উদ্দীপকে লর্ড কার্জনের প্রশাসনিক সংস্কারের প্রতি করিম ইঙ্গিত করেছেন । লর্ড কার্জন ভারতের ভাইসরয় হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন মাত্র ৪০ বছর বয়সে। তিনি প্রশাসনের দক্ষতা বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন। তার লক্ষ্য ছিল অফিলাইজেশন এবং সেন্ট্রালাইজেশন । তবে এক্ষেত্রে কর্তৃত্ববাদী ভূমিকার লাইনটাই বেছে নেন। প্রশাসনিক সংস্কারের প্রতিটি ক্ষেত্রে তিনি আলাদা আলাদা কমিশন গঠন করেছিলেন। কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নে দ্বিধা করেনি। প্রশাসনের অন্যতম সহযোগী প্রতিষ্ঠান পুলিশের ওপরও নজর দেন তিনি। অ্যান্ড্রু ফেজারের নেতৃত্বে একটি কমিশনও গঠন করেন। কমিশনের রিপোর্টে দেখা যায়, এ সংস্থাটি একেবারে অদক্ষ, প্রশিক্ষণ ও সাংগঠনিকভাবে দুর্বল এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে নিষ্পেষণমূলক। কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী তিনি প্রশিক্ষণ স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন এবং অপরাধ তদন্ত্রে একটি কেন্দ্রীয় সংস্থাও গড়ে তোলেন। যার নাম দেন সেন্ট্রাল ডিপার্টমেন্ট অব ক্রিমিনাল ইন্টেলিজেন্স।
উদ্দীপকে করিম পুলিশ ক্যাডারে যোগদান করেন। প্রশিক্ষণের সময় তিনি বলেন, লর্ড কার্জনের একটি উল্লেখযোগ্য সংস্কার হলো পুলিশের প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা। অতএব বলা যায়, উদ্দীপকের করিয় লর্ড কার্জনের প্রশাসনিক ব্যবস্থার সংস্কারের প্রতি ইঙ্গিত করেছে।