উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত বিষয়টি হলো আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যাপাত। নিচে এর প্রভাব বিশ্লেষণ করা হলো-
আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে আগ্নেয় মালভূমি, আগ্নেয়দ্বীপ, আগ্নেয় গহ্বর, আগ্নেয় হ্রদ, আগ্নেয় পর্বত প্রভৃতি সৃষ্টি হয়ে থাকে। অনেক সময় আগ্নেয়গিরির লাভা সঞ্চিত হয়ে নিম্ন সমভূমির সৃষ্টি করে। অগ্ন্যুৎপাতের ফলে সৃষ্ট ভূমির উর্বরতা বৃদ্ধি পায়। অগ্ন্যুৎপাতের ফলে বহু নিচের খনিজ পদার্থও ভূপৃষ্ঠে নিক্ষিপ্ত হয়। অগ্ন্যুৎপাতের ফলে উর্বর পলল ভূমির সৃষ্টি হতে পারে। অগভীর সমুদ্রে বা হ্রদে লাভা ও ভস্ম সঞ্জিত হয়ে এরূপ ভূভাগ সৃষ্টি হয় । এছাড়া আগ্নেয়গিরি থেকে নির্গত লাভা প্রবলবেগে ঊর্ধ্বে উঠে চারদিকে বহুদূর গিয়ে পড়ে এবং পার্শ্ববর্তী গ্রাম, নগর, শস্যক্ষেত্র প্রভৃতি ধ্বংস হয়। যেমন, ১৮৭৯ সালে ইতালির ভিসুভিয়াস আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে হারকিউলেনিয়াম ও পম্পেই নগর ধ্বংস হয়েছিল।
সুতরাং বলা যায়, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত একটি প্রাকৃতিক ঘটনা যার ফলে বিভিন্ন ধরনের ভূপ্রকৃতির সৃষ্টি হয় এবং কৃষিকাজের অনেক সময় সুফলও বয়ে আনে। আবার মাঝে মাঝে অকস্মাৎ অগ্ন্যুৎপাতের ফলে পুরো এলাকা ধ্বংস হয়ে যায়। যা প্রকৃতি ও পরিবেশের ওপর মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে।