উদ্দীপকে বর্ণিত আন্দোলনের প্রতিক্রিয়ার ন্যায় উক্ত সংগ্রামে কী ধরনের প্রভাব পড়েছিল?
উত্তর: উদ্দীপকে বর্ণিত আন্দোলনের প্রক্রিয়ায় দেখা যাচ্ছে যে, শুধুমাত্র শাসক শঙ্কিত হন। কিন্তু আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে ছাত্ররা অংশগ্রহণ করায় আমরা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। * সুতরাং গণচীনের মাঞ্জু শাসকের বিরুদ্ধে তরুণ শ্রেণির আন্দোলনের চেয়েও আমাদের সুমহান মুক্তিযুদ্ধ ছিল শতগুণ তীব্রতাসম্পন্ন। বাংলাদেশের সুমহান মুক্তিযুদ্ধ সঠিকভাবে পরিচালনা করার জন্য বাংলার সচেতন ছাত্রসমাজ স্বাধীন বাংলা কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠন করেন। কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসহ স্কুল পড়ুয়া কিশোররাও অসীম মনোবল নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে আমাদের সুমহান মুক্তিযুদ্ধে। বাংলাদেশের সীমান্ত পাড়ি জমিয়ে বাঙালি ছাত্রসেনারা ভারতে যান। ভারতীয়রা শরণার্থীদের সাহায্যসহ মুক্তিসেনাদের। প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেন। সেই সুবাদে বাংলার ছাত্রসেনারাও ভারতে। প্রশিক্ষণ পান এবং তাদের প্রবল ইচ্ছা দেখে ভারতীয়রা হালকা অস্ত্র। দিয়ে তাদেরকে মুক্তিযুদ্ধে পাঠায়। ছাত্রসেনারা মুক্তিসেনা হয়ে যুদ্ধে। যোগ দেন। এমনকি তারা জীবন বাজি রেখে দেশকে বাঁচাতে যুদ্ধ করেন। তবে শুধুমাত্র মুক্তিযুদ্ধই নয়; বরং বাংলার ছাত্ররা ১৯৪৮ থেকে ১৯৫২ সাল পর্যন্ত ভাষা আন্দোলন; ১৯৬২ ও ১৯৬৪ সালের শিক্ষা আন্দোলন; ১৯৬৬ সালের ৬ দফা আন্দোলন; ১৯৬৮ সালের ১১ দফা আন্দোলন; ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান ও ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। ওইসব আন্দোলনে অংশগ্রহণের মতোই আমাদের সুমহান মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রদের আত্মত্যাগের ফলে অর্জিত হয়েছে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। কাজেই স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রতিক্রিয়ায় অর্থাৎ বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে বাংলার ছাত্রদের প্রভাব ছিল সহায়ক ও প্রতিরোধ্য। অতএব আমরা একথা বলতে পারি যে, গণচীনের মাঞ্জু শাসকের বিরুদ্ধে সোচ্চারকারী তরুণদের তুলনায় আমাদের স্বাধীনতা অর্জনে ছাত্রসমাজের ভূমিকা ছিল শতগুণ শক্তিশালী।
HSC History 1st Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · History 1st Paper · সৃজনশীল
উদ্দীপকে বর্ণিত আন্দোলনের প্রতিক্রিয়ার ন্যায় উক্ত সংগ্রামে কী ধরনের…
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর