবর্তনে মানুষের তেমন কোনো হাত নেই। কিন্তু ঐ পরিবর্তনে এক ধরনের প্রাকৃতিক শক্তি ক্রিয়াশীল যা খণ্ড খণ্ড ভূ-ভাগের সীমানা বরাবর সংঘটিত হয়। ইতিহাসে যার অনেক ভয়াবহ ক্ষতিকর প্রভাবের নজির রয়েছে।

Rajshahi · 2017

ক
ভূ-আলোড়ন কাকে বলে?

উত্তর

পৃথিবীর অভ্যন্তরভাগের বিভিন্ন শিলাস্তরে তাপ ও চাপের পার্থক্যের কারণে ভূত্বকে যে আলোড়ন ঘটে তাকে ভূআলোড়ন বলে। যেমন- ভূমিকম্প।
খ
ভূমিক্ষয় জীবজগতের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

ভূমিক্ষয়ের ফলে জীবজগতের ওপর সরাসরি ও ব্যাপক প্রভাব পরিলক্ষিত হয়। ভূমিক্ষয়ের দরুন অনেক স্থানে জীবের অস্তিত্ব বিলুপ্ত হয়। নদী তীরবর্তী অঞ্চলে ভাঙন বৃদ্ধি পায়। ফলে ফসল, গাছ পালা, গবাদি পশু ও মানুষের জীবনের ক্ষয়ক্ষতি সংঘটিত হয়, বিপর্যয় নেমে আসে। এছাড়া ভূমিক্ষয়ের ফলে ক্ষয়িত পদার্থগুলো অন্যত্র জমা হয়ে নতুন ভূমিরূপ সৃষ্টির মাধ্যমে উদ্ভিদ ও জীবের নতুন আবাসস্থল সৃষ্টি করে।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শক্তিটির স্থানিক বিন্যাস মানচিত্রে দেখাও।

উত্তর

উদ্দীপকের উল্লিখিত শক্তিটি হলো ভূমিকম্প। ভূমিকম্প পৃথিবীর খন্ড-খন্ড ভূ-ভাগের সীমানা বরাবর অর্থাৎ মহাদেশীয় প্লেটগুলোর সীমানায় সংঘটিত হয়ে থাকে। ভূমিকম্পের প্রভাব অত্যন্ত ভয়াবহ। নিচে ভূমিকম্পের স্থানিক বিন্যাস মানচিত্রে দেখানো হলো। question image
ঘ
উদ্দীপকের শক্তিটি খণ্ড খণ্ড ভূ-ভাগের সীমানা বরাবর সংঘটনের কারণ বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের উল্লিখিত শক্তিটি হলো ভূমিকম্প। পৃথিবীর সমগ্র ভূভাগ ৭টি বড় (যেমন- ইউরেশিয়, আফ্রিকান প্লেট) এবং ২৯টি ছোট (যেমন- বার্মা, পেরুভিয়ান প্লেট) প্লেট দ্বারা গঠিত। মহাদেশীয় প্লেটগুলোর সীমানা বরাবর (জাপান ও ইতালি) অধিক ভূমিকম্প সংঘটিত হয়। নিচে ভূমিকম্পের কারণ বিশ্লেষণ করা হলো: যখন দুইটি মহাদেশীয় প্লেট পরস্পরের মুখোমুখি মিলিত হয় তখন এদের সন্ধিস্থলে ভঙ্গিল পর্বতমালা গড়ে ওঠে। এ পর্বতের শিলাগুলো প্রচণ্ড চাপের মধ্যে থাকে। এর প্রভাবে শিলা বেঁকে যায় এবং এর আকৃতি কিছুটা বাঁকানো ধনুকের মতো হয়। এতে শিলার স্থিতিশক্তির স্থানান্তর হয়। তবে কোনো কারণে হঠাৎ দ্রুত চাপ বাড়তে থাকলে শিলা আরও বেঁকে একসময় ভেঙে যেতে পারে। এভাবে চ্যুতির (fault) সৃষ্টি হয়। সঞ্চিত স্থিতিশক্তি তখন প্রবল যান্ত্রিক শক্তি হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে এবং প্রচণ্ড শক্তিতে ভূত্বকে আঘাত করে। এই যান্ত্রিক শক্তিই ভূমিকম্পের সৃষ্টি করে। সুতরাং বলা যায়, খন্ড খন্ড ভূভাগের সীমানা বরাবর উল্লিখিত যান্ত্রিক শক্তিই ভূমিকম্পের প্রধান কারণ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিশুর বাড়ী সিরাজগঞ্জের যমুনা নদী অববাহিকায়। সে তার সহপাঠীদের নিয়ে মধুপুর বেড়াতে এসে বুঝতে পারে যে, তার নিজ এলাকার সাথে এখানকার ভূ-প্রকৃতির ভিন্নতা রয়েছে।

Rajshahi · 2017

ক
মালভূমি কাকে বলে?

উত্তর

পর্বত থেকে নিচু কিন্তু সমভূমি থেকে উঁচু, খাড়া ঢালযুক্ত, ঢেউ খেলানো, বিস্তীর্ণ সমতলভূমিকে মালভূমি বলে। যেমন- তিব্বত মালভূমি, ভারতের দাক্ষিণাত্যের মালভূমি ইত্যাদি।
খ
ভঙ্গিল পর্বত সৃষ্টির প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

সমুদ্র তলদেশের বিস্তৃত অবনমিত স্থানে দীর্ঘকাল ধরে বিপুল পরিমাণ পলি জমা হওয়ায় এর চাপে অবনমিত স্থান আরও নিচে নেমে যায়। পরবর্তীতে ভূআলোড়ন বা ভূমিকম্পের ফলে এবং পার্শ্ববর্তী সুদৃঢ় ভূমিখণ্ডের প্রবল পার্শ্বচাপের কারণে ঊর্ধ্ব ও নিম্নভাঁজের সৃষ্টি হয়। বিস্তৃত এলাকা জুড়ে এ সমস্ত ভাঁজ সংবলিত ভূমিরূপ মিলেই ভঙ্গিল পর্বত গঠিত হয়েছে।
গ
উদ্দীপকের নিশুর নিজ এলাকার ভূ-প্রকৃতি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপক অনুসারে নিশুর নিজ এলাকাটি সিরাজগঞ্জের যমুনা নদীর অববাহিকায় অবস্থিত। এটি সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমির অন্তর্গত। পদ্মা, মেঘনা, ব্রহ্মপুত্র, যমুনা প্রভৃতি নদ-নদী তাদের অসংখ্য উপনদী ও শাখা নদীর বাহিত পলিমাটি দ্বারা প্লাবন সমভূমি অঞ্চল গঠিত। যমুনা নদীর তীরবর্তী সিরাজগঞ্জ বিস্তৃত প্লাবন সমভূমি দ্বারা গঠিত। এখানে ভূমির বন্ধুরতা নেই বললেই চলে। যমুনা নদী থেকে বের হয়ে বেশ কিছু শাখা নদী (যেমন- ধলেশ্বরী) এবং উপনদী (যেমন- করতোয়া, আত্রাই) উক্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে রয়েছে। এসব নদী উপত্যকা, নদীর প্রাকৃতিক বাঁধ এবং বিস্তীর্ণ ভূমি নিয়ে এ অঞ্চলের ভূপ্রকৃতি গড়ে ওঠেছে।
ঘ
উদ্দীপকে ইঙ্গিতপূর্ণ ভূমিরূপদ্বয়ের বৈসাদৃশ্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপক অনুসারে নিশুর নিজ এলাকা সিরাজগঞ্জ সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি এবং নিশু ও তার সহপাঠীদের ভ্রমণকৃত অঞ্চল মধুপুর, প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহের অন্তর্গত। নিচে উল্লিখিত ভূমিরূপদ্বয়ের বৈসাদৃশ্য বিশ্লেষণ করা হলো: পদ্মা, মেঘনা, ব্রহ্মপুত্র, যমুনা প্রভৃতি নদ-নদী এবং তাদের অসংখ্য উপনদী ও শাখা নদী বাহিত পলিমাটি দ্বারা প্লাবণ সমভূমি অঞ্চল গঠিত। বাংলাদেশ নদীবিধৌত এক বিস্তৃত সমভূমি। অসংখ্য ছোট বড় নদী বাংলাদেশের সর্বত্র জালের মতো ছড়িয়ে রয়েছে। সমভূমির উপর দিয়ে নদীগুলো প্রবাহের কারণে বর্ষাকালে বন্যার সৃষ্টি হয়। বছরের পর বছর । এভাবে বন্যার সঙ্গে পলিবাহিত মাটি সঞ্চিত হয়ে এ প্লাবন সমভূমি গঠিত হয়েছে। বাংলাদেশে প্রায় ৮০% ভূমি এ অঞ্চলের অন্তর্গত। এ অঞ্চলের মাটি খুব উর্বর বলে কৃষিজ দ্রব্য উৎপাদনে তা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে। অপরদিকে, আজ থেকে অর্ধ মিলিয়ন বছর পূর্বে বরফ যুগের পরোক্ষ প্রভাবের ফলে প্লাইস্টোসিন যুগের ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের সুবিশাল বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় (প্লাইস্টোসিন যুগে) এভাবে গঠিত হয়েছে। মধুপুর অঞ্চলের মাটির রং লাল এবং কংকরময় বলে কৃষিকাজের পক্ষে বিশেষ উপযোগী নয়। এ অঞ্চলের মাটি অন্যান্য অঞ্চলের মাটি হতে সহজেই পৃথক করা যায়। সুতরাং বলা যায়, সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি ও মধুপুর অঞ্চল ভূমিরূপ দুইটির মধ্যে যথেষ্ট বৈসাদৃশ্য রয়েছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিশুর বাড়ী সিরাজগঞ্জের যমুনা নদী অববাহিকায়। সে তার সহপাঠীদের নিয়ে মধুপুর বেড়াতে এসে বুঝতে পারে যে, তার নিজ এলাকার সাথে এখানকার ভূ-প্রকৃতির ভিন্নতা রয়েছে।

Rajshahi · 2017

ক
মালভূমি কাকে বলে?

উত্তর

পর্বত থেকে নিচু কিন্তু সমভূমি থেকে উঁচু, খাড়া ঢালযুক্ত, ঢেউ খেলানো, বিস্তীর্ণ সমতলভূমিকে মালভূমি বলে। যেমন- তিব্বত মালভূমি, ভারতের দাক্ষিণাত্যের মালভূমি ইত্যাদি।
খ
ভঙ্গিল পর্বত সৃষ্টির প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

সমুদ্র তলদেশের বিস্তৃত অবনমিত স্থানে দীর্ঘকাল ধরে বিপুল পরিমাণ পলি জমা হওয়ায় এর চাপে অবনমিত স্থান আরও নিচে নেমে যায়। পরবর্তীতে ভূআলোড়ন বা ভূমিকম্পের ফলে এবং পার্শ্ববর্তী সুদৃঢ় ভূমিখণ্ডের প্রবল পার্শ্বচাপের কারণে ঊর্ধ্ব ও নিম্নভাঁজের সৃষ্টি হয়। বিস্তৃত এলাকা জুড়ে এ সমস্ত ভাঁজ সংবলিত ভূমিরূপ মিলেই ভঙ্গিল পর্বত গঠিত হয়েছে।
গ
উদ্দীপকের নিশুর নিজ এলাকার ভূ-প্রকৃতি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপক অনুসারে নিশুর নিজ এলাকাটি সিরাজগঞ্জের যমুনা নদীর অববাহিকায় অবস্থিত। এটি সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমির অন্তর্গত। পদ্মা, মেঘনা, ব্রহ্মপুত্র, যমুনা প্রভৃতি নদ-নদী তাদের অসংখ্য উপনদী ও শাখা নদীর বাহিত পলিমাটি দ্বারা প্লাবন সমভূমি অঞ্চল গঠিত। যমুনা নদীর তীরবর্তী সিরাজগঞ্জ বিস্তৃত প্লাবন সমভূমি দ্বারা গঠিত। এখানে ভূমির বন্ধুরতা নেই বললেই চলে। যমুনা নদী থেকে বের হয়ে বেশ কিছু শাখা নদী (যেমন- ধলেশ্বরী) এবং উপনদী (যেমন- করতোয়া, আত্রাই) উক্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে রয়েছে। এসব নদী উপত্যকা, নদীর প্রাকৃতিক বাঁধ এবং বিস্তীর্ণ ভূমি নিয়ে এ অঞ্চলের ভূপ্রকৃতি গড়ে ওঠেছে।
ঘ
উদ্দীপকে ইঙ্গিতপূর্ণ ভূমিরূপদ্বয়ের বৈসাদৃশ্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপক অনুসারে নিশুর নিজ এলাকা সিরাজগঞ্জ সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি এবং নিশু ও তার সহপাঠীদের ভ্রমণকৃত অঞ্চল মধুপুর, প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহের অন্তর্গত। নিচে উল্লিখিত ভূমিরূপদ্বয়ের বৈসাদৃশ্য বিশ্লেষণ করা হলো: পদ্মা, মেঘনা, ব্রহ্মপুত্র, যমুনা প্রভৃতি নদ-নদী এবং তাদের অসংখ্য উপনদী ও শাখা নদী বাহিত পলিমাটি দ্বারা প্লাবণ সমভূমি অঞ্চল গঠিত। বাংলাদেশ নদীবিধৌত এক বিস্তৃত সমভূমি। অসংখ্য ছোট বড় নদী বাংলাদেশের সর্বত্র জালের মতো ছড়িয়ে রয়েছে। সমভূমির উপর দিয়ে নদীগুলো প্রবাহের কারণে বর্ষাকালে বন্যার সৃষ্টি হয়। বছরের পর বছর । এভাবে বন্যার সঙ্গে পলিবাহিত মাটি সঞ্চিত হয়ে এ প্লাবন সমভূমি গঠিত হয়েছে। বাংলাদেশে প্রায় ৮০% ভূমি এ অঞ্চলের অন্তর্গত। এ অঞ্চলের মাটি খুব উর্বর বলে কৃষিজ দ্রব্য উৎপাদনে তা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে। অপরদিকে, আজ থেকে অর্ধ মিলিয়ন বছর পূর্বে বরফ যুগের পরোক্ষ প্রভাবের ফলে প্লাইস্টোসিন যুগের ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের সুবিশাল বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় (প্লাইস্টোসিন যুগে) এভাবে গঠিত হয়েছে। মধুপুর অঞ্চলের মাটির রং লাল এবং কংকরময় বলে কৃষিকাজের পক্ষে বিশেষ উপযোগী নয়। এ অঞ্চলের মাটি অন্যান্য অঞ্চলের মাটি হতে সহজেই পৃথক করা যায়। সুতরাং বলা যায়, সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি ও মধুপুর অঞ্চল ভূমিরূপ দুইটির মধ্যে যথেষ্ট বৈসাদৃশ্য রয়েছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2017

ক
গিরিজনিক আলোড়ন কাকে বলে?

উত্তর

যে আলোড়নের ফলে পর্বতের সৃষ্টি হয় তাকে গিরিজনি আলোড়ন বলে। এশিয়ার হিমালয়, ইউরোপের আল্পস ইত্যাদি এরূপ আলোড়নের ফলেই সৃষ্ট।
খ
জলযোজন ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় খনিজের সাথে পানি যুক্ত হয়ে খনিজের যে পরিবর্তন ঘটে তাকে জলযোজন (Hydration) বলে। এর ফলে খনিজের আয়তন বৃদ্ধি পায়। উদাহরণ- জলযোজন প্রক্রিয়ায় হেমাটাইট লিমোনাইটে পরিণত হয়। 2Fe2O3 + 3H2O → 2Fe2O3.3H2O (হেমাটাইট) (পানি) (লিমোনাইট)
গ
চিত্রের 'ক' অঞ্চলে বিচূর্ণীভবনের কোন প্রক্রিয়া ক্রিয়াশীল- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

চিত্রের 'ক' অঞ্চলে যান্ত্রিক বিচূর্ণীভবন ক্রিয়াশীল। কিছু প্রাকৃতিক শক্তিসমূহ যেমন- সৌরতাপ, তুষার, বৃষ্টি, শিলার চাপ হ্রাস এবং মাধ্যাকর্ষণ শক্তি দ্বারা শিলার চূর্ণবিচূর্ণ হওয়াকে যান্ত্রিক বিচূর্ণীভবন বলে। মরুভূমি অঞ্চলে যেখানে তাপমাত্রার দ্রুত পরিবর্তন হয় এবং উচ্চ পার্বত্য এলাকা যেখানে তুষারের প্রভাব খুব বেশি সেখানে যান্ত্রিক বিচূর্ণীভবন অধিক হয়ে থাকে। দিন রাত্রি এবং ঋতুভেদে তাপমাত্রার পার্থক্যের ফলে শিলারাশি অসমভাবে প্রসারিত ও সংকুচিত হয়ে খন্ড বিখণ্ড হয়ে যায়। চিত্রে সৌরতাপের প্রভাবে শিলাসমূহের উপরের স্তর উত্তপ্ত হলে তা আয়তনে বৃদ্ধি পায়। যেহেতু শিলা তাপের উত্তম পরিবাহী নয়, সেহেতু তার ঠিক নিচের স্তরটি ততটা উত্তপ্ত হতে পারে না। তাই এটি আয়তনে বৃদ্ধি পায় না। এর ফলে শিলাসমূহের উপরের স্তর এবং তার নিচের স্তরের মধ্যে টানের সৃষ্টি হয় এবং শিলাস্তরের মাঝে সমান্তরাল ফাটল দেখা যায়। পরবর্তীতে ঐ ফাটল বরাবর শিলার উপরের স্তরটি মূল শিলা হতে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এভাবে সৌরতাপের প্রভাবে যান্ত্রিক বিচূর্ণীভবন হয়ে থাকে।
ঘ
চিত্রের 'ক' ও 'খ' স্থানের ভূমিরূপ পরিবর্তন প্রক্রিয়ার বৈসাদৃশ্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

