উদ্দীপকে 'ক' অঞ্চল হলো নদীর পার্বত্য পর্যায় বা উর্ধ্বগতি পার্বত্য অবস্থা থেকেই নদীর সৃষ্টি হয়।
উঁচু পর্বত বা মালভূমি থেকে বৃষ্টি, প্রসবণ, হিমবাহ বা বরফ গলা পানিতে সৃষ্ট কোনো জলধারা যখন মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে ভূমির ঢাল বরাবর প্রবাহিত হয়ে সমভূমি ও নিম্নভূমির উপর দিয়ে বয়ে গিয়ে অবশেষে কোনো বিশাল জলাশয় বা হ্রদ অথবা সমুদ্রে পতিত হয়, তখন তাকে নদী বলা হয় ।
নদীর উৎপত্তির জন্য প্রয়োজন পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ ও ঢালু জায়গা। পাহাড়িয়া অঞ্চলে প্রচুর বৃষ্টির পানি ও বরফগলা পানি পাওয়া যায় বলে পৃথিবীর অধিকাংশ নদীই পার্বত্য অঞ্চল হতে উৎপত্তি লাভ করেছে। এ ছাড়া পাহাড়ের প্রস্রবণের পানিও নদীর উৎপত্তিতে সহায়তা করে থাকে। পানিপ্রবাহ স্বভাবত নিম্নগামী; সে জন্য সব নদীই ভূভাগের ঢাল অনুসারে প্রবাহিত হয়ে সমুদ্র বা হ্রদ কিংবা অন্য কোনো নদীতে গিয়ে পড়ে । নদীর আকৃতি, প্রকৃতি ও এর বিভিন্ন প্রকারের কার্যের পরিমাণ বহুলাংশে নির্ভর করে তার উৎসস্থলের পানি সরবরাহের পরিমাণের ওপর। হিমালয় পর্বতে বৃষ্টি, বরফগলা পানি ও প্রস্রবণের পানি মিলিত হয়ে গঙ্গা নদীর সৃষ্টি হয়েছে।