কুতুবউদ্দীন সাহেবের আন্দোলনর সাথে পাঠ্যপুস্তকের অসহযোগ আন্দোলনের মিল রয়েছে।
অসহযোগ আন্দোলন ভারতবর্ষের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে রয়েছে। ব্রিটিশ সরকার ১৯১৯ সালের মার্চে চরমপন্থী বিপ্লবী আন্দোলন দমন করার উদ্দেশ্যে রাওলাট আইন পাশ করে বিনাবিচারে শত শত লোককে কারাবন্দি করে। উক্ত আইনের বিরুদ্ধে গান্ধীজীর সত্যগ্রহ ও প্রতিবাদ আন্দোলনের পটভূমিতে সংঘটিত হয়. ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল জালিয়ানওয়ালাবাগের হত্যাকাণ্ড। ব্রিটিশ জেনারেল ডায়ার নিরস্ত্র জনতার উপর গুলি চালিয়ে প্রায় ৪০০ লোককে হত্যা করে। এতে ব্রিটিশ বিরোধী মনোভাব চাঙ্গা হয়ে ওঠে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে মহাত্মা গান্ধী অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন। জাতীয় কংগ্রেস অসহযোগ আন্দোলনের কর্মসূচি হিসেবে সরকারি চাকরি ও পদবি ত্যাগ, সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ আদালত ও আইন ব্যবসায় বর্জন, বিলাতি দ্ৰব্য পরিহার ইত্যাদি প্রস্তাব গ্রহণ করে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, কুতুবউদ্দীন সাহেব তার এলাকার চেয়ারম্যান কৃতক নিরীহ লোকদের হয়রানি বন্ধে এবং একটি নারকীয় হত্যাযজ্ঞের প্রতিবাদে হিংসা বিদ্বেষহীন এক আন্দোলনের ডাক দেন। এই আন্দালনের কর্মসূচি ছিল খেতাব, পদবি ও সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বর্জন। এখানে অসহযোগ আন্দোলনের প্রতিফলন লক্ষ করা যায়।