চিত্রের 'ক' স্থানে যান্ত্রিক ও 'খ' স্থানে জৈবিক বিচূর্ণীভবন প্রক্রিয়া ক্রিয়াশীল। চিত্রের 'ক' স্থানটি পার্বত্য উচ্চভূমি নির্দেশ করছে। তাই এখানে যান্ত্রিক বিচূর্ণীভবনের বিভিন্ন প্রক্রিয়া কাজ করবে। অন্যদিকে 'খ' স্থানটি উদ্ভিদপূর্ণ স্থান বলে এখানে জৈবিক বিচূর্ণীভবন অধিক ক্রিয়াশীল। উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলে যান্ত্রিক বিচূর্ণীভবন সহজেই ক্রিয়া করে। সাধারণত সৌরতাপ, তুষার, বৃষ্টি, শিলার চাপ হ্রাস এবং মাধ্যাকর্ষণ শক্তি দ্বারা এ ধরনের বিচূর্ণীভবন সংঘটিত হয়। উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলে এসব প্রাকৃতিক শক্তিসমূহ সহজেই কাজ করতে পারে। মানুষ, জীবজন্তু এবং বৃক্ষলতাদি দ্বারা শিলারাশি সর্বদা চূর্ণবিচূর্ণ হচ্ছে। একে জৈবিক বিচূর্ণীভবন বলে। বৃক্ষলতাদি দ্বারা শিলা চূর্ণবিচূর্ণ হলে তা সহজে বুঝা যায় না। উদ্ভিদ বিবিধ উপায়ে প্রতিনিয়ত শিলাকে বিশ্লিষ্ট ও চূর্ণবিচূর্ণ করছে। বৃক্ষ মাটির ভিতরে প্রবেশ করলে স্বাভাবিকভাবেই মাটি ফেটে যায় এবং কিছু শিলা আলগা হয়ে পড়ে। এতে করে মাটিতে পানি প্রবেশের পথ পায়। মস, শৈবাল, লাইকেন প্রভৃতির ক্রিয়ায় তখন হিউমাস (Humus) সৃষ্টি হয়। হিউমাস আবার বৃষ্টির পানির সংস্পর্শে এসে জৈব এসিড (Organic acid) সৃষ্টি করে যা শিলারাশিকে ক্ষয় করে। সুতরাং দেখা যায়, 'ক' স্থানে ভৌত উপায়ে এবং 'খ' স্থানে জৈব- রাসায়নিক উপায়ে ভূমিরূপ পরিবর্তিত হয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2017

ক
গিরিজনিক আলোড়ন কাকে বলে?

উত্তর

যে আলোড়নের ফলে পর্বতের সৃষ্টি হয় তাকে গিরিজনি আলোড়ন বলে। এশিয়ার হিমালয়, ইউরোপের আল্পস ইত্যাদি এরূপ আলোড়নের ফলেই সৃষ্ট।
খ
জলযোজন ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় খনিজের সাথে পানি যুক্ত হয়ে খনিজের যে পরিবর্তন ঘটে তাকে জলযোজন (Hydration) বলে। এর ফলে খনিজের আয়তন বৃদ্ধি পায়। উদাহরণ- জলযোজন প্রক্রিয়ায় হেমাটাইট লিমোনাইটে পরিণত হয়। 2Fe2O3 + 3H2O → 2Fe2O3.3H2O (হেমাটাইট) (পানি) (লিমোনাইট)
গ
চিত্রের 'ক' অঞ্চলে বিচূর্ণীভবনের কোন প্রক্রিয়া ক্রিয়াশীল- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

চিত্রের 'ক' অঞ্চলে যান্ত্রিক বিচূর্ণীভবন ক্রিয়াশীল। কিছু প্রাকৃতিক শক্তিসমূহ যেমন- সৌরতাপ, তুষার, বৃষ্টি, শিলার চাপ হ্রাস এবং মাধ্যাকর্ষণ শক্তি দ্বারা শিলার চূর্ণবিচূর্ণ হওয়াকে যান্ত্রিক বিচূর্ণীভবন বলে। মরুভূমি অঞ্চলে যেখানে তাপমাত্রার দ্রুত পরিবর্তন হয় এবং উচ্চ পার্বত্য এলাকা যেখানে তুষারের প্রভাব খুব বেশি সেখানে যান্ত্রিক বিচূর্ণীভবন অধিক হয়ে থাকে। দিন রাত্রি এবং ঋতুভেদে তাপমাত্রার পার্থক্যের ফলে শিলারাশি অসমভাবে প্রসারিত ও সংকুচিত হয়ে খন্ড বিখণ্ড হয়ে যায়। চিত্রে সৌরতাপের প্রভাবে শিলাসমূহের উপরের স্তর উত্তপ্ত হলে তা আয়তনে বৃদ্ধি পায়। যেহেতু শিলা তাপের উত্তম পরিবাহী নয়, সেহেতু তার ঠিক নিচের স্তরটি ততটা উত্তপ্ত হতে পারে না। তাই এটি আয়তনে বৃদ্ধি পায় না। এর ফলে শিলাসমূহের উপরের স্তর এবং তার নিচের স্তরের মধ্যে টানের সৃষ্টি হয় এবং শিলাস্তরের মাঝে সমান্তরাল ফাটল দেখা যায়। পরবর্তীতে ঐ ফাটল বরাবর শিলার উপরের স্তরটি মূল শিলা হতে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এভাবে সৌরতাপের প্রভাবে যান্ত্রিক বিচূর্ণীভবন হয়ে থাকে।
ঘ
চিত্রের 'ক' ও 'খ' স্থানের ভূমিরূপ পরিবর্তন প্রক্রিয়ার বৈসাদৃশ্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

চিত্রের 'ক' স্থানে যান্ত্রিক ও 'খ' স্থানে জৈবিক বিচূর্ণীভবন প্রক্রিয়া ক্রিয়াশীল। চিত্রের 'ক' স্থানটি পার্বত্য উচ্চভূমি নির্দেশ করছে। তাই এখানে যান্ত্রিক বিচূর্ণীভবনের বিভিন্ন প্রক্রিয়া কাজ করবে। অন্যদিকে 'খ' স্থানটি উদ্ভিদপূর্ণ স্থান বলে এখানে জৈবিক বিচূর্ণীভবন অধিক ক্রিয়াশীল। উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলে যান্ত্রিক বিচূর্ণীভবন সহজেই ক্রিয়া করে। সাধারণত সৌরতাপ, তুষার, বৃষ্টি, শিলার চাপ হ্রাস এবং মাধ্যাকর্ষণ শক্তি দ্বারা এ ধরনের বিচূর্ণীভবন সংঘটিত হয়। উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলে এসব প্রাকৃতিক শক্তিসমূহ সহজেই কাজ করতে পারে। মানুষ, জীবজন্তু এবং বৃক্ষলতাদি দ্বারা শিলারাশি সর্বদা চূর্ণবিচূর্ণ হচ্ছে। একে জৈবিক বিচূর্ণীভবন বলে। বৃক্ষলতাদি দ্বারা শিলা চূর্ণবিচূর্ণ হলে তা সহজে বুঝা যায় না। উদ্ভিদ বিবিধ উপায়ে প্রতিনিয়ত শিলাকে বিশ্লিষ্ট ও চূর্ণবিচূর্ণ করছে। বৃক্ষ মাটির ভিতরে প্রবেশ করলে স্বাভাবিকভাবেই মাটি ফেটে যায় এবং কিছু শিলা আলগা হয়ে পড়ে। এতে করে মাটিতে পানি প্রবেশের পথ পায়। মস, শৈবাল, লাইকেন প্রভৃতির ক্রিয়ায় তখন হিউমাস (Humus) সৃষ্টি হয়। হিউমাস আবার বৃষ্টির পানির সংস্পর্শে এসে জৈব এসিড (Organic acid) সৃষ্টি করে যা শিলারাশিকে ক্ষয় করে। সুতরাং দেখা যায়, 'ক' স্থানে ভৌত উপায়ে এবং 'খ' স্থানে জৈব- রাসায়নিক উপায়ে ভূমিরূপ পরিবর্তিত হয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো