উদ্দীপকের অনুরূপ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সহযোগী দেশটি হচ্ছে ভারত।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারতের সামরিক, রাজনৈতিক, কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক অবদান অনস্বীকার্য। ভারতীয় নীতির প্রথম এপ্রিলের শেষ নাগাদ বাঙালি যুবকদের ট্রেনিং দেয়া শুরু হয় ভারতের মাটিতে। এছাড়া ভারত এ সময় হালকা অস্ত্রও সরবরাহ করে। মে মাসে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা RAW (Research and Analysis Wing) এর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধায়নে গঠিত হয় "মুজিব বাহিনী" ভারতীয় নীতির দ্বিতীয় পর্যায়ে ভারতীয় বাহিনী পাকিস্তানের বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটি ধ্বংস করার কাজে আত্মনিয়োগ করে। তৃতীয় পর্যায়ে ৩ ডিসেম্বর ভারতীয় বিমান ঘাঁটিতে পাকিস্তান বিমান হামলা চালালে চূড়ান্ত পর্যায়ের যুদ্ধ শুরু হয়। ভারত স্থল, নৌ ও বিমান পথে যুদ্ধ করে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। ভারতীয় মিত্র ও বাঙালি মুক্তিবাহিনী সম্মিলিতভাবে যুদ্ধ করে। ১৬ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর অধিনায়ক লে. জে. আমির আব্দুল্লাহ নিয়াজী যৌথ বাহিনীর অধিনায়ক লে. জে. জগজিৎ সিং আরোরার কাছে আত্মসমর্পণ করেন।
উদ্দীপকে আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধে ফ্রান্স অস্ত্র, রসদ সরবরাহ করে স্থল, নৌপথে আমেরিকার স্বাধীনতাকামীদের সহায়তা করে। এক পর্যায়ে ব্রিটিশরা আমেরিকার স্বাধীনতা স্বীকার করতে বাধ্য হয়। আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারত বাংলাদেশকে অনুরূপ সহযোগিতা করে পাকিস্তানের পরাজয় নিশ্চিত করে। ফলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারতের অবদান অপরিসীম।