চিত্রে পানিচক্র দেখানো হয়েছে। যা জীবজগতের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
বাষ্পীভবন বেশি হলে বৃষ্টিপাত বেশি হবে। এ বৃষ্টিপাত পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ও জীবজগতের ওপর প্রভাব রাখে। বৃষ্টিপাত না হলে কৃষিকাজ সম্ভব হতো না। তাহলে পৃথিবীতে খাদ্য উৎপাদন কমে যেত। দেখা দিবে খাদ্যাভাব। অন্যদিকে ভূ-জলচক্র মানুষের হস্তক্ষেপ ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হয়। শিল্পায়ন, নগরায়ণ, অধিক জনসংখ্যা প্রভৃতি পানিচক্রে পরিবর্তন করে। বন ও বনজ সম্পদ সম্পদ নগরায়ণযোগ্য সম্পদ। এটি অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা রাখে। এসবই বনভূমি পানিচক্রের ওপর নির্ভর।
বাষ্পীভবন, ঘনীভবন, মেঘ, বৃষ্টিপাত প্রভৃতি পানিচক্রের সাথে সম্পর্কিত। আর এসকল বিষয় পরিবেশের ভারসাম্য ও জীবজগতের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যেহেতু সূর্যের তাপশক্তির ওপর পানি চক্র নির্ভরশীল। তাই বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে ভারসাম্য নষ্ট হলে পানি চক্রে এর প্রভাব পড়ে। পানিচক্র নদীর পানি প্রবাহ, মাটির আর্দ্রতা, বায়ুমণ্ডলের আর্দ্রতা, বৃষ্টিপাত প্রভৃতির ওপর প্রভাববিস্তার করে। অন্যদিকে নদীর পানি প্রবাহ, মাটির আর্দ্রতা প্রভৃতি যদি স্বাভাবিক না থাকে তবে এটি পরিবেশের ওপর জীবজগতের ওপর প্রভাববিস্তার করবে।
সুতরাং বলা যায় যে, জীবজগতের সাথে পানিচক্রের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।