আমার মতে উক্ত বক্তৃতা অর্থাৎ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ ছিল পূর্ব পাকিস্তানের পরাধীন মানুষের ' জন্য স্বাধীনতার মন্ত্রে উজ্জীবিত করার দিকনির্দেশনা ও অনুপ্রেরণা ।
পাঠ্যবই হতে আমরা জানতে পারি যে, ৭ মার্চের ভাষণের মাধ্যমে তিনি বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানান। ৭ মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের শোষণ, অসহযোগ আন্দোলনের পটভূমি, কর্মসূচি, পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে প্রতিরোধ করার লক্ষ্যে যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে তাদের মোকাবিলার নির্দেশ দেন। এ ভাষণে তিনি স্বাধীনতার কথা এমনভাবে উচ্চারণ করলেন যাতে ঘোষণার কিছু বাকি রইল না। আবার শাসকগোষ্ঠীর পক্ষেও তার বিরুদ্ধে স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার অভিযোগ উত্থাপনও সহজ ছিল না। এ ভাষণ ছিল ছাত্র-জনতা, ইপিআর-বাঙালি সেনাসদস্যদের কাছে গ্রিন সিগন্যাল। তাই ৭ মার্চের ভাষণ বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তুলতে শিক্ষা দিয়েছে। তার এ ভাষণ বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতার জন্য অনুপ্রাণিত করে মুক্তির মন্ত্রে দীক্ষিত করে।
সুতরাং নিঃসন্দেহে বলা যায়, ৭ মার্চের ভাষণ স্বাধীনতার মন্ত্রে উজ্জীবিত করার দিকনির্দেশনা ও অনুপ্রেরণা।