Chapter 7: সামাজিক নীতি ও পরিকল্পনা এবং সমাজকর্ম (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) Social Work 1st Paper

HSC Social Work 1st Paper এর Chapter 7: সামাজিক নীতি ও পরিকল্পনা এবং সমাজকর্ম (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

৩৮২

প্রশ্ন

Social Work 1st Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCSocial Work 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

স্বপ্নপুর এলাকার শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি সমস্যা রয়েছে। এ সমস্যা উত্তরণের লক্ষ্যে এলাকার সমাজ উন্নয়ন সংঘ একটি পরিকল্পনা করে। এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কয়েকটি কর্মসূচি গ্রহণ করে। এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে জোর প্রচেষ্টা চালালেও তা সফলতার মুখ দেখেনি।
ক
পরিকল্পনা কী?

উত্তর

কোনো কাজ করার পূর্বে সে সম্পর্কে যুক্তিযুক্তভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়াই হলো পরিকল্পনা।
খ
সামাজিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের একটি বাধা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বিকাশ আধুনিক সমাজকে ক্রমান্বয়ে জটিল থেকে জটিল করে তুলছে। যার প্রভাবে সমাজে দ্রুত পরিবর্তন ঘটছে। আর সমাজের একটি উপাদানের পরিবর্তন অন্যসব উপাদানের পরিবর্তনকে ত্বরান্বিত করছে। সমাজের দ্রুত পরিবর্তন সমাজের স্থিতিশীলতা ও সংহতিকে প্রভাবিত করে। যার কারণে পূর্বে গড়ে ওঠা কোনো পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বাধা প্রদান করে।
গ
সমাজ উন্নয়ন সংঘ কীভাবে এলাকার উন্নয়নে একটি পরিকল্পনা প্রণয়ন করে ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

সমাজ উন্নয়ন সংঘ কয়েকটি বিশেষ বিশেষ দিকের প্রতি লক্ষ রেখে এলাকার উন্নয়নে একটি পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে পারে। নিচে সে সম্পর্কে ব্যাখ্যা করা হলো- ১. জনগণের চাহিদা পূরণে বাস্তবসম্মত কর্মসূচি গ্রহণ করা অগাচভাট ২. প্রচলিত সামাজিক মূল্যবোধ, কৃষ্টি ও সামাজিক সংস্থার মধ্যে সংস্কার সাধন করা। ৩. জনসাধারণকে পরিবর্তিত সামাজিক অবস্থার সাথে সংগতি বিধানের জন্য সামাজিকভাবে প্রস্তুত করা। ৪. জনগণের দৃষ্টিভঙ্গি গঠনমূলক পরিবর্তন করে সামাজিক সচেতনতাবোধ সৃষ্টি করা। ৫. জনসংখ্যা ও খাদ্য উৎপাদনের সাথে ভারসাম্য রক্ষার জন্য সামাজিক আইন প্রণয়ন করা। ৬. সামাজিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে সহায়তা করা। ৭. সমাজকল্যাণ কর্মসূচি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে সহায়তা করা। ৮. উৎপাদিত পণ্যের সুষম বন্টননীতি গ্রহণ করা। ৯. নতুন মূল্যবোধ ও চিন্তাধারার প্রতি জনগণকে উৎসাহিত করা। ১০. জনকল্যাণ কর্মসূচি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে সহায়তা করা।
ঘ
সমাজ উন্নয়ন সংঘের কর্মসূচি বাস্তবায়নে সফলতার মুখ না দেখার কারণ বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

সমাজ উন্নয়ন সংঘের কর্মসূচি বাস্তবায়নে সফলতার মুখ না দেখার কারণ নিচে বিশ্লেষণ করা হলো- উপযুক্ত ও যোগ্য পরামর্শক ও সদস্য সমন্বয়ে গঠিত কমিটি গঠন করা হয়নি। বেশিরভাগ সময় দেখা যায় দলীয় পছন্দকে ব্যক্তিগত যোগ্যতার উর্ধ্বে বিবেচনা করা হয়ে থাকতে পারে। ফলে পরিকল্পনা প্রণয়নকারী কমিটির অদূরদর্শিতা এবং অক্ষমতায় এলাকার পরিকল্পনা প্রণয়নে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। সম্পদের অপর্যাপ্ততা, দক্ষ জনবলের অভাবে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হয় না। পরিকল্পনা বাস্তবায়নকারী সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির মধ্যে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ ও সমন্বয়হীনতা পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রধান অন্তরায়। এলাকার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সুবিধাভোগী জনগোষ্ঠী হলো এলাকার সাধারণ জনগণ। তারা যদি সামাজিক কর্মসূচিগুলোর সাথে একাত্মতা প্রদর্শন না করে তাহলেও সেসব কর্মসূচি বাস্তবায়ন লক্ষ্য অর্জন ব্যাহত হয়। যেকোনো সামাজিক পরিকল্পনা ও কর্মসূচি বাস্তবায়নের পূর্বশর্ত হলো জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই লক্ষ করা যায় জনগণের অনুভূত প্রয়োজনগুলো বিবেচনা না করে পরিকল্পনা ও কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। এক্ষেত্রে জনগণ সহযোগিতা না করে বিপক্ষ, শক্তি হিসেবে ভূমিকা রাখে। বাস্তবভিত্তিক জরিপ ও গবেষণার ফলাফলের ওপর ভিত্তি করেই পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হয়। এ বিষয়টিতে যদি কোনো ঘাটতি থাকে তাহলেও পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ব্যাহত হয়। পরিকল্পনা বাস্তবায়নকারী কর্তৃপক্ষের প্রশাসনিক জটিলতা, মনিটরিং ও যথাযথ তত্ত্বাবধানের দুর্বলতা, প্রয়োজনীয় অর্থের অভাব, কারিগরি সহায়তার অভাব ইত্যাদি কারণেও পরিকল্পনা ব্যর্থ হতে পারে। অতএব উপরিউক্ত বিশ্লেষণে দেখা যায়, বহুমুখী সমস্যার ফলে কোনো এলাকার পরিকল্পনা প্রণয়ন সফল হতে পারে না। অনুচ্ছেদে বর্ণিত এলাকার সমাজ উন্নয়ন সংঘের কর্মসূচি বাস্তবায়নে সফলতার মুখ না দেখতে পারার কারণ উল্লিখিত সমস্যাসমূহ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCSocial Work 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

স্বপ্নপুর এলাকার শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি সমস্যা রয়েছে। এ সমস্যা উত্তরণের লক্ষ্যে এলাকার সমাজ উন্নয়ন সংঘ একটি পরিকল্পনা করে। এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কয়েকটি কর্মসূচি গ্রহণ করে। এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে জোর প্রচেষ্টা চালালেও তা সফলতার মুখ দেখেনি।
ক
পরিকল্পনা কী?

উত্তর

কোনো কাজ করার পূর্বে সে সম্পর্কে যুক্তিযুক্তভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়াই হলো পরিকল্পনা।
খ
সামাজিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের একটি বাধা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বিকাশ আধুনিক সমাজকে ক্রমান্বয়ে জটিল থেকে জটিল করে তুলছে। যার প্রভাবে সমাজে দ্রুত পরিবর্তন ঘটছে। আর সমাজের একটি উপাদানের পরিবর্তন অন্যসব উপাদানের পরিবর্তনকে ত্বরান্বিত করছে। সমাজের দ্রুত পরিবর্তন সমাজের স্থিতিশীলতা ও সংহতিকে প্রভাবিত করে। যার কারণে পূর্বে গড়ে ওঠা কোনো পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বাধা প্রদান করে।
গ
সমাজ উন্নয়ন সংঘ কীভাবে এলাকার উন্নয়নে একটি পরিকল্পনা প্রণয়ন করে ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

সমাজ উন্নয়ন সংঘ কয়েকটি বিশেষ বিশেষ দিকের প্রতি লক্ষ রেখে এলাকার উন্নয়নে একটি পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে পারে। নিচে সে সম্পর্কে ব্যাখ্যা করা হলো- ১. জনগণের চাহিদা পূরণে বাস্তবসম্মত কর্মসূচি গ্রহণ করা অগাচভাট ২. প্রচলিত সামাজিক মূল্যবোধ, কৃষ্টি ও সামাজিক সংস্থার মধ্যে সংস্কার সাধন করা। ৩. জনসাধারণকে পরিবর্তিত সামাজিক অবস্থার সাথে সংগতি বিধানের জন্য সামাজিকভাবে প্রস্তুত করা। ৪. জনগণের দৃষ্টিভঙ্গি গঠনমূলক পরিবর্তন করে সামাজিক সচেতনতাবোধ সৃষ্টি করা। ৫. জনসংখ্যা ও খাদ্য উৎপাদনের সাথে ভারসাম্য রক্ষার জন্য সামাজিক আইন প্রণয়ন করা। ৬. সামাজিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে সহায়তা করা। ৭. সমাজকল্যাণ কর্মসূচি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে সহায়তা করা। ৮. উৎপাদিত পণ্যের সুষম বন্টননীতি গ্রহণ করা। ৯. নতুন মূল্যবোধ ও চিন্তাধারার প্রতি জনগণকে উৎসাহিত করা। ১০. জনকল্যাণ কর্মসূচি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে সহায়তা করা।
ঘ
সমাজ উন্নয়ন সংঘের কর্মসূচি বাস্তবায়নে সফলতার মুখ না দেখার কারণ বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

সমাজ উন্নয়ন সংঘের কর্মসূচি বাস্তবায়নে সফলতার মুখ না দেখার কারণ নিচে বিশ্লেষণ করা হলো- উপযুক্ত ও যোগ্য পরামর্শক ও সদস্য সমন্বয়ে গঠিত কমিটি গঠন করা হয়নি। বেশিরভাগ সময় দেখা যায় দলীয় পছন্দকে ব্যক্তিগত যোগ্যতার উর্ধ্বে বিবেচনা করা হয়ে থাকতে পারে। ফলে পরিকল্পনা প্রণয়নকারী কমিটির অদূরদর্শিতা এবং অক্ষমতায় এলাকার পরিকল্পনা প্রণয়নে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। সম্পদের অপর্যাপ্ততা, দক্ষ জনবলের অভাবে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হয় না। পরিকল্পনা বাস্তবায়নকারী সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির মধ্যে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ ও সমন্বয়হীনতা পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রধান অন্তরায়। এলাকার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সুবিধাভোগী জনগোষ্ঠী হলো এলাকার সাধারণ জনগণ। তারা যদি সামাজিক কর্মসূচিগুলোর সাথে একাত্মতা প্রদর্শন না করে তাহলেও সেসব কর্মসূচি বাস্তবায়ন লক্ষ্য অর্জন ব্যাহত হয়। যেকোনো সামাজিক পরিকল্পনা ও কর্মসূচি বাস্তবায়নের পূর্বশর্ত হলো জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই লক্ষ করা যায় জনগণের অনুভূত প্রয়োজনগুলো বিবেচনা না করে পরিকল্পনা ও কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। এক্ষেত্রে জনগণ সহযোগিতা না করে বিপক্ষ, শক্তি হিসেবে ভূমিকা রাখে। বাস্তবভিত্তিক জরিপ ও গবেষণার ফলাফলের ওপর ভিত্তি করেই পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হয়। এ বিষয়টিতে যদি কোনো ঘাটতি থাকে তাহলেও পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ব্যাহত হয়। পরিকল্পনা বাস্তবায়নকারী কর্তৃপক্ষের প্রশাসনিক জটিলতা, মনিটরিং ও যথাযথ তত্ত্বাবধানের দুর্বলতা, প্রয়োজনীয় অর্থের অভাব, কারিগরি সহায়তার অভাব ইত্যাদি কারণেও পরিকল্পনা ব্যর্থ হতে পারে। অতএব উপরিউক্ত বিশ্লেষণে দেখা যায়, বহুমুখী সমস্যার ফলে কোনো এলাকার পরিকল্পনা প্রণয়ন সফল হতে পারে না। অনুচ্ছেদে বর্ণিত এলাকার সমাজ উন্নয়ন সংঘের কর্মসূচি বাস্তবায়নে সফলতার মুখ না দেখতে পারার কারণ উল্লিখিত সমস্যাসমূহ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCSocial Work 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

শিশুশ্রম বন্ধের কার্যকর উপায় নির্ণয় করার জন্য ড. 'ক' রহমানকে সরকার একটি কমিটির প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেয়। তিনি ও তার কমিটি পেশাগত জ্ঞান ও দক্ষতার প্রয়োগ ঘটিয়ে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ও বিবেচনাপূর্বক খসড়া দিকনির্দেশনা তৈরি ও অনুমোদন করেন। পরবর্তীতে তিনি ওই নির্দেশনা বাস্তবায়নেও অবদান রাখেন
ক
বাংলাদেশে বর্তমান শিক্ষানীতিতে প্রাথমিক শিক্ষা কোন শ্রেণি পর্যন্ত সম্প্রসারিত?

উত্তর

নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে সমাজকর্মীর ভূমিকা অপরিসীম- উদ্দীপক ও পাঠ্যবইয়ের আলোকে মূল্যায়ন কর
খ
সামাজিক পরিকল্পনা বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

সাধারণত জনগণের সামাজিক জীবনমান উন্নয়নকল্পে যে সুশৃঙ্খল কর্মপন্থা গ্রহণ করা হয়, তাকে সামাজিক পরিকল্পনা বলে। সামাজিক পরিকল্পনা বলতে সমাজের কল্যাণ সাধনের জন্য সমাজ ও রাষ্ট্র কর্তৃক গৃহীত বাস্তবায়িত ব্যাপকভিত্তিক পরিকল্পনাকে বোঝায়। সমাজকর্ম অভিধান অনুযায়ী, "সামাজিক পরিকল্পনা হচ্ছে পূর্ব সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আর্থসামাজিক কাঠামো গঠন ও যুক্তিসংগত সামাজিক পরিবর্তন সাধনের প্রক্রিয়া।"
গ
'ক' রহমানের কর্মকান্ড কোন ধারণার সাথে সংশ্লিষ্ট? উদ্দীপকের আলোকে উক্ত ধারণাটির অন্তর্নিহিত ধাপগুলো বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত ড. 'ক' রহমানের কর্মকাণ্ড সামাজিক নীতি প্রণয়নের সাথে সংশ্লিষ্ট। সামাজিক নীতি সমাজের বৈধ ইচ্ছা এবং আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের নীলনকশা। সুষ্ঠু এবং কার্যকরী সামাজিক নীতি প্রণয়নের সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া রয়েছে। সামাজিক নীতি প্রণয়ন প্রক্রিয়ার মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হলো- কাদের সেবা প্রদানের জন্য নীতি প্রণয়ন করা হবে? নীতির কর্মসূচিগুলো কী হবে? এবং কীভাবে অথবা কোন পদ্ধতিতে নীতি প্রদত্ত সেবা প্রদান করা হবে? সামাজিক নীতি প্রণয়ন প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ দুটি পর্যায় হলো নীতি প্রণয়ন (Policy formulation), যার জন্য বিশেষ প্রজ্ঞা ও জ্ঞানীয় দক্ষতা প্রয়োজন। অন্যটি হলো নীতি বাস্তবায়ন পরিকল্পনা (Policy implementation planning), যার জন্য প্রধানত সাংগঠনিক এবং প্রশাসনিক বিষয়াদি সংশ্লিষ্ট বাস্তব দক্ষতার প্রয়োজন। নীতি প্রণয়ন প্রক্রিয়ার সুনির্দিষ্ট কতকগুলো ধাপ (Phase) রয়েছে। ধাপগুলো হলো- ১. নীতি প্রণয়নের অনুভূত প্রয়োজন, ২. নীতি প্রণয়নের সিদ্ধান্ত গ্রহণ, ৩. নীতি প্রণয়ন কমিটি গঠন, ৪. নীতি বিশ্লেষণ বা নীতি অনুধ্যান, ৫. খসড়া নীতি প্রণয়ন, ৬. চূড়ান্ত নীতি প্রণয়ন । উপরিউক্ত ধাপগুলো অনুসরণ করেই সামাজিক নীতি প্রণয়ন করা হয়।
ঘ
নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে সমাজকর্মীর ভূমিকা অপরিসীম- উদ্দীপক ও পাঠ্যবইয়ের আলোকে মূল্যায়ন কর

উত্তর

নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে সমাজকর্মীর ভূমিকা অপরিসীম। সমাজের সামগ্রিক ও সার্বিক কল্যাণ সাধনে সমাজকর্মীরা প্রত্যক্ষভাবে সামাজিক নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের সাথে জড়িত। সামাজিক নীতির অনুশীলন থেকে শুরু করে বাস্তবায়নের প্রতিটি ক্ষেত্রে সমাজকর্মীর ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। সমাজের সার্বিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে সমাজকর্মীরা 'Change agent বা 'পরিবর্তনের বাহক' হিসেবে কাজ করে। এ পরিবর্তনের মূল নিয়ামক হলো সামাজিক নীতি। স্বভাবতই এ পরিবর্তনের ধারাকে, অধিক উপযোগী করতে সমাজকর্মীকে সামাজিক নীতি সংশ্লিষ্ট জ্ঞান, দক্ষতা ও অনুশীলন করতে হয়। সংগত কারণেই সামাজিক নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের প্রতিটি ধাপে সমাজকর্মীদের ভূমিকা অত্যন্ত অর্থবহ। নীতি প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণের পাশাপাশি সমাজে নীতির সুষ্ঠু বাস্তবায়নেও সমাজকর্মীরা সক্রিয় অংশগ্রহণ করে থাকে। নীতি বাস্তবায়নে সমাজকর্মীর মুখ্য কাজ হলো প্রণীত নীতি বাস্তবে রূপদান করা। সমাজকর্ম প্রক্রিয়ায় সমস্যাগ্রস্ত ব্যক্তি, দল ও সমষ্টির সাথে যোগাযোগের মধ্য দিয়ে নির্ণয়মুখী অনুসন্ধান দল অনুসরণ করে এ কার্য সম্পাদিত হয়। সমাজকর্মী নীতি বাস্তবায়নে বিভিন্ন সংগঠন, প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার নীতি পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন কাজে জড়িত থেকে তার ভূমিকা পালন করে থাকে। উপরিউক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, নীতি প্রণয়নের প্রথম ধাপ হতে শুরু করে নীতির বাস্তবায়ন ও মূল্যায়ন পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে সমাজকর্মীরা সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে তাদের জ্ঞান, দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও নৈপুণ্যতার প্রয়োগ ঘটিয়ে নীতিকে আরও অধিক কার্যকর করে গড়ে তুলতে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।৩৫

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCSocial Work 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

শিশুশ্রম বন্ধের কার্যকর উপায় নির্ণয় করার জন্য ড. 'ক' রহমানকে সরকার একটি কমিটির প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেয়। তিনি ও তার কমিটি পেশাগত জ্ঞান ও দক্ষতার প্রয়োগ ঘটিয়ে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ও বিবেচনাপূর্বক খসড়া দিকনির্দেশনা তৈরি ও অনুমোদন করেন। পরবর্তীতে তিনি ওই নির্দেশনা বাস্তবায়নেও অবদান রাখেন
ক
বাংলাদেশে বর্তমান শিক্ষানীতিতে প্রাথমিক শিক্ষা কোন শ্রেণি পর্যন্ত সম্প্রসারিত?

উত্তর

নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে সমাজকর্মীর ভূমিকা অপরিসীম- উদ্দীপক ও পাঠ্যবইয়ের আলোকে মূল্যায়ন কর
খ
সামাজিক পরিকল্পনা বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

সাধারণত জনগণের সামাজিক জীবনমান উন্নয়নকল্পে যে সুশৃঙ্খল কর্মপন্থা গ্রহণ করা হয়, তাকে সামাজিক পরিকল্পনা বলে। সামাজিক পরিকল্পনা বলতে সমাজের কল্যাণ সাধনের জন্য সমাজ ও রাষ্ট্র কর্তৃক গৃহীত বাস্তবায়িত ব্যাপকভিত্তিক পরিকল্পনাকে বোঝায়। সমাজকর্ম অভিধান অনুযায়ী, "সামাজিক পরিকল্পনা হচ্ছে পূর্ব সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আর্থসামাজিক কাঠামো গঠন ও যুক্তিসংগত সামাজিক পরিবর্তন সাধনের প্রক্রিয়া।"
গ
'ক' রহমানের কর্মকান্ড কোন ধারণার সাথে সংশ্লিষ্ট? উদ্দীপকের আলোকে উক্ত ধারণাটির অন্তর্নিহিত ধাপগুলো বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত ড. 'ক' রহমানের কর্মকাণ্ড সামাজিক নীতি প্রণয়নের সাথে সংশ্লিষ্ট। সামাজিক নীতি সমাজের বৈধ ইচ্ছা এবং আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের নীলনকশা। সুষ্ঠু এবং কার্যকরী সামাজিক নীতি প্রণয়নের সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া রয়েছে। সামাজিক নীতি প্রণয়ন প্রক্রিয়ার মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হলো- কাদের সেবা প্রদানের জন্য নীতি প্রণয়ন করা হবে? নীতির কর্মসূচিগুলো কী হবে? এবং কীভাবে অথবা কোন পদ্ধতিতে নীতি প্রদত্ত সেবা প্রদান করা হবে? সামাজিক নীতি প্রণয়ন প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ দুটি পর্যায় হলো নীতি প্রণয়ন (Policy formulation), যার জন্য বিশেষ প্রজ্ঞা ও জ্ঞানীয় দক্ষতা প্রয়োজন। অন্যটি হলো নীতি বাস্তবায়ন পরিকল্পনা (Policy implementation planning), যার জন্য প্রধানত সাংগঠনিক এবং প্রশাসনিক বিষয়াদি সংশ্লিষ্ট বাস্তব দক্ষতার প্রয়োজন। নীতি প্রণয়ন প্রক্রিয়ার সুনির্দিষ্ট কতকগুলো ধাপ (Phase) রয়েছে। ধাপগুলো হলো- ১. নীতি প্রণয়নের অনুভূত প্রয়োজন, ২. নীতি প্রণয়নের সিদ্ধান্ত গ্রহণ, ৩. নীতি প্রণয়ন কমিটি গঠন, ৪. নীতি বিশ্লেষণ বা নীতি অনুধ্যান, ৫. খসড়া নীতি প্রণয়ন, ৬. চূড়ান্ত নীতি প্রণয়ন । উপরিউক্ত ধাপগুলো অনুসরণ করেই সামাজিক নীতি প্রণয়ন করা হয়।
ঘ
নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে সমাজকর্মীর ভূমিকা অপরিসীম- উদ্দীপক ও পাঠ্যবইয়ের আলোকে মূল্যায়ন কর

উত্তর

নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে সমাজকর্মীর ভূমিকা অপরিসীম। সমাজের সামগ্রিক ও সার্বিক কল্যাণ সাধনে সমাজকর্মীরা প্রত্যক্ষভাবে সামাজিক নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের সাথে জড়িত। সামাজিক নীতির অনুশীলন থেকে শুরু করে বাস্তবায়নের প্রতিটি ক্ষেত্রে সমাজকর্মীর ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। সমাজের সার্বিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে সমাজকর্মীরা 'Change agent বা 'পরিবর্তনের বাহক' হিসেবে কাজ করে। এ পরিবর্তনের মূল নিয়ামক হলো সামাজিক নীতি। স্বভাবতই এ পরিবর্তনের ধারাকে, অধিক উপযোগী করতে সমাজকর্মীকে সামাজিক নীতি সংশ্লিষ্ট জ্ঞান, দক্ষতা ও অনুশীলন করতে হয়। সংগত কারণেই সামাজিক নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের প্রতিটি ধাপে সমাজকর্মীদের ভূমিকা অত্যন্ত অর্থবহ। নীতি প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণের পাশাপাশি সমাজে নীতির সুষ্ঠু বাস্তবায়নেও সমাজকর্মীরা সক্রিয় অংশগ্রহণ করে থাকে। নীতি বাস্তবায়নে সমাজকর্মীর মুখ্য কাজ হলো প্রণীত নীতি বাস্তবে রূপদান করা। সমাজকর্ম প্রক্রিয়ায় সমস্যাগ্রস্ত ব্যক্তি, দল ও সমষ্টির সাথে যোগাযোগের মধ্য দিয়ে নির্ণয়মুখী অনুসন্ধান দল অনুসরণ করে এ কার্য সম্পাদিত হয়। সমাজকর্মী নীতি বাস্তবায়নে বিভিন্ন সংগঠন, প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার নীতি পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন কাজে জড়িত থেকে তার ভূমিকা পালন করে থাকে। উপরিউক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, নীতি প্রণয়নের প্রথম ধাপ হতে শুরু করে নীতির বাস্তবায়ন ও মূল্যায়ন পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে সমাজকর্মীরা সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে তাদের জ্ঞান, দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও নৈপুণ্যতার প্রয়োগ ঘটিয়ে নীতিকে আরও অধিক কার্যকর করে গড়ে তুলতে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।৩৫

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCSocial Work 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

জাতীয় শিক্ষাক্রম ২০১২' অনুসারে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের বিষয়কাঠামো হবে এরূপ- question image
ক
একটি জাতির উন্নয়নের চাবিকাঠি কী?

উত্তর

একটি জাতির উন্নয়নের চাবিকাঠি হলো শিক্ষা।
খ
পথশিশু ও অন্যান্য অতিবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষাদানে জাতীয় শিক্ষানীতি কীভাবে সাহায্য করে?

উত্তর

পথশিশু ও অন্যান্য অতিবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষাদানে জাতীয় শিক্ষানীতি নানা সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে সাহায্য করে। এদেরকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আনার জন্য এবং বিদ্যালয়ে ধরে রাখার লক্ষ্যে জাতীয় শিক্ষানীতির আলোকে যেসব সুযোগ-সুবিধা সরবরাহের বিধান রাখা হয়েছে তা হলো- বিনা খরচে ভর্তির সুযোগ, বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ সরবরাহ, দুপুরের খাবার ব্যবস্থা, বৃত্তি প্রদান ইত্যাদি। দি এমনকি বিদ্যালয়ে তাদের সুরক্ষার জন্যও আলাদা কার্যকর ব্যবস্থা গৃহীত হয়েছে। এভাবেই পথশিশু ও অন্যান্য অতিবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষাদানে জাতীয় শিক্ষানীতি সাহায্য করে।
গ
উদ্দীপকটির শিক্ষাক্রমের উদ্দেশ্য 'শিক্ষানীতি ২০১০'-এর আলোচিত বিষয়বস্তুর সাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকটির শিক্ষাক্রমের উদ্দেশ্য হলো মৌলিক বিষয়ে পাঠদানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের উন্নত চিন্তার অধিকারী করে তোলা যা 'জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০'-এর উদ্দেশ্যের। 'জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০' কতিপয় উদ্দেশ্যের ভিত্তিতে তাদের নীতিমালা প্রণয়ন করেছে। এর মধ্যে একটি উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের মধ্যে সম-মৌলিক চিন্তাচেতনা গড়ে তোলা যা উদ্দীপকের 'জাতীয় শিক্ষাক্রম-২০১২' প্রণীত উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাক্রমেরও উদ্দেশ্য। 'জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০'-এ জাতির জন্য সমনাগরিক ভিত্তি প্রতিষ্ঠায় বিভিন্ন ধারার শিক্ষার সমন্বয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কয়েকটি মৌলিক বিষয়ে এক ও অভিন্ন শিক্ষাক্রম, পাঠ্যসূচি ও পাঠ্যবই বাধ্যতামূলক অনুসরণ করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এ উদ্দেশ্যে মাধ্যমিক স্তরেও একইভাবে কয়েকটি মৌলিক বিষয়ে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করা হচ্ছে। উদ্দীপকের 'জাতীয় শিক্ষাক্রম-২০১২' প্রণীত পাঠ্যসূচিটিও এ উদ্দেশ্যে প্রণীত। উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এ নতুন পাঠ্যসূচি প্রণীত হয়েছে সেখানে শাখা আছে ৬টি, যথা- মানবিক, বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা, ইসলাম শিক্ষা, গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ও সংগীত। আবার আবশ্যিক বিষয় হিসেবে ৩টি বিষয়কে নির্দিষ্ট করা হয়েছে যা সকল বিভাগের শিক্ষার্থীরা পড়বে। এগুলো হলো- বাংলা, ইংরেজি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি। এ পাঠ্যক্রমের উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের। মধ্যে সম-মৌলিক চিন্তার বিকাশ ঘটানো। যে বিষয়গুলো সবার জন্য জানা আবশ্যক সেগুলোকে প্রতিটি বিভাগের শিক্ষার্থীর জন্য আবশ্যক করা হয়েছে যেন তারা কতিপয় মৌলিক বিষয়ে জ্ঞান লাভ করে সম- নাগরিকতার ভিত্তি গড়ে তোলে। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের শিক্ষাকার্যক্রম 'জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০' এর আলোকে নির্ধারিত।
ঘ
. উদ্দীপকটি 'জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০'-এর পরিধিকে পুরোপুরি উপস্থাপন করে না- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকটি 'জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০' এর একটি কার্যক্রমকে কেবল প্রতিফলিত করায় তা উক্ত শিক্ষানীতির পরিধিকে পুরোপুরিভাবে উপস্থাপন করে না। ' জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০' এর পরিধি অত্যন্ত বৃহৎ; সেখানে ২৮টি বিষয় বা ক্ষেত্রের ওপর আলোকপাত করা হয়েছে। কিন্তু উদ্দীপকে 'জাতীয় শিক্ষাক্রম-২০১২' অনুসারে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের জন্য নির্ধারিত পাঠ্যক্রমকে উপস্থাপন করা হয়েছে যা উক্ত শিক্ষানীতির। একটি দিককে কেবল প্রতিফলিত করে। জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০' প্রাক প্রাথমিক ও প্রাথমিক শিক্ষা, বয়স্ক ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা, মাধ্যমিক শিক্ষা, বৃত্তিমূলক ও কারিগরি শিক্ষা, চিকিৎসা, সেবা ও স্বাস্থ্য শিক্ষা, ব্যবসায় শিক্ষা, কৃষি শিক্ষা, মাদ্রাসা শিক্ষা, নারী শিক্ষা, কারুকলা ও সুকুমার বৃত্তি, তথ্য ও প্রযুক্তি শিক্ষা, পাঠ্যসূচি ও পাঠ্যপুস্তক, পাঠ্যক্রম, শিক্ষার্থী ভর্তি, শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইত্যাদি নানা ক্ষেত্রের উদ্দেশ্যে পদক্ষেপ নিয়েছে। কিন্তু উদ্দীপকে উক্ত শিক্ষানীতির এসব দিক উপস্থাপিত হয়নি। 'এখানে কেবল অভিন্ন ও মৌলিক বিষয়ে পাঠদানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ইতিবাচক মনোভঙ্গির বিকাশ ঘটানোর উদ্দেশ্যটিই প্রতিফলিত হয়েছে। উদ্দীপকের ছয়টি বিভাগের জন্য তিনটি আবশ্যিক বিষয় নির্দিষ্ট করার দিকটি উক্ত শিক্ষানীতির শিক্ষার্থীদের অভিন্ন পাঠদানের মাধ্যমে সমমনা চিন্তার অধিকারী করে তোলার উদ্দেশ্যকেই উপস্থাপন করছে। কিন্তু 'জাতীয় শিক্ষানীতি- ২০১০' এর পরিধির বিস্তৃতি পর্যবেক্ষণ করে এ বিষয়টি সহজেই বোঝা যায়, উদ্দীপকে শিক্ষানীতির সম্পূর্ণটা প্রতিফলিত হয়নি। উদ্দীপকের পাঠ্যক্রম উক্ত শিক্ষানীতির উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যকে কিঞ্চিৎ উপস্থাপন করতে পারলেও উপরিউক্ত বিষয়গুলো উদ্দীপকে অধরাই থেকে গিয়েছে। উপরিউক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, শিক্ষানীতির ব্যাপক পরিধির কিয়দংশ উপস্থাপন করায় উদ্দীপকটি 'জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০'-এর পরিধিকে পুরাপুরি উপস্থাপন করতে পারেনি।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCSocial Work 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

জাতীয় শিক্ষাক্রম ২০১২' অনুসারে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের বিষয়কাঠামো হবে এরূপ- question image
ক
একটি জাতির উন্নয়নের চাবিকাঠি কী?

উত্তর

একটি জাতির উন্নয়নের চাবিকাঠি হলো শিক্ষা।
খ
পথশিশু ও অন্যান্য অতিবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষাদানে জাতীয় শিক্ষানীতি কীভাবে সাহায্য করে?

উত্তর

পথশিশু ও অন্যান্য অতিবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষাদানে জাতীয় শিক্ষানীতি নানা সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে সাহায্য করে। এদেরকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আনার জন্য এবং বিদ্যালয়ে ধরে রাখার লক্ষ্যে জাতীয় শিক্ষানীতির আলোকে যেসব সুযোগ-সুবিধা সরবরাহের বিধান রাখা হয়েছে তা হলো- বিনা খরচে ভর্তির সুযোগ, বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ সরবরাহ, দুপুরের খাবার ব্যবস্থা, বৃত্তি প্রদান ইত্যাদি। দি এমনকি বিদ্যালয়ে তাদের সুরক্ষার জন্যও আলাদা কার্যকর ব্যবস্থা গৃহীত হয়েছে। এভাবেই পথশিশু ও অন্যান্য অতিবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষাদানে জাতীয় শিক্ষানীতি সাহায্য করে।
গ
উদ্দীপকটির শিক্ষাক্রমের উদ্দেশ্য 'শিক্ষানীতি ২০১০'-এর আলোচিত বিষয়বস্তুর সাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকটির শিক্ষাক্রমের উদ্দেশ্য হলো মৌলিক বিষয়ে পাঠদানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের উন্নত চিন্তার অধিকারী করে তোলা যা 'জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০'-এর উদ্দেশ্যের। 'জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০' কতিপয় উদ্দেশ্যের ভিত্তিতে তাদের নীতিমালা প্রণয়ন করেছে। এর মধ্যে একটি উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের মধ্যে সম-মৌলিক চিন্তাচেতনা গড়ে তোলা যা উদ্দীপকের 'জাতীয় শিক্ষাক্রম-২০১২' প্রণীত উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাক্রমেরও উদ্দেশ্য। 'জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০'-এ জাতির জন্য সমনাগরিক ভিত্তি প্রতিষ্ঠায় বিভিন্ন ধারার শিক্ষার সমন্বয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কয়েকটি মৌলিক বিষয়ে এক ও অভিন্ন শিক্ষাক্রম, পাঠ্যসূচি ও পাঠ্যবই বাধ্যতামূলক অনুসরণ করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এ উদ্দেশ্যে মাধ্যমিক স্তরেও একইভাবে কয়েকটি মৌলিক বিষয়ে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করা হচ্ছে। উদ্দীপকের 'জাতীয় শিক্ষাক্রম-২০১২' প্রণীত পাঠ্যসূচিটিও এ উদ্দেশ্যে প্রণীত। উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এ নতুন পাঠ্যসূচি প্রণীত হয়েছে সেখানে শাখা আছে ৬টি, যথা- মানবিক, বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা, ইসলাম শিক্ষা, গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ও সংগীত। আবার আবশ্যিক বিষয় হিসেবে ৩টি বিষয়কে নির্দিষ্ট করা হয়েছে যা সকল বিভাগের শিক্ষার্থীরা পড়বে। এগুলো হলো- বাংলা, ইংরেজি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি। এ পাঠ্যক্রমের উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের। মধ্যে সম-মৌলিক চিন্তার বিকাশ ঘটানো। যে বিষয়গুলো সবার জন্য জানা আবশ্যক সেগুলোকে প্রতিটি বিভাগের শিক্ষার্থীর জন্য আবশ্যক করা হয়েছে যেন তারা কতিপয় মৌলিক বিষয়ে জ্ঞান লাভ করে সম- নাগরিকতার ভিত্তি গড়ে তোলে। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের শিক্ষাকার্যক্রম 'জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০' এর আলোকে নির্ধারিত।
ঘ
. উদ্দীপকটি 'জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০'-এর পরিধিকে পুরোপুরি উপস্থাপন করে না- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকটি 'জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০' এর একটি কার্যক্রমকে কেবল প্রতিফলিত করায় তা উক্ত শিক্ষানীতির পরিধিকে পুরোপুরিভাবে উপস্থাপন করে না। ' জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০' এর পরিধি অত্যন্ত বৃহৎ; সেখানে ২৮টি বিষয় বা ক্ষেত্রের ওপর আলোকপাত করা হয়েছে। কিন্তু উদ্দীপকে 'জাতীয় শিক্ষাক্রম-২০১২' অনুসারে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের জন্য নির্ধারিত পাঠ্যক্রমকে উপস্থাপন করা হয়েছে যা উক্ত শিক্ষানীতির। একটি দিককে কেবল প্রতিফলিত করে। জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০' প্রাক প্রাথমিক ও প্রাথমিক শিক্ষা, বয়স্ক ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা, মাধ্যমিক শিক্ষা, বৃত্তিমূলক ও কারিগরি শিক্ষা, চিকিৎসা, সেবা ও স্বাস্থ্য শিক্ষা, ব্যবসায় শিক্ষা, কৃষি শিক্ষা, মাদ্রাসা শিক্ষা, নারী শিক্ষা, কারুকলা ও সুকুমার বৃত্তি, তথ্য ও প্রযুক্তি শিক্ষা, পাঠ্যসূচি ও পাঠ্যপুস্তক, পাঠ্যক্রম, শিক্ষার্থী ভর্তি, শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইত্যাদি নানা ক্ষেত্রের উদ্দেশ্যে পদক্ষেপ নিয়েছে। কিন্তু উদ্দীপকে উক্ত শিক্ষানীতির এসব দিক উপস্থাপিত হয়নি। 'এখানে কেবল অভিন্ন ও মৌলিক বিষয়ে পাঠদানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ইতিবাচক মনোভঙ্গির বিকাশ ঘটানোর উদ্দেশ্যটিই প্রতিফলিত হয়েছে। উদ্দীপকের ছয়টি বিভাগের জন্য তিনটি আবশ্যিক বিষয় নির্দিষ্ট করার দিকটি উক্ত শিক্ষানীতির শিক্ষার্থীদের অভিন্ন পাঠদানের মাধ্যমে সমমনা চিন্তার অধিকারী করে তোলার উদ্দেশ্যকেই উপস্থাপন করছে। কিন্তু 'জাতীয় শিক্ষানীতি- ২০১০' এর পরিধির বিস্তৃতি পর্যবেক্ষণ করে এ বিষয়টি সহজেই বোঝা যায়, উদ্দীপকে শিক্ষানীতির সম্পূর্ণটা প্রতিফলিত হয়নি। উদ্দীপকের পাঠ্যক্রম উক্ত শিক্ষানীতির উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যকে কিঞ্চিৎ উপস্থাপন করতে পারলেও উপরিউক্ত বিষয়গুলো উদ্দীপকে অধরাই থেকে গিয়েছে। উপরিউক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, শিক্ষানীতির ব্যাপক পরিধির কিয়দংশ উপস্থাপন করায় উদ্দীপকটি 'জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০'-এর পরিধিকে পুরাপুরি উপস্থাপন করতে পারেনি।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো