বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে মিতুর মায়ের মত একটি বিশেষ শ্রেণীর তথা নারীদের অবদান ছিল তাৎপর্যপূর্ণ - নিম্নে উক্তিটি বিশ্লেষণ করা হলো:
১৯৭১ সালে দীর্ঘ ৯ মাসের সশস্ত্র সংগ্রামের পর আমরা অর্জন করি সুমহান স্বাধীনতা। এই যুদ্ধে বাংলার আপামর জনতা অংশ নিয়েছিল। যুদ্ধে বিভিন্নভাবে মানুষ অংশ নিয়েছিল। কেউ ছিল সম্মুখযোদ্ধা, কেউ ছিল সহযোগী যোদ্ধা আবার কেউ ছিলেন সহায়তাকারী। মুক্তিযুদ্ধে সবভাবে ই নারীরা অংশগ্রহণ করেছিলেন। যেমন তারামন বিবি, কাঁকন বিবি, ডাক্তার সেতারা বেগম এবং হালিমা খাতুন, মমতাজ বেগম প্রমুখ নারীরা সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন।
আবার অনেক নারীরা সহযোগী যোদ্ধা ও সহায়তাকারী হিসেবে যুদ্ধে অসামান্য অবদান করেছিলেন। তারা নিজেদের জীবন বাজি রেখে মুক্তিযোদ্ধাদের খাবার ও আশ্রয় দিয়ে তাদের সহায়তা করেছিলেন। তারা বিভিন্ন ক্যাম্প ও হাসপাতালে তারা আহত মুক্তিযোদ্ধাদের সেবা শুশ্রূষা করেছিলেন। আবার তারা বিভিন্ন সময় জীবন বাজি রেখে মুক্তিযোদ্ধাদের অস্ত্র লুকিয়ে রাখতে সহায়তা করেছিলেন এবং তাদের জন্য বিভিন্ন খবর আদান প্রদানে কাজ করতেন। যা মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ছিক অত্যন্ত সাহাতাই বলা যায়, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে মিতুর মায়ের মত একটি বিশেষ শ্রেণীর তথা নারীদের অবদান ছিল তাৎপর্যপূর্ণ - উক্তিটি যথার্থ।য্যকরী।