সাগর-মহাসাগর বারিমন্ডলের উল্লেখযোগ্য উপাদান।
বারিমণ্ডলের উন্মুক্ত বিস্তীর্ণ বিশাল লবণাক্ত জলরাশিকে মহাসাগর বলে। যেমন- প্রশান্ত মহাসাগর। আর মহাসাগর অপেক্ষা ক্ষুদ্র জলরাশিকে সাগর বলে। যেমন- লোহিত সাগর, ভূমধ্যসাগর প্রভৃতি। উদ্দীপকের এম.ভি. জাহাঙ্গীর জাহাজের ক্যাপ্টেন মি. হাসানত কর্তব্যরত অবস্থায় নৌপথে বিভিন্ন দেশে যাত্রাকালে বিভিন্ন সাগর-মহাসাগর পাড়ি দিয়েছেন। তিনি প্রধানত ভূমধ্যসাগর, লোহিত সাগর, ক্যারিবিয়ান সাগর, জাপান সাগর প্রভৃতি সাগরে বেশি যাত্রা করেছেন। এসব সাগর স্থল দ্বারা বেষ্টিত জলরাশি দিয়ে আবৃত। তবে মাঝে মাঝে এসব সাগরের পানি বায়ুশূন্যতার জন্য ঝড়-জলোচ্ছ্বাসে রূপ নেয়। আর মহাসাগরের মধ্যে প্রশান্ত, আটলান্টিক, ভারত মহাসাগরে বেশি যাত্রা করেছেন। তবে সুমেরু ও কুমেরু মহাসাগরেও পরিভ্রমণ করেছেন। এসব মহাসাগরের মধ্যে প্রশান্ত মহাসাগর বৃহত্তম ও গভীরতম। আর এ মহাসাগর সর্বদা শান্ত থাকে বলে একে প্রশান্ত মহাসাগর বলা হয়। আটলান্টিক মহাসাগর ভগ্ন উপকূলবিশিষ্ট এবং এটি অনেক আবদ্ধ সাগরের সৃষ্টি করেছে। ভারত মহাসাগর এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশ দ্বারা পরিবেষ্টিত, ৬০° দক্ষিণ অক্ষাংশ থেকে এন্টার্কটিকার হিমভাগ পর্যন্ত কুমেরু মহাসাগরের অবস্থান। কুমেরু দক্ষিণে এন্টার্কটিকা মহাদেশ বছরের সকল সময় বরফে আচ্ছন্ন থাকে। উত্তর গোলার্ধের উত্তর-প্রান্তে উত্তর মহাসাগর অবস্থিত এবং এর চারদিক স্থলবেষ্টিত।