Chapter 8 : পরিসংখ্যান পরিচিতি Psychology 1st Paper

HSC Psychology 1st Paper এর Chapter 8 : পরিসংখ্যান পরিচিতি অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

২০১

প্রশ্ন

Psychology 1st Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCPsychology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image
পরিসংখ্যান কী?

উত্তর

পরিসংখ্যান হচ্ছে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত যেকোনো অনুসন্ধানের সংখ্যাসূচক বিবৃতি।
গবেষণার ক্ষেত্রে উপাত্ত গুরুত্বপূর্ণ কেন?

উত্তর

গবেষণার ক্ষেত্রে উপাত্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ কোনো গবেষণা কার্য আরম্ভ করার প্রথমেই তথ্য বা উপাত্ত সংগ্রহ করতে হয়। কোনো সমস্যা সম্পর্কে গবেষণা করতে হরে সে সম্পর্কে সাংখ্যিক ধারণা লাভ করতে হয়। এ ধারণার সংখ্যাগত প্রকাশই উপাত্ত। এটি যেকোনো গবেষণার কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এজন্য বলা যায় যে, গবেষণার ক্ষেত্রে উপাত্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
দৃশ্যকল্প-২ থেকে দৃশ্যকল্প-১ এর ক চিহ্নিত পরিমাপকটি নির্ণয় কর।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-২ থেকে দৃশ্যকল্প-১ এর 'ক' চিহ্নিত পরিমাপটি হলো গড়। গড় নির্ণয়ের সারণি: question image আমরা জানি, গড়, x=fxN= ৬২৩ ২০=\overline{\mathrm{x}}=\frac{\sum \mathrm{fx}}{\mathrm{N}}=\frac{\text{ ৬২৩ }}{২০}= ৩১.১৫ \therefore দৃশ্যকল্প-২ থেকে দৃশ্যকল্প-১ এর 'ক' চিহ্নিত পরিমাপটি ৩১.১৫।
ক ও খ পরিমাপের তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর এবং কোনটি অধিক গ্রহণযোগ্য মতামত দাও।

উত্তর

গ হতে পাই, 'ক' পরিমাপটি অর্থাৎ গড় ৩১.১৫ এবং খ পরিমাপ হলো মধ্যক। মধ্যক নির্ণয়ের সারণি: question image এখানে, N=২০=১০\frac{N}{২}=\frac{২০}{২}=১০ সুতরাং মধ্যক শ্রেণি ৩০-৩২ এখানে, L = ২৯.৫ Cf1 = ৬ fm = ৮ i = ৩ আমরা জানি, মধ্যক, Me=L+N2Cf1fm×i=২৯.+১০×৩ =২৯.+×\begin{aligned} \mathrm{Me} & =\mathrm{L}+\frac{\frac{\mathrm{N}}{2}-\mathrm{Cf}_1}{\mathrm{fm}} \times \mathrm{i} \\ & =২৯.৫+\frac{১০-{৬}}{৮} \times ৩ \ & =২৯.৫+\frac{৪ \times ৩}{৮}\end{aligned} = ২৯.৫ + ১.৫ = ৩১ ক ও খ পরিমাপের মধ্যে 'ক' অনেক বেশি গ্রহণযোগ্য পরিমাপ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image
পরিসংখ্যান কী?

উত্তর

পরিসংখ্যান হচ্ছে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত যেকোনো অনুসন্ধানের সংখ্যাসূচক বিবৃতি।
গবেষণার ক্ষেত্রে উপাত্ত গুরুত্বপূর্ণ কেন?

উত্তর

গবেষণার ক্ষেত্রে উপাত্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ কোনো গবেষণা কার্য আরম্ভ করার প্রথমেই তথ্য বা উপাত্ত সংগ্রহ করতে হয়। কোনো সমস্যা সম্পর্কে গবেষণা করতে হরে সে সম্পর্কে সাংখ্যিক ধারণা লাভ করতে হয়। এ ধারণার সংখ্যাগত প্রকাশই উপাত্ত। এটি যেকোনো গবেষণার কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এজন্য বলা যায় যে, গবেষণার ক্ষেত্রে উপাত্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
দৃশ্যকল্প-২ থেকে দৃশ্যকল্প-১ এর ক চিহ্নিত পরিমাপকটি নির্ণয় কর।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-২ থেকে দৃশ্যকল্প-১ এর 'ক' চিহ্নিত পরিমাপটি হলো গড়। গড় নির্ণয়ের সারণি: question image আমরা জানি, গড়, x=fxN= ৬২৩ ২০=\overline{\mathrm{x}}=\frac{\sum \mathrm{fx}}{\mathrm{N}}=\frac{\text{ ৬২৩ }}{২০}= ৩১.১৫ \therefore দৃশ্যকল্প-২ থেকে দৃশ্যকল্প-১ এর 'ক' চিহ্নিত পরিমাপটি ৩১.১৫।
ক ও খ পরিমাপের তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর এবং কোনটি অধিক গ্রহণযোগ্য মতামত দাও।

উত্তর

গ হতে পাই, 'ক' পরিমাপটি অর্থাৎ গড় ৩১.১৫ এবং খ পরিমাপ হলো মধ্যক। মধ্যক নির্ণয়ের সারণি: question image এখানে, N=২০=১০\frac{N}{২}=\frac{২০}{২}=১০ সুতরাং মধ্যক শ্রেণি ৩০-৩২ এখানে, L = ২৯.৫ Cf1 = ৬ fm = ৮ i = ৩ আমরা জানি, মধ্যক, Me=L+N2Cf1fm×i=২৯.+১০×৩ =২৯.+×\begin{aligned} \mathrm{Me} & =\mathrm{L}+\frac{\frac{\mathrm{N}}{2}-\mathrm{Cf}_1}{\mathrm{fm}} \times \mathrm{i} \\ & =২৯.৫+\frac{১০-{৬}}{৮} \times ৩ \ & =২৯.৫+\frac{৪ \times ৩}{৮}\end{aligned} = ২৯.৫ + ১.৫ = ৩১ ক ও খ পরিমাপের মধ্যে 'ক' অনেক বেশি গ্রহণযোগ্য পরিমাপ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 1st Paperসৃজনশীল
? চিহ্নিত স্থানের মান কত?

উত্তর

? চিহ্নিত স্থানের মান, N = ৩০।
উপাত্তসমূহকে বিন্যস্ত করা হয় কেন?

উত্তর

উপাত্তসমূহকে বিন্যস্ত করার কারণ- ১. উপাত্ত বিন্যস্তকরণের মাধ্যমে ব্যাপক আকারের বিক্ষিপ্ত তথ্যসমূহ সংক্ষিপ্ত ও সহজ আকারে উপস্থাপিত হয়। ২. উপাত্ত বিন্যস্তকরণের ফলে সমগোত্রীয় তথ্যের মধ্যে তুলনা করা সহজ হয়। ৩. উপাত্ত বিন্যস্তকরণের ফলে তথ্যের অন্তর্নিহিত বৈশিষ্ট্যসমূহকে এক নজরে অধ্যয়ন করা যায়। ৪. উপাত্ত বিন্যস্তকরণের ফলে অপ্রয়োজনীয়, অপ্রাসঙ্গিক ও গুরুত্বহীন তথ্যকে বাদ দিয়ে প্রয়োজনীয় ও প্রাসঙ্গিক তথ্যকে প্রদর্শন করা যায়। ৫. উপাত্ত বিন্যস্তকরণের ফলে তথ্যকে সহজেই বিভিন্ন ধরনের লেখ ও. চিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপন করা যায়। ৬. উপাত্ত বিন্যস্তকরণের ফলে অনুসন্ধানকারীকে অনুসন্ধান সম্পর্কে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সাহায্য করে। ৭. উপাত্ত বিন্যস্তকরণের ফলে তথ্য পরবর্তী মনোবৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণের জন্য উপযোগী হয়। ৮. উপাত্ত বিন্যস্তকরণের মাধ্যমে তথ্যকে তালিকাবদ্ধকরণের জন্য তৈরি করা যায়। এক কথায়, উপাত্ত বিন্যস্তকরণ তথ্যকে সংক্ষিপ্ত করে মনোবৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য উপযোগী করে তোলে।
প্রদত্ত সারণি থেকে গ চিহ্নিত পরিমাপের মান নির্ণয় কর।

উত্তর

উল্লিখিত সারণিতে 'গ' চিহ্নিত পরিমাপটি হলো প্রচুরক। এখানে, সর্বোচ্চ পৌনঃপুন্য হলো ১০। সুতরাং প্রচুরক শ্রেণি ৩০ ৩২। এখানে, Lmo= ২৯.৫ fa = ১০-৪=৬ fb = ১০-৫৫ i = ৩ \therefore 'গ' চিহ্নিত পরিমাপের মান ৩১.১৪ (প্রায়)।
উদ্দীপকের আলোকে গড় এর বৈশিষ্ট্য এবং খ চিহ্নিত পরিমাপের মান নির্ণয় কর।

উত্তর

গড়ের বৈশিষ্ট্য: ১. সংখ্যাগুলোর সমষ্টি পদসংখ্যা গড়। ২. গড় থেকে সংখ্যাগুলোর ব্যবধানের সমষ্টি শূন্য। ৩. গড় থেকে সংখ্যাগুলোর ব্যবধানের বর্গের সমষ্টি ক্ষুদ্রতম। ৪. গড় মূল ও মাপনীর উপর নির্ভরশীল। 'খ' চিহ্নিত পরিমাপটি হচ্ছে মধ্যক। মধ্যক নির্ণয়ের সারণি: question image এখানে, N=৩০=১৫\frac{N}{২}=\frac{৩০}{২}=১৫ অর্থাৎ ৩০-৩২ শ্রেণিতে মধ্যক আছে। এবার, L = মধ্যক শ্রেণির প্রকৃত নিম্নসীমা = ২৯.৫ Cf1 = মধ্যক শ্রেণির নিচের শ্রেণির ক্রমবর্ধিষ্ণু পৌনঃপুন্য = ১০ fm = মধ্যক শ্রেণির পৌনঃপুন্য = ১০ i = শ্রেণি ব্যবধান = ৩ আমরা জানি, মধ্যমা =L+N2Cf1fm×i=২৯.+১৫১০১০×=২৯.+১৫১০=২৯.+.=৩১\begin{aligned} & =\mathrm{L}+\frac{\frac{\mathrm{N}}{2}-\mathrm{Cf}_1}{\mathrm{fm}} \times \mathrm{i} \\ & =২৯.৫+\frac{১৫-১০}{১০} \times ৩ \\ & =২৯.৫+\frac{১৫}{১০}=২৯.৫+১.৫ = ৩১ \end{aligned} নির্ণেয় মধ্যমা ৩১।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 1st Paperসৃজনশীল
? চিহ্নিত স্থানের মান কত?

উত্তর

? চিহ্নিত স্থানের মান, N = ৩০।
উপাত্তসমূহকে বিন্যস্ত করা হয় কেন?

উত্তর

উপাত্তসমূহকে বিন্যস্ত করার কারণ- ১. উপাত্ত বিন্যস্তকরণের মাধ্যমে ব্যাপক আকারের বিক্ষিপ্ত তথ্যসমূহ সংক্ষিপ্ত ও সহজ আকারে উপস্থাপিত হয়। ২. উপাত্ত বিন্যস্তকরণের ফলে সমগোত্রীয় তথ্যের মধ্যে তুলনা করা সহজ হয়। ৩. উপাত্ত বিন্যস্তকরণের ফলে তথ্যের অন্তর্নিহিত বৈশিষ্ট্যসমূহকে এক নজরে অধ্যয়ন করা যায়। ৪. উপাত্ত বিন্যস্তকরণের ফলে অপ্রয়োজনীয়, অপ্রাসঙ্গিক ও গুরুত্বহীন তথ্যকে বাদ দিয়ে প্রয়োজনীয় ও প্রাসঙ্গিক তথ্যকে প্রদর্শন করা যায়। ৫. উপাত্ত বিন্যস্তকরণের ফলে তথ্যকে সহজেই বিভিন্ন ধরনের লেখ ও. চিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপন করা যায়। ৬. উপাত্ত বিন্যস্তকরণের ফলে অনুসন্ধানকারীকে অনুসন্ধান সম্পর্কে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সাহায্য করে। ৭. উপাত্ত বিন্যস্তকরণের ফলে তথ্য পরবর্তী মনোবৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণের জন্য উপযোগী হয়। ৮. উপাত্ত বিন্যস্তকরণের মাধ্যমে তথ্যকে তালিকাবদ্ধকরণের জন্য তৈরি করা যায়। এক কথায়, উপাত্ত বিন্যস্তকরণ তথ্যকে সংক্ষিপ্ত করে মনোবৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য উপযোগী করে তোলে।
প্রদত্ত সারণি থেকে গ চিহ্নিত পরিমাপের মান নির্ণয় কর।

উত্তর

উল্লিখিত সারণিতে 'গ' চিহ্নিত পরিমাপটি হলো প্রচুরক। এখানে, সর্বোচ্চ পৌনঃপুন্য হলো ১০। সুতরাং প্রচুরক শ্রেণি ৩০ ৩২। এখানে, Lmo= ২৯.৫ fa = ১০-৪=৬ fb = ১০-৫৫ i = ৩ \therefore 'গ' চিহ্নিত পরিমাপের মান ৩১.১৪ (প্রায়)।
উদ্দীপকের আলোকে গড় এর বৈশিষ্ট্য এবং খ চিহ্নিত পরিমাপের মান নির্ণয় কর।

উত্তর

গড়ের বৈশিষ্ট্য: ১. সংখ্যাগুলোর সমষ্টি পদসংখ্যা গড়। ২. গড় থেকে সংখ্যাগুলোর ব্যবধানের সমষ্টি শূন্য। ৩. গড় থেকে সংখ্যাগুলোর ব্যবধানের বর্গের সমষ্টি ক্ষুদ্রতম। ৪. গড় মূল ও মাপনীর উপর নির্ভরশীল। 'খ' চিহ্নিত পরিমাপটি হচ্ছে মধ্যক। মধ্যক নির্ণয়ের সারণি: question image এখানে, N=৩০=১৫\frac{N}{২}=\frac{৩০}{২}=১৫ অর্থাৎ ৩০-৩২ শ্রেণিতে মধ্যক আছে। এবার, L = মধ্যক শ্রেণির প্রকৃত নিম্নসীমা = ২৯.৫ Cf1 = মধ্যক শ্রেণির নিচের শ্রেণির ক্রমবর্ধিষ্ণু পৌনঃপুন্য = ১০ fm = মধ্যক শ্রেণির পৌনঃপুন্য = ১০ i = শ্রেণি ব্যবধান = ৩ আমরা জানি, মধ্যমা =L+N2Cf1fm×i=২৯.+১৫১০১০×=২৯.+১৫১০=২৯.+.=৩১\begin{aligned} & =\mathrm{L}+\frac{\frac{\mathrm{N}}{2}-\mathrm{Cf}_1}{\mathrm{fm}} \times \mathrm{i} \\ & =২৯.৫+\frac{১৫-১০}{১০} \times ৩ \\ & =২৯.৫+\frac{১৫}{১০}=২৯.৫+১.৫ = ৩১ \end{aligned} নির্ণেয় মধ্যমা ৩১।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

রীতা ও মিতু সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে। তারা ১০ জন মেয়ে একটি ক্লাস পরীক্ষায় অংশ নিল। যদিও তারা দু'জন তেমন ভালো করতে পারেনি। ১০ জনের ফলাফল হচ্ছে- ৭০, ৫০, ৫০, ৫২, ৬৮, ৫৯. ৬৪, ৫৩, ৪৮ ও ৬০। তারা তাদের ফলাফলের কেন্দ্রীয় পরিমাপ জানতে চেয়েছিল।
কেন্দ্রীয় প্রবণতা কী?

উত্তর

কোনো সাফল্যাঙ্কসমূহের বণ্টনের মাঝামাঝি বিন্দুতে কেন্দ্রীভূত হওয়ার প্রবণতাই কেন্দ্রীয় প্রবণতা।
মধ্যমা বলতে কী বোঝায়? সূত্রসহ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

নিচে সূত্র সহ মধ্যমা ব্যাখ্যা করা হলো- মধ্যমা হলো কেন্দ্রীয় প্রবণতার এমন একটি পরিমাপ যা কোনো তথ্যসারির সাফল্যাঙ্ককে সমান দুই ভাগে ভাগ করে। মধ্যমা থাকে তথ্যসারির কেন্দ্রে বা মাঝখানে। সাফল্যাঙ্ককে উপরের দিক থেকে নিচের দিকে সাজালে যে সাফল্যাঙ্কটি কেন্দ্রে থাকে তাকে মধ্যমা বলে।জে. পি. গিলফোর্ডের মতে, মধ্যমাকে পরিমাপ স্কেলের বিন্দু হিসেবে। সংজ্ঞায়িত করা যায় যার উপর এবং নিচে অর্ধেক পৌনঃপুন্য। ব্লোমার্স এবং লিডকুরিস্ট বলেন, একটি বণ্টনের মধ্যমা বলতে সাফল্যাঙ্ক মানকের সেই বিন্দুকে বোঝায় যার নিচে সাফল্যাঙ্ক সমূহের অর্ধেক বা ৫০% পড়ে। প্যারেট এবং উডওয়ার্থ এর মতে, সংজ্ঞানুযায়ী, মধ্যমা হলো কোনো বণ্টনের ৫০% বিন্দু। অর্থাৎ বণ্টনের অঙ্কগুলোকে মানের ক্রমানুসারে সাজানো হলে মাঝখানের অঙ্কটি হলো মধ্যক। অবিন্যস্ত উপাত্ত থেকে মধ্যক নির্ণয়ের সূত্র: Mdn=N+M d n=\frac{N+১}{২} তম স সংখ্যা এখানে, N = সাফল্যাঙ্কের মোট সংখ্যা বিনন্ত উপাত্ত থেকে মধ্যক নির্ণয়ের সূত্র: Mdn=L+(N2Lflf)iM d n=L+\left(\frac{\frac{N}{2}-L f l}{f}\right) i এখানে, Mdn = মধ্যক L = মধ্যক যে শ্রেণিতে আছে সেই শ্রেণির প্রকৃত নিম্নসীমা। cfl = মধ্যক যে শ্রেণিতে আছে তার নিচের শ্রেণির ক্রমবর্ধিত পৌনঃপুণ্য। f = মধ্যক যে শ্রেণিতে আছে সেই শ্রেণির পৌনঃপুন্য। N = পৌনঃপুন্যের সমষ্টি। i = শ্রেণি সীমা।
রীতা ও মিতুর ক্লাস পরীক্ষার ফলাফলের গড় নির্ণয় কর।

উত্তর

উদ্দীপকে রীতা ও মিতুর ক্লাশ পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ১০ জন। মেয়ের প্রাপ্ত নম্বর ৭০, ৫০, ৫০, ৫২, ৬৮, ৫৯, ৬৪, ৫৩, ৪৮ ও ৬০। এখানে প্রদত্ত উপাত্তগুলো অবিন্যস্ত। এখানে, x=\overline{\mathbf{x}}= গড় x=\sum x= সাফল্যাঙ্কগুলোর যোগফল = ৭০ + ৫০+৫০+৫২৬৮+৫৯ + ৬৪+৫৩+৪৮+৬০ = ৫৭৪ N = সাফল্যাঙ্কের মোট সংখ্যা = ১০ অবিন্যস্ত উপাত্তের ক্ষেত্রে আমরা জানি, গড়, xˉ=ΣxN\bar{x}=\frac{\Sigma x}{N} বা, x=৫৭৪১০x=\frac{৫৭৪}{১০} = ৫৭.৪ সুতরাং, রীতা ও মিতুর ক্লাস পরীক্ষার ফলাফলের গড় ৫৭.৪ (উত্তর)।
তাদের ফলাফলের ৫০% সাফল্যাঙ্ক কোন বিন্দুতে রয়েছে? মতামত দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে রীতা ও মিতুর ক্লাশ পরীক্ষার ফলাফলের ৫০% সাফল্যাঙ্ক কোন বিন্দুতে রয়েছে, তা জানার জন্য মধ্যমা নির্ণয় করতে হবে। মাধ্যমা নির্ণয়ের জন্য উদ্দীপকে উল্লেখিত উপাত্তগুলোকে ক্রম অনুসারে সাজিয়ে পাই- ৪৮, ৫০, ৫০, ৫২, ৫৩, ৫৯, ৬০, ৬৪, ৬৮, ৭০ এখানে, Mdn = মধ্যক,N = উপাত্তের সংখ্যা= ১০, যা জোড় আমরা জানি, অবিন্যস্ত উপাত্তের ক্ষেত্রে, মধ্যমা, Mdn =N+তম সংখ্যা=১০+তম সংখ্যা=.৫তম সংখ্যা\begin{aligned} & =\frac{N+১}{২} \text{তম সংখ্যা} \\ & =\frac{১০+১}{২} \text{তম সংখ্যা} \\ & =৫.৫ \text{তম সংখ্যা}\end{aligned} এখন, ৫.৫ তম সংখ্যা হবে ৫ম ও ৬ষ্ঠ সংখ্যার গড়। .৫তম সংখ্যা=৫৩+৫৯=১২২=৫৬\begin{aligned} \therefore ৫.৫ \text{তম সংখ্যা} & =\frac{৫৩+৫৯}{২} \\ & =\frac{১২২}{২}=৫৬ \end{aligned} সুতরাং, তাদের ফলাফলের ৫০% সাফল্যাঙ্ক ৫৬ বিন্দুতে রয়েছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

রীতা ও মিতু সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে। তারা ১০ জন মেয়ে একটি ক্লাস পরীক্ষায় অংশ নিল। যদিও তারা দু'জন তেমন ভালো করতে পারেনি। ১০ জনের ফলাফল হচ্ছে- ৭০, ৫০, ৫০, ৫২, ৬৮, ৫৯. ৬৪, ৫৩, ৪৮ ও ৬০। তারা তাদের ফলাফলের কেন্দ্রীয় পরিমাপ জানতে চেয়েছিল।
কেন্দ্রীয় প্রবণতা কী?

উত্তর

কোনো সাফল্যাঙ্কসমূহের বণ্টনের মাঝামাঝি বিন্দুতে কেন্দ্রীভূত হওয়ার প্রবণতাই কেন্দ্রীয় প্রবণতা।
মধ্যমা বলতে কী বোঝায়? সূত্রসহ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

নিচে সূত্র সহ মধ্যমা ব্যাখ্যা করা হলো- মধ্যমা হলো কেন্দ্রীয় প্রবণতার এমন একটি পরিমাপ যা কোনো তথ্যসারির সাফল্যাঙ্ককে সমান দুই ভাগে ভাগ করে। মধ্যমা থাকে তথ্যসারির কেন্দ্রে বা মাঝখানে। সাফল্যাঙ্ককে উপরের দিক থেকে নিচের দিকে সাজালে যে সাফল্যাঙ্কটি কেন্দ্রে থাকে তাকে মধ্যমা বলে।জে. পি. গিলফোর্ডের মতে, মধ্যমাকে পরিমাপ স্কেলের বিন্দু হিসেবে। সংজ্ঞায়িত করা যায় যার উপর এবং নিচে অর্ধেক পৌনঃপুন্য। ব্লোমার্স এবং লিডকুরিস্ট বলেন, একটি বণ্টনের মধ্যমা বলতে সাফল্যাঙ্ক মানকের সেই বিন্দুকে বোঝায় যার নিচে সাফল্যাঙ্ক সমূহের অর্ধেক বা ৫০% পড়ে। প্যারেট এবং উডওয়ার্থ এর মতে, সংজ্ঞানুযায়ী, মধ্যমা হলো কোনো বণ্টনের ৫০% বিন্দু। অর্থাৎ বণ্টনের অঙ্কগুলোকে মানের ক্রমানুসারে সাজানো হলে মাঝখানের অঙ্কটি হলো মধ্যক। অবিন্যস্ত উপাত্ত থেকে মধ্যক নির্ণয়ের সূত্র: Mdn=N+M d n=\frac{N+১}{২} তম স সংখ্যা এখানে, N = সাফল্যাঙ্কের মোট সংখ্যা বিনন্ত উপাত্ত থেকে মধ্যক নির্ণয়ের সূত্র: Mdn=L+(N2Lflf)iM d n=L+\left(\frac{\frac{N}{2}-L f l}{f}\right) i এখানে, Mdn = মধ্যক L = মধ্যক যে শ্রেণিতে আছে সেই শ্রেণির প্রকৃত নিম্নসীমা। cfl = মধ্যক যে শ্রেণিতে আছে তার নিচের শ্রেণির ক্রমবর্ধিত পৌনঃপুণ্য। f = মধ্যক যে শ্রেণিতে আছে সেই শ্রেণির পৌনঃপুন্য। N = পৌনঃপুন্যের সমষ্টি। i = শ্রেণি সীমা।
রীতা ও মিতুর ক্লাস পরীক্ষার ফলাফলের গড় নির্ণয় কর।

উত্তর

উদ্দীপকে রীতা ও মিতুর ক্লাশ পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ১০ জন। মেয়ের প্রাপ্ত নম্বর ৭০, ৫০, ৫০, ৫২, ৬৮, ৫৯, ৬৪, ৫৩, ৪৮ ও ৬০। এখানে প্রদত্ত উপাত্তগুলো অবিন্যস্ত। এখানে, x=\overline{\mathbf{x}}= গড় x=\sum x= সাফল্যাঙ্কগুলোর যোগফল = ৭০ + ৫০+৫০+৫২৬৮+৫৯ + ৬৪+৫৩+৪৮+৬০ = ৫৭৪ N = সাফল্যাঙ্কের মোট সংখ্যা = ১০ অবিন্যস্ত উপাত্তের ক্ষেত্রে আমরা জানি, গড়, xˉ=ΣxN\bar{x}=\frac{\Sigma x}{N} বা, x=৫৭৪১০x=\frac{৫৭৪}{১০} = ৫৭.৪ সুতরাং, রীতা ও মিতুর ক্লাস পরীক্ষার ফলাফলের গড় ৫৭.৪ (উত্তর)।
তাদের ফলাফলের ৫০% সাফল্যাঙ্ক কোন বিন্দুতে রয়েছে? মতামত দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে রীতা ও মিতুর ক্লাশ পরীক্ষার ফলাফলের ৫০% সাফল্যাঙ্ক কোন বিন্দুতে রয়েছে, তা জানার জন্য মধ্যমা নির্ণয় করতে হবে। মাধ্যমা নির্ণয়ের জন্য উদ্দীপকে উল্লেখিত উপাত্তগুলোকে ক্রম অনুসারে সাজিয়ে পাই- ৪৮, ৫০, ৫০, ৫২, ৫৩, ৫৯, ৬০, ৬৪, ৬৮, ৭০ এখানে, Mdn = মধ্যক,N = উপাত্তের সংখ্যা= ১০, যা জোড় আমরা জানি, অবিন্যস্ত উপাত্তের ক্ষেত্রে, মধ্যমা, Mdn =N+তম সংখ্যা=১০+তম সংখ্যা=.৫তম সংখ্যা\begin{aligned} & =\frac{N+১}{২} \text{তম সংখ্যা} \\ & =\frac{১০+১}{২} \text{তম সংখ্যা} \\ & =৫.৫ \text{তম সংখ্যা}\end{aligned} এখন, ৫.৫ তম সংখ্যা হবে ৫ম ও ৬ষ্ঠ সংখ্যার গড়। .৫তম সংখ্যা=৫৩+৫৯=১২২=৫৬\begin{aligned} \therefore ৫.৫ \text{তম সংখ্যা} & =\frac{৫৩+৫৯}{২} \\ & =\frac{১২২}{২}=৫৬ \end{aligned} সুতরাং, তাদের ফলাফলের ৫০% সাফল্যাঙ্ক ৫৬ বিন্দুতে রয়েছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

করিম ও রহিম দু'বন্ধু। তারা গবেষণার কাজে ব্যস্ত থাকে। করিম। চায় মূল উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করতে; তাহলে গবেষণা ভালো হয়। রহিম মূল উৎসের প্রতি তেমন গুরুত্ব দেয় না। সে বিভিন্ন প্রতিবেদন, প্রকাশনা থেকে তথ্য নিয়ে গবেষণা করতে চায়। এতে ফলাফলও ভালো আসে।
উপাত্ত বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

কোনো গবেষণার উদ্দেশ্যে অনুসন্ধান কার্যে ব্যবহৃত বৈশিষ্ট্যের সংখ্যাত্মক প্রকাশকে উপাত্ত বলে।
অবিচ্ছিন্ন সারি গবেষণায় কখন ব্যবহার করা হয়?

উত্তর

সারির সাফল্যাংকগুলির মধ্যের বিরাম বা ছেদকে প্রয়োজন অনুযায়ী ক্ষুদ্রতর অংশে ভাগ করা যায়, তাকে অবিচ্ছিন্ন সারি বলা হয়। যেমন, ১ টাকা, ২ টাকা, ৩ টাকা, ৪ টাকা এই সারির ক্ষেত্রে আমরা ১ টাকা ও ২ টাকার মধ্যে অনেকগুলো ক্ষুদ্রতর অংশের কল্পনা করতে পারি এবং তা সংখ্যায় প্রকাশ করতে পারি, যেমন- ১.২৫ টাকা, ১.৫০ টাকা, ১.৭৫ টাকা ইত্যাদি। বুদ্ধি, কৃতিত্ব, সাফল্য, শক্তি, তাপমাত্রা, রক্তচাপ ইত্যাদি পরিমাপের ক্ষেত্রে অবিচ্ছিন্ন সারি ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
রহিম যে উপায়ে গবেষণা করতে চায় তার নাম কী? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে রহিম যে উপায়ে গবেষণা করতে চায় তা হলো- মাধ্যমিক উপাত্ত। নিচে ব্যাখ্যা করা হলো- যেসব তথ্য মূল উৎস থেকে সংগৃহীত হওয়ার পর অন্য কোনো গবেষণার প্রয়োজনে পরোক্ষভাবে সংগ্রহ করা হয়, তাকে মাধ্যমিক বা গৌণ উপাত্ত বলা হয়। অর্থাৎ অন্য কোনো উদ্দেশ্যে সংগৃহীত তথ্যসমূহ যদি গবেষণার কাজে ব্যবহৃত হয়, তখন ঐ তথ্যসমূহকে মাধ্যমিক উপাত্ত বলা হয়। মাধ্যমিক উপাত্ত পাওয়া যায় সাধারণত জার্নাল, সরকারি প্রকাশনা, প্রতিবেদন, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং গবেষকদের নিকট থেকে। উদ্দীপকে রহিম তার গবেষণা কাজে ব্যবহৃত উপাত্ত বিভিন্ন প্রতিবেদন, প্রকাশনা থেকে সংগ্রহ করে। সে মূল উৎসের প্রতি তেমন গুরুত্ব দেয় না। এ ক্ষেত্রে সে প্রাথমিক উপাত্ত ব্যবহার না করে মাধ্যমিক উপাত্ত ব্যবহার করে। অর্থাৎ উপরোক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, রহিম যে উপায়ে গবেষণা করতে চায় তা হলো মাধ্যমিক উপাত্ত।
"মূল উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করা প্রয়োজন"- এ বক্তব্যের সাথে তোমার মতামত বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত মূল উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহকরা প্রয়োজন"- এ বক্তব্যের সাথে আমি সম্পূর্ণ এক মত নই। নিচে আমার মতামত বিশ্লেষণ করা হলো- উৎসের ভিত্তিতে উপাত্তকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- ১. প্রাথমিক বা মুখ্য উপাত্ত ও ২. মাধ্যমিক বা গৌন উপাত্ত। যেসব উপাত্ত মূল উৎস থেকে সরাসরি সংগ্রহ করা হয়, তাকে প্রাথমিক উপাত্ত বলে। এ ধরনের উপাত্ত মৌলিক উপাত্ত হিসেবে বিবেচিত এবং পরিসংখ্যানিক বিশ্লেষণের জন্য সর্বাপেক্ষা নির্ভরযোগ্য। অর্থাৎ কোনো গবেষণা বা অনুসন্ধান কার্যের জন্য সংগৃহীত প্রথমবারের তথ্যই হলো প্রাথমিক উপাত্ত। আবার, যেসব তথ্য মূল উৎস থেকে সংগৃহীত হওয়ার পর অন্য কোনো গবেষণার প্রয়োজনে পরোক্ষভাবে সংগ্রহ করা হয়, তাকে মাধ্যমিক বা গৌণ উপাত্ত বলা হয়। অর্থাৎ অন্য কোনো উদ্দেশ্যে সংগৃহীত তথ্যসমূহ যদি গবেষণার কাজে ব্যবহৃত হয়, তখন ঐ তথ্যসমূহকে মাধ্যমিক উপাত্ত বলা হয়। মাধ্যমিক উপাত্ত পাওয়া যায় সাধারণত জার্নাল, সরকারি প্রকাশনা, প্রতিবেদন, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং গবেষকদের নিকট থেকে। উদ্দীপকে করিম ও রহিম দুই বন্ধু গবেষণার কাজে ব্যস্ত থাকে। করিম তার গবেষণায় ব্যবহৃত উপাত্ত মূল উৎস থেকে সংগ্রহ করে এবং ফলাফল নির্ভরযোগ্য হয়। অন্য দিকে রহিম তার গবেষণায় ব্যবহৃত উপাত্ত মাধ্যমিক উপাত্ত থেকে সংগ্রহ করে এবং সেও ভালো ফলাফল পায়। আবার মাধ্যমিক উপাত্তের ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, কিছু উপাত্ত গবেষণার জন্য যা প্রয়োজন তা মাধ্যমিক উপাত্তে পাওয়া যায় না তখন তা মূল উৎস থেকে সরাসরি সংগ্রহ করার প্রয়োজন হয়। অন্যথায় গবেষক তার পছন্দ মতো যেকোনো উৎস থেকে উপাত্ত সংগ্রহ করে গবেষণার কাজ সম্পন্ন করতে পারেন। অর্থাৎ উপরোক্ত আলোচনা হতে বলা যায় যে, 'মূল উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করা প্রয়োজন'- এ বক্তব্যটি সর্বদা সঠিক নয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

করিম ও রহিম দু'বন্ধু। তারা গবেষণার কাজে ব্যস্ত থাকে। করিম। চায় মূল উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করতে; তাহলে গবেষণা ভালো হয়। রহিম মূল উৎসের প্রতি তেমন গুরুত্ব দেয় না। সে বিভিন্ন প্রতিবেদন, প্রকাশনা থেকে তথ্য নিয়ে গবেষণা করতে চায়। এতে ফলাফলও ভালো আসে।
উপাত্ত বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

কোনো গবেষণার উদ্দেশ্যে অনুসন্ধান কার্যে ব্যবহৃত বৈশিষ্ট্যের সংখ্যাত্মক প্রকাশকে উপাত্ত বলে।
অবিচ্ছিন্ন সারি গবেষণায় কখন ব্যবহার করা হয়?

উত্তর

সারির সাফল্যাংকগুলির মধ্যের বিরাম বা ছেদকে প্রয়োজন অনুযায়ী ক্ষুদ্রতর অংশে ভাগ করা যায়, তাকে অবিচ্ছিন্ন সারি বলা হয়। যেমন, ১ টাকা, ২ টাকা, ৩ টাকা, ৪ টাকা এই সারির ক্ষেত্রে আমরা ১ টাকা ও ২ টাকার মধ্যে অনেকগুলো ক্ষুদ্রতর অংশের কল্পনা করতে পারি এবং তা সংখ্যায় প্রকাশ করতে পারি, যেমন- ১.২৫ টাকা, ১.৫০ টাকা, ১.৭৫ টাকা ইত্যাদি। বুদ্ধি, কৃতিত্ব, সাফল্য, শক্তি, তাপমাত্রা, রক্তচাপ ইত্যাদি পরিমাপের ক্ষেত্রে অবিচ্ছিন্ন সারি ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
রহিম যে উপায়ে গবেষণা করতে চায় তার নাম কী? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে রহিম যে উপায়ে গবেষণা করতে চায় তা হলো- মাধ্যমিক উপাত্ত। নিচে ব্যাখ্যা করা হলো- যেসব তথ্য মূল উৎস থেকে সংগৃহীত হওয়ার পর অন্য কোনো গবেষণার প্রয়োজনে পরোক্ষভাবে সংগ্রহ করা হয়, তাকে মাধ্যমিক বা গৌণ উপাত্ত বলা হয়। অর্থাৎ অন্য কোনো উদ্দেশ্যে সংগৃহীত তথ্যসমূহ যদি গবেষণার কাজে ব্যবহৃত হয়, তখন ঐ তথ্যসমূহকে মাধ্যমিক উপাত্ত বলা হয়। মাধ্যমিক উপাত্ত পাওয়া যায় সাধারণত জার্নাল, সরকারি প্রকাশনা, প্রতিবেদন, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং গবেষকদের নিকট থেকে। উদ্দীপকে রহিম তার গবেষণা কাজে ব্যবহৃত উপাত্ত বিভিন্ন প্রতিবেদন, প্রকাশনা থেকে সংগ্রহ করে। সে মূল উৎসের প্রতি তেমন গুরুত্ব দেয় না। এ ক্ষেত্রে সে প্রাথমিক উপাত্ত ব্যবহার না করে মাধ্যমিক উপাত্ত ব্যবহার করে। অর্থাৎ উপরোক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, রহিম যে উপায়ে গবেষণা করতে চায় তা হলো মাধ্যমিক উপাত্ত।
"মূল উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করা প্রয়োজন"- এ বক্তব্যের সাথে তোমার মতামত বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত মূল উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহকরা প্রয়োজন"- এ বক্তব্যের সাথে আমি সম্পূর্ণ এক মত নই। নিচে আমার মতামত বিশ্লেষণ করা হলো- উৎসের ভিত্তিতে উপাত্তকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- ১. প্রাথমিক বা মুখ্য উপাত্ত ও ২. মাধ্যমিক বা গৌন উপাত্ত। যেসব উপাত্ত মূল উৎস থেকে সরাসরি সংগ্রহ করা হয়, তাকে প্রাথমিক উপাত্ত বলে। এ ধরনের উপাত্ত মৌলিক উপাত্ত হিসেবে বিবেচিত এবং পরিসংখ্যানিক বিশ্লেষণের জন্য সর্বাপেক্ষা নির্ভরযোগ্য। অর্থাৎ কোনো গবেষণা বা অনুসন্ধান কার্যের জন্য সংগৃহীত প্রথমবারের তথ্যই হলো প্রাথমিক উপাত্ত। আবার, যেসব তথ্য মূল উৎস থেকে সংগৃহীত হওয়ার পর অন্য কোনো গবেষণার প্রয়োজনে পরোক্ষভাবে সংগ্রহ করা হয়, তাকে মাধ্যমিক বা গৌণ উপাত্ত বলা হয়। অর্থাৎ অন্য কোনো উদ্দেশ্যে সংগৃহীত তথ্যসমূহ যদি গবেষণার কাজে ব্যবহৃত হয়, তখন ঐ তথ্যসমূহকে মাধ্যমিক উপাত্ত বলা হয়। মাধ্যমিক উপাত্ত পাওয়া যায় সাধারণত জার্নাল, সরকারি প্রকাশনা, প্রতিবেদন, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং গবেষকদের নিকট থেকে। উদ্দীপকে করিম ও রহিম দুই বন্ধু গবেষণার কাজে ব্যস্ত থাকে। করিম তার গবেষণায় ব্যবহৃত উপাত্ত মূল উৎস থেকে সংগ্রহ করে এবং ফলাফল নির্ভরযোগ্য হয়। অন্য দিকে রহিম তার গবেষণায় ব্যবহৃত উপাত্ত মাধ্যমিক উপাত্ত থেকে সংগ্রহ করে এবং সেও ভালো ফলাফল পায়। আবার মাধ্যমিক উপাত্তের ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, কিছু উপাত্ত গবেষণার জন্য যা প্রয়োজন তা মাধ্যমিক উপাত্তে পাওয়া যায় না তখন তা মূল উৎস থেকে সরাসরি সংগ্রহ করার প্রয়োজন হয়। অন্যথায় গবেষক তার পছন্দ মতো যেকোনো উৎস থেকে উপাত্ত সংগ্রহ করে গবেষণার কাজ সম্পন্ন করতে পারেন। অর্থাৎ উপরোক্ত আলোচনা হতে বলা যায় যে, 'মূল উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করা প্রয়োজন'- এ বক্তব্যটি সর্বদা সঠিক নয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

শ্রেণি-শিক্ষক সাকিলাকে পরিসংখ্যান পাঠের প্রয়োজনীয়তা জিজ্ঞাসা করল। সাকিলা উত্তরে সুনির্দিষ্ট ও নিখুঁত বর্ণনা, তথ্যের সংক্ষিপ্তকরণ ও অর্থপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ, প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে ভবিষ্যৎ সম্পর্কে পূর্বানুমান ইত্যাদি বললো। শ্রেণি-শিক্ষক এরপর উপাত্ত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। সাকিলা বললো, আমরা দু'ভাবে বর্ণনা করতে পারি। এক শিক্ষার হার, জন্মহার, বিভিন্ন লোকের আয়, লোকের বয়স এবং দুই- মেধা, গায়ের বর্ণ, চোখের রঙ কর্মদক্ষতা ইত্যাদি।
পরিসংখ্যান কী?

উত্তর

পরিসংখ্যান হচ্ছে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত যেকোনো অনুসন্ধানের সংখ্যাসূচক বিবৃতি।
শ্রেণির উচ্চসীমা ও নিম্নসীমা কীভাবে নির্ধারণ করা হয়?

উত্তর

শ্রেণির উচ্চসীমা ও নিম্ন সীমা নির্ধারণের ব্যাপারে কোনো সুনির্দিষ্ট নিয়ম নেই। অনেকে সবচেয়ে ছোট সংখ্যাকে আরম্ভ সংখ্যা ধরার পক্ষপাতী। যেমন, ছোট সংখ্যা যদি ৫১ হয় এবং শ্রেণি সীমা যদি ৫ ধরি, তাহলে প্রথম শ্রেণিটি হবে ৫১-৫২। অনেকে আবার সবচেয়ে ছোট সংখ্যাকে আরম্ভ সংখ্যা ধরতে রাজী নন। তারা শ্রেণি সীমার গুণিতক সংখ্যাকে আরম্ভ সংখ্যা ধরার পক্ষপাতী। তাদের মতানুযায়ী, এ ক্ষেত্রে আরম্ভ সংখ্যা ৫০ ধরতে হবে এবং প্রথম শ্রেণিতে হবে ৫০-৫৪। বেশির ভাগ মনোবিজ্ঞানই শেষোক্ত নিয়মের পক্ষপাতী।
সাকিলার মতে উপাত্তকে কত ভাগে ভাগ করা হয়? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে সাকিলার মতে উপাত্তকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। প্রথমটি শিক্ষার হার, জন্মহার, বিভিন্ন লোকের আয়, লোকের বয়স- যা পরিমাণ বাচক উপাত্ত এবং দ্বিতীয়টি মেধা, গায়ের বর্ণ, চোখের রং, কর্মদক্ষতা যা গণুবাচক উপাত্ত। নিচে ব্যাখ্যা করা হলো- যে সব উপাত্তের বৈশিষ্ট্য সংখ্যার সাহায্যে প্রকাশ করা যায় না, গুণগত মান দ্বারা প্রকাশ করা হয় তাকে গুণবাচক উপাত্ত বলা হয়। যেমন- গায়ের বর্ণ, চোখের রং, মেধা, কর্মদক্ষতা ইত্যাদি। গুণ কোনো বৈশিষ্ট্যের প্রকৃতি পরিমাণ করে। আবার, অনুসন্ধান কার্যে ব্যবহারের জন্য যে সকল উপাত্ত সংখ্যার সাহায্যে প্রকাশ করা যায়, তাকে পরিমাণবাচক উপাত্ত বলে। যেমন- শিক্ষার হার, জন্ম হার, কোন গ্রামের লোকসংখ্যা, বিভিন্ন লোকের আয়, বিভিন্ন লোকের বয়স ইত্যাদি।
"পরিসংখ্যান ফলাফলের ভিত্তিতে পূর্বাভাস প্রদানে সাহায্য করে"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর এবং মন্তব্য দাও।

উত্তর

'পরিসংখ্যান ফলাফলের ভিত্তিতে পূর্বাভাস প্রদানে সাহায্য করে'- উক্তিটি নিচে ব্যাখ্যা করে মন্তব্য প্রদান করা হলো- পরিসংখ্যান পূর্বাভাস প্রদানে সাহায্য করে। পরিসংখ্যানের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো প্রাপ্ত ফলাফলের উপর ভিত্তি করে ভবিষ্যৎ সম্পর্কে পূর্বানুমান করা। মনোবিজ্ঞানে মানুষের আচরণ অনুধ্যান করে পরিসংখ্যান পদ্ধতি প্রয়োগের মাধ্যমে তার ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা সম্পর্কে নিখুঁতভাবে বর্ণনা করা যায়। ব্যক্তির আচার-আচরণ সম্পর্কিত তথ্য পর্যালোচনা করে ঐ ব্যক্তির অবস্থা সম্বন্ধে পূর্বাভাস দেওয়ার ব্যাপারে পরিসংখ্যান পদ্ধতি এক বিশেষ ভূমিকা পালন করে। মন্তব্য: মনোবৈজ্ঞানিক অনুধ্যানে বর্তমানে ব্যাপকভাবে পরিসংখ্যান ব্যবহৃত হচ্ছে। মানব আচরণ সম্পর্কে একটা সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত নিতে গেলে তা অবশ্যই সর্বজন স্বীকৃত হতে হবে। পরিসংখ্যান যেহেতু সংখ্যাতত্ত্বের বিজ্ঞানসম্মত বিশ্লেষণ করে এবং সংখ্যার মাধ্যমে প্রকাশ করে, তাই মনোবিজ্ঞানের আচরণের বিভিন্নতা যাচাই করে সংখ্যাতত্ত্বের আঙ্গিকে তা প্রকাশ করতে গেলে পরিসংখ্যানের প্রয়োজনীয়তা আবশ্যক। কারণ সংখ্যাতত্ত্বের বিশ্লেষণ যত নির্ভুল ও সুনির্দিষ্ট হবে মনোবিজ্ঞান তত বেশি সম্পূর্ণ ও সার্থক হবে। উপরোক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, 'পরিসংখ্যান ফলাফলের ভিত্তিতে পূর্বভাস প্রদানে সাহায্য করে'- উক্তিটি যথার্থ ও সঠিক।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

শ্রেণি-শিক্ষক সাকিলাকে পরিসংখ্যান পাঠের প্রয়োজনীয়তা জিজ্ঞাসা করল। সাকিলা উত্তরে সুনির্দিষ্ট ও নিখুঁত বর্ণনা, তথ্যের সংক্ষিপ্তকরণ ও অর্থপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ, প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে ভবিষ্যৎ সম্পর্কে পূর্বানুমান ইত্যাদি বললো। শ্রেণি-শিক্ষক এরপর উপাত্ত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। সাকিলা বললো, আমরা দু'ভাবে বর্ণনা করতে পারি। এক শিক্ষার হার, জন্মহার, বিভিন্ন লোকের আয়, লোকের বয়স এবং দুই- মেধা, গায়ের বর্ণ, চোখের রঙ কর্মদক্ষতা ইত্যাদি।
পরিসংখ্যান কী?

উত্তর

পরিসংখ্যান হচ্ছে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত যেকোনো অনুসন্ধানের সংখ্যাসূচক বিবৃতি।
শ্রেণির উচ্চসীমা ও নিম্নসীমা কীভাবে নির্ধারণ করা হয়?

উত্তর

শ্রেণির উচ্চসীমা ও নিম্ন সীমা নির্ধারণের ব্যাপারে কোনো সুনির্দিষ্ট নিয়ম নেই। অনেকে সবচেয়ে ছোট সংখ্যাকে আরম্ভ সংখ্যা ধরার পক্ষপাতী। যেমন, ছোট সংখ্যা যদি ৫১ হয় এবং শ্রেণি সীমা যদি ৫ ধরি, তাহলে প্রথম শ্রেণিটি হবে ৫১-৫২। অনেকে আবার সবচেয়ে ছোট সংখ্যাকে আরম্ভ সংখ্যা ধরতে রাজী নন। তারা শ্রেণি সীমার গুণিতক সংখ্যাকে আরম্ভ সংখ্যা ধরার পক্ষপাতী। তাদের মতানুযায়ী, এ ক্ষেত্রে আরম্ভ সংখ্যা ৫০ ধরতে হবে এবং প্রথম শ্রেণিতে হবে ৫০-৫৪। বেশির ভাগ মনোবিজ্ঞানই শেষোক্ত নিয়মের পক্ষপাতী।
সাকিলার মতে উপাত্তকে কত ভাগে ভাগ করা হয়? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে সাকিলার মতে উপাত্তকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। প্রথমটি শিক্ষার হার, জন্মহার, বিভিন্ন লোকের আয়, লোকের বয়স- যা পরিমাণ বাচক উপাত্ত এবং দ্বিতীয়টি মেধা, গায়ের বর্ণ, চোখের রং, কর্মদক্ষতা যা গণুবাচক উপাত্ত। নিচে ব্যাখ্যা করা হলো- যে সব উপাত্তের বৈশিষ্ট্য সংখ্যার সাহায্যে প্রকাশ করা যায় না, গুণগত মান দ্বারা প্রকাশ করা হয় তাকে গুণবাচক উপাত্ত বলা হয়। যেমন- গায়ের বর্ণ, চোখের রং, মেধা, কর্মদক্ষতা ইত্যাদি। গুণ কোনো বৈশিষ্ট্যের প্রকৃতি পরিমাণ করে। আবার, অনুসন্ধান কার্যে ব্যবহারের জন্য যে সকল উপাত্ত সংখ্যার সাহায্যে প্রকাশ করা যায়, তাকে পরিমাণবাচক উপাত্ত বলে। যেমন- শিক্ষার হার, জন্ম হার, কোন গ্রামের লোকসংখ্যা, বিভিন্ন লোকের আয়, বিভিন্ন লোকের বয়স ইত্যাদি।
"পরিসংখ্যান ফলাফলের ভিত্তিতে পূর্বাভাস প্রদানে সাহায্য করে"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর এবং মন্তব্য দাও।

উত্তর

'পরিসংখ্যান ফলাফলের ভিত্তিতে পূর্বাভাস প্রদানে সাহায্য করে'- উক্তিটি নিচে ব্যাখ্যা করে মন্তব্য প্রদান করা হলো- পরিসংখ্যান পূর্বাভাস প্রদানে সাহায্য করে। পরিসংখ্যানের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো প্রাপ্ত ফলাফলের উপর ভিত্তি করে ভবিষ্যৎ সম্পর্কে পূর্বানুমান করা। মনোবিজ্ঞানে মানুষের আচরণ অনুধ্যান করে পরিসংখ্যান পদ্ধতি প্রয়োগের মাধ্যমে তার ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা সম্পর্কে নিখুঁতভাবে বর্ণনা করা যায়। ব্যক্তির আচার-আচরণ সম্পর্কিত তথ্য পর্যালোচনা করে ঐ ব্যক্তির অবস্থা সম্বন্ধে পূর্বাভাস দেওয়ার ব্যাপারে পরিসংখ্যান পদ্ধতি এক বিশেষ ভূমিকা পালন করে। মন্তব্য: মনোবৈজ্ঞানিক অনুধ্যানে বর্তমানে ব্যাপকভাবে পরিসংখ্যান ব্যবহৃত হচ্ছে। মানব আচরণ সম্পর্কে একটা সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত নিতে গেলে তা অবশ্যই সর্বজন স্বীকৃত হতে হবে। পরিসংখ্যান যেহেতু সংখ্যাতত্ত্বের বিজ্ঞানসম্মত বিশ্লেষণ করে এবং সংখ্যার মাধ্যমে প্রকাশ করে, তাই মনোবিজ্ঞানের আচরণের বিভিন্নতা যাচাই করে সংখ্যাতত্ত্বের আঙ্গিকে তা প্রকাশ করতে গেলে পরিসংখ্যানের প্রয়োজনীয়তা আবশ্যক। কারণ সংখ্যাতত্ত্বের বিশ্লেষণ যত নির্ভুল ও সুনির্দিষ্ট হবে মনোবিজ্ঞান তত বেশি সম্পূর্ণ ও সার্থক হবে। উপরোক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, 'পরিসংখ্যান ফলাফলের ভিত্তিতে পূর্বভাস প্রদানে সাহায্য করে'- উক্তিটি যথার্থ ও সঠিক।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

দৃশ্যকল্প-১: রাজুর গ্রামের বাড়িতে মেলা বসেছে। সে তার ছোট বোন তমাকে নিয়ে মেলায় গেল। সেখানে বৃদ্ধি, কৃতিত্ব, সাফল্য ইত্যাদি বিভিন্ন প্রতিযোগিতা হচ্ছিল। পাশে একজন রক্তচাপও মাপছেন। তমা অন্যদিকে দেখল- ৫টি বানর, ২টি হাতি এবং ৩টি ভাল্লুক রয়েছে। দৃশ্যকল্প-২: সাকলায়েন একটি গবেষণার কাজে বের হবে। সে চিন্তা করছে, সরাসরি মূল উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করবে- তাহলে পরিসংখ্যানিক বিশ্লেষণের জন্য সুবিধা হবে। অথবা জার্নাল, সরকারি প্রকাশনা বা অন্য প্রতিবেদন থেকে উপাত্ত সংগ্রহ করবে।
উপাত্ত কী?

উত্তর

কোনো গবেষণার উদ্দেশ্যে অনুসন্ধান কার্যে ব্যবহৃত বৈশিষ্ট্যের সংখ্যাত্মক প্রকাশকে উপাত্ত বলে।
কেন্দ্রীয় প্রবণতা বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

কোনো পৌনঃপুন্যের বণ্টন লক্ষ করলে দেখা যায় যে, সাফল্যাঙ্কগুলির বণ্টনের মাঝামাঝি বিন্দুতে অর্থাৎ কেন্দ্রস্থলে। স্তূপীকৃত হওয়ার এবং দুই প্রান্তে ক্রমশ বিরল হয়ে আসার একটা প্রবণতা রয়েছে। সাফল্যাঙ্কগুলির বণ্টনের মাঝামাঝি বিন্দুতে। কেন্দ্রীভূত হওয়ার এ প্রবণতাকে কেন্দ্রিয় প্রবণতা বলা হয়। এ কেন্দ্রমুখী অঙ্কের দ্বারা আমরা বণ্টনের কেন্দ্রের অবস্থান জানতে পারি। ক্রাইডার, গোথালস্, কেভানহ্ এবং সলোমন বলেন, "কেন্দ্রিয় প্রবণতা বলতে বুঝায় X-অক্ষের উপর একদল সাফল্যাঙ্কের অবস্থান অথবা একটি পৌনঃপুন্য বণ্টনের সাফল্যাঙ্কের একটি কেন্দ্রিয় বিন্দুর চারপাশে জমা হওয়ার প্রবণতা।"
রাজু ও তমার ক্ষেত্রে সারি (Series) কীভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে রাজু ও তমার ক্ষেত্রে সারি যেভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে তা হলো অবিচ্ছিন্ন সারি ও বিচ্ছিন্ন সারি হিসেবে। নিচে ব্যাখ্যা করা হলো- যে সারির সাফল্যাংকগুলির মধ্যের নিরাম বা ছেদকে প্রয়োজন অনুযায়ী ক্ষুদ্রতর অংশে ভাগ করা যায়, তাকে অবিচ্ছিন্ন সারি বলা হয়। যেমন, ১ টাকা, ২ টাকা, ৩ টাকা, ৪ টাকা- এই সারির ক্ষেত্রে আমরা ১ টাকা ও ২ টাকার মধ্যে অনেকগুলো ক্ষুদ্রতর অংশের কল্পনা করতে পারি এবং তা সংখ্যায় প্রকাশ করতে পারি, যেমন- ১.২৫ টাকা, ১.৫০ টাকা, ১.৭৫ টাকা ইত্যাদি। বুদ্ধি, কৃতিত্ব, সাফল্য, শক্তি, তাপমাত্রা, রক্তচাপ ইত্যাদি পরিমাপের ক্ষেত্রে অবিচ্ছিন্ন সারি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। অবিচ্ছিন্ন সারির ক্ষেত্রের পরপর দুটি সংখ্যার মধ্যে যে ব্যবধান দেখা যায়, তা প্রকৃতপক্ষে শূন্য বা ফাঁকা জায়গা নয়। কোনো কাজে কারও সাফল্যাংক যদি ৪০ হয়, তাহলে প্রকৃত সাফল্যাংক হবে ৩৯.৫ থেকে ৪০.৫ পর্যন্ত। এভাবে ৪০, ৪১, ৪২, ৪৩ এই সারিটির ব্যাখ্যা হবে ৩৯.৫-৪০.৫, ৪০.৫-৪১.৫, ৪১.৫-৪২.৫, ৪২.৫-৪৩.৫। আবার, যে সারির সাফল্যাংকসমূহের মধ্যে ফাঁক থাকে এবং যাকে ক্ষুদ্রতর কোনো অংশে প্রকাশ করা যায় না তাকে বিচ্ছিন্ন সারি বলে। যেমন- ১টি হাতি, ২টি হাতি, ৩টি হাতি- এই সারির ১টি হাতি ও ২টি হাতির মধ্যে কোন বিভাজন চলে না। অর্থাৎ ১.২৫ বা ১.৫ হাতি হয় না। উদ্দীপকে দৃশ্যকল্প-১ এ রাজু দেখল মেলায় বৃদ্ধি, কৃতিত্ব, সাফল্য ইত্যাদি বিভিন্ন প্রতিযোগিতা হচ্ছিল। অন্যদিকে তমা দেখল-৫টি বানর, ২টি হাতি এবং ৩টি ভাল্লুক রয়েছে। যা অবিচ্ছিন্ন ও বিচ্ছিন্ন সারির উদাহরণ। তাই বলা যায় যে, রাজু ও তমার ক্ষেত্রে সারি অবিচ্ছিন্ন ও বিচ্ছিন্ন হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
সাকলায়েনের মতামত বিশ্লেষণ কর এবং তোমার মতামত দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে দৃশ্যকল্প-২ এ সাকলায়েন গবেষণা কাজের জন্য চিন্তা করছে সরাসরি মূল উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করবে যেন পরিসংখ্যানিক বিশ্লেষণ এ সুবিধা হয়। সাকলায়নের এ পদ্ধতি প্রাথমিক উপাত্ত হিসেবে পরিচিত। আবার সে চিন্তা করছে জার্নাল, সরকারি প্রকাশনা বা অন্য প্রতিবেদন থেকে উপাত্ত সংগ্রহ করবে যা মাধ্যমিক উপাত্ত হিসেবে পরিচিত। গবেষণা করার জন্য সাকলায়নের এই উভয় সিদ্ধান্তই গুরুত্বপূর্ণ। নিচে বিশ্লেষণ করে আমার মতামত প্রদান করা হলো- যে সব উপাত্ত মূল উৎস থেকে সরাসরি সংগ্রহ করা হয়, তাকে প্রাথমিক উপাত্ত বলে। এ ধরনের উপাত্ত মৌলিক উপাত্ত হিসেবে বিবেচিত এবং পরিসংখ্যানিক বিশ্লেষণের জন্য সর্বাপেক্ষা নির্ভরযোগ্য। অর্থাৎ কোনো গবেষণা বা অনুসন্ধান কার্যের জন্য সংগৃহীত প্রথমবারের তথ্যই হলো প্রাথমিক উপাত্ত। আবার, যে সব তথ্য মূল উৎস থেকে সংগীত হবার পর অন্য কোনো গবেষণার প্রয়োজনে পরোক্ষভাবে সংগ্রহ করা হয়, তাকে মাধ্যমিক বা গৌণ উপাত্ত বলা হয়। অর্থাৎ অন্য কোনো উদ্দেশ্যে সংগৃহীত তথ্যসমূহ যদি গবেষণার কাজে ব্যবহৃত হয়, তখন ঐ তথ্যসমূহকে মাধ্যমিক উপাত্ত বলা হয়। মাধ্যমিক উপাত্ত পাওয়া যায় সাধারণত জার্নাল, সরকারি প্রকাশনা, প্রতিবেদন, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং গবেষকদের নিকট থেকে। এ উভয় পদ্ধতিতেই সাকলায়েন তার গবেষণা কাজ সম্পন্ন করতে পারে। এক্ষেত্রে প্রাথমিক উপাত্ত থেকে সরাসরি উপাত্ত সংগ্রহ করলে গবেষণা কাজ সর্বাপেক্ষা নির্ভরযোগ্য হয় তবে তা-পরিশ্রম সাধ্য। অপরদিকে মাধ্যমিক উপাত্তের মাধ্যমেও গবেষণা কাজ সম্পন্ন করা যায় তবে তা প্রাথমিক উপাত্তের মতো শত ভাগ নির্ভরযোগ্য নাও হতে পারে কিন্তু তাতে পরিশ্রম অপেক্ষাকৃত কম হয়। পরিশেষে বলা যায় যে, উদ্দীপকে আলোচিত উভয় পদ্ধতিতেই সাকলায়েন তার গবেষণা কাজে সাফল্য পেতে পারে বলে আমি মনে করি।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

দৃশ্যকল্প-১: রাজুর গ্রামের বাড়িতে মেলা বসেছে। সে তার ছোট বোন তমাকে নিয়ে মেলায় গেল। সেখানে বৃদ্ধি, কৃতিত্ব, সাফল্য ইত্যাদি বিভিন্ন প্রতিযোগিতা হচ্ছিল। পাশে একজন রক্তচাপও মাপছেন। তমা অন্যদিকে দেখল- ৫টি বানর, ২টি হাতি এবং ৩টি ভাল্লুক রয়েছে। দৃশ্যকল্প-২: সাকলায়েন একটি গবেষণার কাজে বের হবে। সে চিন্তা করছে, সরাসরি মূল উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করবে- তাহলে পরিসংখ্যানিক বিশ্লেষণের জন্য সুবিধা হবে। অথবা জার্নাল, সরকারি প্রকাশনা বা অন্য প্রতিবেদন থেকে উপাত্ত সংগ্রহ করবে।
উপাত্ত কী?

উত্তর

কোনো গবেষণার উদ্দেশ্যে অনুসন্ধান কার্যে ব্যবহৃত বৈশিষ্ট্যের সংখ্যাত্মক প্রকাশকে উপাত্ত বলে।
কেন্দ্রীয় প্রবণতা বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

কোনো পৌনঃপুন্যের বণ্টন লক্ষ করলে দেখা যায় যে, সাফল্যাঙ্কগুলির বণ্টনের মাঝামাঝি বিন্দুতে অর্থাৎ কেন্দ্রস্থলে। স্তূপীকৃত হওয়ার এবং দুই প্রান্তে ক্রমশ বিরল হয়ে আসার একটা প্রবণতা রয়েছে। সাফল্যাঙ্কগুলির বণ্টনের মাঝামাঝি বিন্দুতে। কেন্দ্রীভূত হওয়ার এ প্রবণতাকে কেন্দ্রিয় প্রবণতা বলা হয়। এ কেন্দ্রমুখী অঙ্কের দ্বারা আমরা বণ্টনের কেন্দ্রের অবস্থান জানতে পারি। ক্রাইডার, গোথালস্, কেভানহ্ এবং সলোমন বলেন, "কেন্দ্রিয় প্রবণতা বলতে বুঝায় X-অক্ষের উপর একদল সাফল্যাঙ্কের অবস্থান অথবা একটি পৌনঃপুন্য বণ্টনের সাফল্যাঙ্কের একটি কেন্দ্রিয় বিন্দুর চারপাশে জমা হওয়ার প্রবণতা।"
রাজু ও তমার ক্ষেত্রে সারি (Series) কীভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে রাজু ও তমার ক্ষেত্রে সারি যেভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে তা হলো অবিচ্ছিন্ন সারি ও বিচ্ছিন্ন সারি হিসেবে। নিচে ব্যাখ্যা করা হলো- যে সারির সাফল্যাংকগুলির মধ্যের নিরাম বা ছেদকে প্রয়োজন অনুযায়ী ক্ষুদ্রতর অংশে ভাগ করা যায়, তাকে অবিচ্ছিন্ন সারি বলা হয়। যেমন, ১ টাকা, ২ টাকা, ৩ টাকা, ৪ টাকা- এই সারির ক্ষেত্রে আমরা ১ টাকা ও ২ টাকার মধ্যে অনেকগুলো ক্ষুদ্রতর অংশের কল্পনা করতে পারি এবং তা সংখ্যায় প্রকাশ করতে পারি, যেমন- ১.২৫ টাকা, ১.৫০ টাকা, ১.৭৫ টাকা ইত্যাদি। বুদ্ধি, কৃতিত্ব, সাফল্য, শক্তি, তাপমাত্রা, রক্তচাপ ইত্যাদি পরিমাপের ক্ষেত্রে অবিচ্ছিন্ন সারি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। অবিচ্ছিন্ন সারির ক্ষেত্রের পরপর দুটি সংখ্যার মধ্যে যে ব্যবধান দেখা যায়, তা প্রকৃতপক্ষে শূন্য বা ফাঁকা জায়গা নয়। কোনো কাজে কারও সাফল্যাংক যদি ৪০ হয়, তাহলে প্রকৃত সাফল্যাংক হবে ৩৯.৫ থেকে ৪০.৫ পর্যন্ত। এভাবে ৪০, ৪১, ৪২, ৪৩ এই সারিটির ব্যাখ্যা হবে ৩৯.৫-৪০.৫, ৪০.৫-৪১.৫, ৪১.৫-৪২.৫, ৪২.৫-৪৩.৫। আবার, যে সারির সাফল্যাংকসমূহের মধ্যে ফাঁক থাকে এবং যাকে ক্ষুদ্রতর কোনো অংশে প্রকাশ করা যায় না তাকে বিচ্ছিন্ন সারি বলে। যেমন- ১টি হাতি, ২টি হাতি, ৩টি হাতি- এই সারির ১টি হাতি ও ২টি হাতির মধ্যে কোন বিভাজন চলে না। অর্থাৎ ১.২৫ বা ১.৫ হাতি হয় না। উদ্দীপকে দৃশ্যকল্প-১ এ রাজু দেখল মেলায় বৃদ্ধি, কৃতিত্ব, সাফল্য ইত্যাদি বিভিন্ন প্রতিযোগিতা হচ্ছিল। অন্যদিকে তমা দেখল-৫টি বানর, ২টি হাতি এবং ৩টি ভাল্লুক রয়েছে। যা অবিচ্ছিন্ন ও বিচ্ছিন্ন সারির উদাহরণ। তাই বলা যায় যে, রাজু ও তমার ক্ষেত্রে সারি অবিচ্ছিন্ন ও বিচ্ছিন্ন হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
সাকলায়েনের মতামত বিশ্লেষণ কর এবং তোমার মতামত দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে দৃশ্যকল্প-২ এ সাকলায়েন গবেষণা কাজের জন্য চিন্তা করছে সরাসরি মূল উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করবে যেন পরিসংখ্যানিক বিশ্লেষণ এ সুবিধা হয়। সাকলায়নের এ পদ্ধতি প্রাথমিক উপাত্ত হিসেবে পরিচিত। আবার সে চিন্তা করছে জার্নাল, সরকারি প্রকাশনা বা অন্য প্রতিবেদন থেকে উপাত্ত সংগ্রহ করবে যা মাধ্যমিক উপাত্ত হিসেবে পরিচিত। গবেষণা করার জন্য সাকলায়নের এই উভয় সিদ্ধান্তই গুরুত্বপূর্ণ। নিচে বিশ্লেষণ করে আমার মতামত প্রদান করা হলো- যে সব উপাত্ত মূল উৎস থেকে সরাসরি সংগ্রহ করা হয়, তাকে প্রাথমিক উপাত্ত বলে। এ ধরনের উপাত্ত মৌলিক উপাত্ত হিসেবে বিবেচিত এবং পরিসংখ্যানিক বিশ্লেষণের জন্য সর্বাপেক্ষা নির্ভরযোগ্য। অর্থাৎ কোনো গবেষণা বা অনুসন্ধান কার্যের জন্য সংগৃহীত প্রথমবারের তথ্যই হলো প্রাথমিক উপাত্ত। আবার, যে সব তথ্য মূল উৎস থেকে সংগীত হবার পর অন্য কোনো গবেষণার প্রয়োজনে পরোক্ষভাবে সংগ্রহ করা হয়, তাকে মাধ্যমিক বা গৌণ উপাত্ত বলা হয়। অর্থাৎ অন্য কোনো উদ্দেশ্যে সংগৃহীত তথ্যসমূহ যদি গবেষণার কাজে ব্যবহৃত হয়, তখন ঐ তথ্যসমূহকে মাধ্যমিক উপাত্ত বলা হয়। মাধ্যমিক উপাত্ত পাওয়া যায় সাধারণত জার্নাল, সরকারি প্রকাশনা, প্রতিবেদন, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং গবেষকদের নিকট থেকে। এ উভয় পদ্ধতিতেই সাকলায়েন তার গবেষণা কাজ সম্পন্ন করতে পারে। এক্ষেত্রে প্রাথমিক উপাত্ত থেকে সরাসরি উপাত্ত সংগ্রহ করলে গবেষণা কাজ সর্বাপেক্ষা নির্ভরযোগ্য হয় তবে তা-পরিশ্রম সাধ্য। অপরদিকে মাধ্যমিক উপাত্তের মাধ্যমেও গবেষণা কাজ সম্পন্ন করা যায় তবে তা প্রাথমিক উপাত্তের মতো শত ভাগ নির্ভরযোগ্য নাও হতে পারে কিন্তু তাতে পরিশ্রম অপেক্ষাকৃত কম হয়। পরিশেষে বলা যায় যে, উদ্দীপকে আলোচিত উভয় পদ্ধতিতেই সাকলায়েন তার গবেষণা কাজে সাফল্য পেতে পারে বলে আমি মনে করি।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো