উদ্দীপকে সামিহার ঘটে যাওয়া ঘটনাটি হলো ভূমিকম্প। উক্ত ভূমিকম্প সংঘটনের কারণ ব্যাখ্যা করা হলো-
ভূ-পাত: যদি কোনো কারণে পাহাড়-পর্বত হতে বৃহৎ শিলাখণ্ড ভূত্বকের উপর ধসে পড়ে তবে ভূমিকম্প হয়।
শিলাচ্যুতি: কোনো কারণে পৃথিবীর অভ্যন্তরে বড় রকমের শিলাচ্যুতি বা শিলাতে ভাঁজের সৃষ্টি হলে ভূমিকম্প হয়।
তাপ বিকিরণ: ভূত্বক তাপ বিকিরণ করে সংকুচিত হলে ফাটল ও ভাঁজের সৃষ্টি হয়ে ভূমিকম্প হয়।
ভূগর্ভস্থ বাম্প: নানা কারণে ভূগর্ভে বাষ্পের সৃষ্টি হয়। এ বাষ্প ক্রমাগত বৃদ্ধি পেলে তা ভূত্বকের নিম্নভাগে ধাক্কা দেয়, ফলে প্রচণ্ড ভূকম্পন অনুভূত হয়।
আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত: আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের সময় তার মুখ দিয়ে প্রবল বেগে বাষ্প, লাভা প্রভৃতি বের হতে থাকে এবং তার ফলে ভূমিকম্প হয়।
হিমবাহের প্রভাব কখনো কখনো প্রকাণ্ড হিমবাহ পর্বতগাত্র হতে সজোরে হঠাৎ নিচে পতিত হয়। এতে ভূপৃষ্ঠ কেঁপে উঠে এবং ভূমিকম্প হয়।
ভূঅভ্যন্তরে ভূপৃষ্ঠস্থ জলের প্রবেশ: ভূপৃষ্ঠস্থ পানি কোনো প্রকারে পৃথিবীর অভ্যন্তরে উত্তপ্ত স্থানে প্রবেশ করলে বাষ্পে পরিণত হয়। এ বাষ্পের পরিমাণ বেশি হলে ভূত্বকের নিচে ধাক্কা দিয়ে ভূমিকম্পের সৃষ্টি করে।
সুতরাং বলা যায় যে, উপরোল্লিখিত কারণগুলোতে ভূপৃষ্ঠে কিংবা সমুদ্রপৃষ্ঠে ভূমিকম্প অনুভূত হয়।