উদ্দীপকে বর্ণিত আন্দোলনের সাথে পাঠ্যবইয়ের ভাষা আন্দোলনের মিল রয়েছে। নিচে ব্যাখ্যা করা হলোঃউদ্দীপকে ১৯৬০ খ্রিষ্টাব্দে আসামের বিধান সভায় অসমিয়া ভাষাকে আসামের একমাত্র দাপ্তরিক ভাষা করার প্রস্তাব উত্থাপিত হলে সেখানকার বিপুল সংখ্যক বাংলা ভাষাভাষী এর বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করে। তারা বাংলাকেও অসমিয়া ভাষার সাথে অন্যতম দাপ্তরিক ভাষা করার দাবি করে। আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে হরতাল চলাকালে শিলচর এলাকায় সাধারণ মানুষের মিছিলে পুলিশ গুলি চালালে এগারো জন প্রাণ হারায়।উদ্দীপকের মতো ১৯৫২ সালে পাকিস্তানের রাষ্ট্র ভাষা উর্দু ঘোসনা করার পর বাঙালিরা ক্ষোভে আন্দোলন করেছিলো। ২১ ফেব্রুয়ারী, ঢাকা মেডিকেলের সামনে থেকে মিছিল বের করলে মিছিলে পুলিশ গুলি চালায় এবং রফিক, বরকত, সালাম, জব্বার সহ অনেকে নিহত হয়। যার ফলে জনতা ক্ষেপে উঠে। সুতরাং বলা যায় যে, উদ্দীপকের সাথে বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলনের মিল রয়েছে।