দৃশ্যকল্প-১ এ উল্লেখিত মানসিক ক্ষমতাটি হলো বুদ্ধি। নিচে তা
ব্যাখ্যা করা হলো-
বুদ্ধিদীপ্ত শিশুরাই মেধাবী। এই বুদ্ধিদীপ্ত ও মেধাবী শিশু বা শিক্ষার্থীরা রাজনীতি, দর্শন, সাহিত্য, বিজ্ঞান কিংবা জীবনের যেকোনো ক্ষেত্রে এক বিশেষ অবস্থানে থাকে। মেধাবী ও বুদ্ধিদীপ্ত শিশুরা বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের দিক দিয়ে সাধারণ শিশুদের চেয়ে অধিকতর উৎকর্ষতার পরিচয় দিয়ে থাকে। মেধাবী ও বুদ্ধিদীপ্ত শিশুদের আচরণগত নানা রকম বৈশিষ্ট্য দেখা যায়, যেমন-
১. এদের ভাষাগত বিকাশ খুব দ্রুত হয়।
২. এরা তাড়াতাড়ি লিখতে, পড়তে এবং গুণতে শেখে।
৩. এরা পড়া মুখস্ত না করে অন্তর্দৃষ্টির মাধ্যমে শেখে।
৪. প্রবল কৌতূহল প্রবণ হয়ে থাকে।
৫. এরা প্রখর স্মৃতিশক্তির অধিকারী ও চিন্তাশীল প্রকৃতির হয়ে থাকে।
৬. এরা খুব কম বয়সে যুক্তিপূর্ণ ভাবে কথা বলে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, বিভিন্ন মানসিক ক্ষমতার মধ্যে এমন একটি মানসিক ক্ষমতার কথা বলা আছে যার সাহায্যে মানুষ যুক্তিপূর্ণভাবে চিন্তা এবং উদ্দেশ্যপূর্ণভাবে কাজ করতে পারে। এ ক্ষমতাটি বুদ্ধিকে নির্দেশ করে এবং বুদ্ধিদীপ্ত শিশুরাই মেধাবী বলে পরিচিত হয়।