উদ্দীপকের ছকে ?' চিহ্নিত স্থানটি আমার পাঠ্যবইয়ের ব্রিটিশ ভারতের সংস্কারক লর্ড রিপনকে নির্দেশ করে।
লর্ড রিপন তার উদারনৈতিক শাসনের জন্য সুপরিচিত। উদারনৈতিক শাসন ও জনকল্যাণমূলক সংস্কারের জন্য ভারতবর্ষে তার নাম শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করা হয়। ভারতে আসার আগে ১৮৫২ থেকে ১৮৭৯ সাল পর্যন্ত তিনি ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী গ্ল্যাডস্টোনের উদারনৈতিক দলের সদস্য ছিলেন। পরবর্তী সময়ে ১৮৮০ সালে লর্ড লিটনের পদত্যাগের পর তিনি ভারতের ভাইসরয় নিযুক্ত হন। তিনি ভারতবাসীর মতপ্রকাশে পূর্ণ স্বাধীনতা প্রদানের লক্ষ্যে ১৮৮২ সালে লর্ড লিটন কর্তৃক প্রবর্তিত বিধিনিষেধমূলক 'সংবাদপত্র আইন' (Vernacular Press Act) রহিত করেন। শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নকল্পে ১৮৮২ সালে তিনি 'হান্টার কমিশন' (Hunter Commission) গঠন করেন। এছাড়াও স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনমূলক আইন প্রণয়ন ও বঙ্গীয় প্রজাস্বত্ব আইন তার শাসনামলের উল্লেখযোগ্য কীর্তি। এছাড়াও স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনমূলক আইন (Bengal Mumicipal Act) প্রণয়ন, বঙ্গীয় প্রজাস্বত্ব আইন (Bengal Tenacy Act) এবং ১৮৮১ সালে শ্রমিকদের কল্যাণের জন্য পাসকৃত 'ফ্যাক্টরি আইন' তার শাসনামলের উল্লেখযোগ্য কীর্তি।
উদ্দীপকে Bengal Municipal Act, Hunter Commission, Bengal Tenacy Act, Factory Act (1881) বিষয়গুলো উল্লিখিত হয়েছে । উপরের আলোচনায় দেখা যায়, এ কর্মকাণ্ডগুলো মূলত ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় লর্ড রিপনের কর্মকাণ্ডেরই প্রতিচ্ছবি। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় লর্ড রিপনকেই নির্দেশ করা হয়েছে।