উদ্দীপকে বাবুল ও ইসমাইলের কর্মকান্ডের সাথে পাঠ্য পুস্তকের ৪৭ পরবর্তী ৫২ সালের ভাষা আন্দোলন ও এর আন্তর্জাতিকায়নের সাথে সাদৃশ্য আছে। নিম্নে তা ব্যাখ্যা করা হলো :মাতৃভাষার অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি বাংলার দামাল ছেলেরা বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দেয়। বিশ্বের ইতিহাসে ভাষার জন্য লড়াই করা এখন অনন্যসাধারন ঘটনা। ভাষার জন্য লড়াই করার এই ঘটনা পরবর্তীতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পায়। ১৯৯৯ সালে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয় জাতিসংঘ। এই স্বীকৃতির পিছনে কানাডা প্রবাসী রফিকুল ইসলাম, আব্দুস সালামসহ ১০ সদস্যের একটি বহুভাষী ও বহুজাতিক ভাষাপ্রেমী সংগঠন “Mother Language Lover of the World” ও সরকারের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা যথেষ্ট ভূমিকা রাখে। তারা ১৯৯৮ সালের ৯ জানুয়ারি এই প্রক্রিয়াটি শুরু করে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সংখ্যালঘু জাতিসংষ্ঠির মাতৃভাষা সংরক্ষণের জন্য একুশে ফেব্রুয়ারি কে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা হিসেবে ঘোষণা দেওয়ার জন্য উক্ত সংগঠনটি জাতিসংঘের মহাসচিব কফি আনান এর কাছে একটি আবেদনপত্র প্রেরণ করে। উদ্দীপকেও দেখা যায়, অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী বাবুল ও ইসমাইল দেশে এসে ১৪ই ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবী দিবসের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির জন্য প্রচেষ্টা চালায়। এই স্বীকৃতির জন্য একটি বহুজাগতিক সংগঠন গড়ে তোলে এবং স্বীকৃতি অর্জনের এই প্রচেষ্টা চালিয়ে যায়।তাই বলা যায়, উদ্দীপকে বাবুল ও ইসমাইলের কর্মকান্ডের সাথে পাঠ্য পুস্তকের ৪৭ পরবর্তী ৫২ সালের ভাষা আন্দোলন ও এর আন্তর্জাতিকায়নের সাথে সাদৃশ্য আছে।