শেয়ারFacebookWhatsApp

বৃহৎ শক্তিধর দেশগুলোর মধ্যে কোন দুটি দেশ বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল?

উত্তর: বৃহৎ শক্তিধর দেশগুলোর মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীন বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে বাংলাদেশে স্মরণকালের নৃশংসতম গণহত্যা শুরু হলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অন্ধভাবে পাকিস্তানকে সমর্থন করে। এসময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতার ওপর জোর দেয়। ১৯৭১ সালে সেপ্টেম্বর মাসে জাতিসংঘের ২৬তম সাধারণ অধিবেশনে মার্কিন প্রতিনিধি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে শুধু পাকিস্তানের সরকার ও জনগণের অভ্যন্তরীণ সমস্যা বলে চিহ্নিত করেন। জাতিসংঘে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব উত্থাপন করে। স্নায়ুযুদ্ধকালীন চীন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পরস্পর কাছাকাছি আসার সুযোগ পায়। ভারত-সোভিয়েত ইউনিয়ন মৈত্রী চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে পাকিস্তানের পক্ষে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চীনের মাধ্যমে অস্ত্র সাহায্য দেয়। এমনকি বাংলাদেশের বিপক্ষে পাকিস্তানের মিত্র হিসেবে বঙ্গোপসাগর অভিমুখে মার্কিন রণতরি ইউএসএস এন্টারপ্রাইজ পাঠায়। পরবর্তীকালে সোভিয়েত ইউনিয়ন পাল্টা পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র সজ্জিত যুদ্ধ জাহাজ পাঠালে মার্কিন রণতরি প্রত্যাহার করে নেয়। মার্কিন প্রশাসনের পাকিস্তানমুখী নীতি ও বিশ্ব ব্যবস্থায় স্নায়ুযুদ্ধের প্রভাবে মার্কিন সরকার বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ করে ৷ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বিরোধিতাকারী অপর শক্তিধর দেশ ছিল চীন। বাঙালি নিধনযজ্ঞকে পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলেই বিবেচনা করেছে চীন। মুক্তিযুদ্ধের সময় চীন দুটি পর্যায়ে বিভক্ত হয়ে ভূমিকা পালন করে। প্রথম পর্যায়ে এপ্রিল থেকে নভেম্বর পর্যন্ত সময়কালে কিছুটা নীরব ও নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের চেষ্টা করে। চীন সরকার এসময় পাকিস্তানের অখণ্ডতা রক্ষায় চীনের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে। জুলাই মাসে মার্কিন কর্মকর্তা হেনরি কিসিঞ্জারের গোপনে চীন সফরের পর থেকে চীন সরাসরি পাকিস্তানের পক্ষে কথা বলা শুরু করে। আগস্ট মাসে ভারত- সোভিয়েত মৈত্রী চুক্তি স্বাক্ষর হলে ক্ষুব্ধ চীন মার্কিন বলয়ে যোগ দেয়। ১৯৭১ সালের মধ্যভাগে চীন পশ্চিম পাকিস্তান সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ১০০ ট্রাকভর্তি সমর উপকরণ পাঠাত। জাতিসংঘে বাংলাদেশ প্রশ্নেও চীন নেতিবাচক ভূমিকা পালন করে। জাতিসংঘের আলোচনায় বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমস্যার সমাধানের সোভিয়েত প্রস্তাবে চীন ভেটো দিয়ে আটকে দেয় ৷ উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, বৃহৎ শক্তিধর দেশগুলোর মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে মুক্তিযুদ্ধকে বিতর্কিত করার চেষ্টায় লিপ্ত ছিল ।

HSC History 1st Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · History 1st Paper · সৃজনশীল

বৃহৎ শক্তিধর দেশগুলোর মধ্যে কোন দুটি দেশ বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিপক…

উদ্দীপক

ইতিহাস ক্লাসে শিক্ষক মুক্তিযুদ্ধে প্রবাসী বাঙালি ও বহির্বিশ্বে অধ্যায়টি পড়াতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের বলেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বৃহৎ শক্তিধর দেশগুলোর কেও কেও বিপক্ষে অবস্থান নেয়। মুক্তিযুদ্ধে বৃহৎ শক্তিধর দেশগুলোর মধ্যে দুটি দেশ সরাসরি আমাদের বিরোধিতা করেছিল তবে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে প্রবাসী বাঙালি ও কিছু বিদেশি ব্যক্তিবর্গের ভূমিকা চিরস্মরণীয়।

হলিক্রস কলেজ · 2024

উত্তর

নিউইয়র্ক শহরের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে 'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ অনুষ্ঠিত হয় ।

উত্তর

মুক্তিযুদ্ধে বিদেশি প্রচারমাধ্যমগুলোর ভূমিকা ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ । বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিশ্বজনমতকে সংগঠিত করা এবং বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ, শরণার্থী ও মুক্তিযোদ্ধাদের মনোবল দৃঢ় রাখার জন্য ভারতের প্রচারমাধ্যম ব্যাপক অবদান রেখেছে। সোভিয়েত ইউনিয়নের পত্রিকা ও প্রচারমাধ্যমগুলো বাংলাদশে পাকিস্তানি বাহিনীর নির্যাতনের বর্ণনা ও মুক্তিযুদ্ধের অগ্রগতি প্রচার করে বিশ্বজনমত সৃষ্টিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ব্রিটেনের গণমাধ্যমগুলো বিশেষ করে বিবিসি এবং লন্ডন থেকে প্রকাশিত পত্রপত্রিকা বাঙালির উপর পাকিস্তানি বাহিনীর নির্মম অত্যাচার, নির্যাতন, বাঙালির সংগ্রাম, ভারতে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ১ কোটি শরণার্থীর করুণ অবস্থা, পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যা সম্পর্কে প্রচার করে বিশ্বজনমতকে জাগ্রত করে তোলে। এছাড়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রচারমাধ্যমগুলোও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে প্রচারণা চালায়।

উত্তর

উদ্দীপকের বর্ণনা অনুযায়ী বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে প্রবাসী বাঙালি ও বিদেশি ব্যক্তিবর্গের ভূমিকা ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে প্রবাসী বাঙালিদের ভূমিকা ছিল অনবদ্য। প্রবাসী বাঙালিরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতা ঘোষণার প্রতি সমর্থন জানিয়ে মুক্তিযুদ্ধে নানাভাবে সাহায্য-সহযোগিতা করেন। বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী লন্ডনে গিয়ে প্রবাসী বাঙালিদের সংগঠিত করেন। মুজিবনগর সরকার গঠিত হবার পর বিভিন্ন দেশে কর্মরত বাঙালি কূটনৈতিকরা পাকিস্তানের পক্ষ ত্যাগ করে বাংলাদেশের প্রতি আনুগত্য ঘোষণা করেন। প্রবাসী বাঙালিরা মুক্তিযুদ্ধের জন্য অর্থ সংগ্রহ থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধের প্রতি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সমর্থন আদায় ও পাকিস্তানকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় থেকে বিচ্ছিন্ন করার জন্য তৎপরতা চালায়। উদ্দীপকেও সেই বিষয়টির উল্লেখ রয়েছে। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বিদেশি ব্যক্তিবর্গের মধ্যে পণ্ডিত রবি শংকর জর্জ হ্যারিসন, বব ডিলানসহ বিশ্ববিখ্যাত শিল্পীরাও অবদান রাখেন। মুক্তিযুদ্ধের জন্য অর্থ যোগান ও বাংলাদেশের অবস্থা বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য তারা নিউইয়র্ক শহরে 'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' আয়োজন করেছিলেন। বাংলাদেশের পক্ষে সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক এ এস ওডারল্যান্ড। মুক্তিযুদ্ধকালে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট নিকোলাই পদগোর্নি ও প্রধানমন্ত্রী অ্যালেক্সেই কোসিগিনিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। এছাড়া ব্রিটিশ সাংবাদিক সাইমন ড্রিং সর্বপ্রথম বাংলাদেশে গণহত্যার খবর বিশ্ব দরবারে পৌঁছে দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সহযোগিতা করেছিলেন।

উত্তর

বৃহৎ শক্তিধর দেশগুলোর মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীন বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে বাংলাদেশে স্মরণকালের নৃশংসতম গণহত্যা শুরু হলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অন্ধভাবে পাকিস্তানকে সমর্থন করে। এসময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতার ওপর জোর দেয়। ১৯৭১ সালে সেপ্টেম্বর মাসে জাতিসংঘের ২৬তম সাধারণ অধিবেশনে মার্কিন প্রতিনিধি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে শুধু পাকিস্তানের সরকার ও জনগণের অভ্যন্তরীণ সমস্যা বলে চিহ্নিত করেন। জাতিসংঘে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব উত্থাপন করে। স্নায়ুযুদ্ধকালীন চীন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পরস্পর কাছাকাছি আসার সুযোগ পায়। ভারত-সোভিয়েত ইউনিয়ন মৈত্রী চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে পাকিস্তানের পক্ষে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চীনের মাধ্যমে অস্ত্র সাহায্য দেয়। এমনকি বাংলাদেশের বিপক্ষে পাকিস্তানের মিত্র হিসেবে বঙ্গোপসাগর অভিমুখে মার্কিন রণতরি ইউএসএস এন্টারপ্রাইজ পাঠায়। পরবর্তীকালে সোভিয়েত ইউনিয়ন পাল্টা পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র সজ্জিত যুদ্ধ জাহাজ পাঠালে মার্কিন রণতরি প্রত্যাহার করে নেয়। মার্কিন প্রশাসনের পাকিস্তানমুখী নীতি ও বিশ্ব ব্যবস্থায় স্নায়ুযুদ্ধের প্রভাবে মার্কিন সরকার বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ করে ৷ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বিরোধিতাকারী অপর শক্তিধর দেশ ছিল চীন। বাঙালি নিধনযজ্ঞকে পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলেই বিবেচনা করেছে চীন। মুক্তিযুদ্ধের সময় চীন দুটি পর্যায়ে বিভক্ত হয়ে ভূমিকা পালন করে। প্রথম পর্যায়ে এপ্রিল থেকে নভেম্বর পর্যন্ত সময়কালে কিছুটা নীরব ও নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের চেষ্টা করে। চীন সরকার এসময় পাকিস্তানের অখণ্ডতা রক্ষায় চীনের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে। জুলাই মাসে মার্কিন কর্মকর্তা হেনরি কিসিঞ্জারের গোপনে চীন সফরের পর থেকে চীন সরাসরি পাকিস্তানের পক্ষে কথা বলা শুরু করে। আগস্ট মাসে ভারত- সোভিয়েত মৈত্রী চুক্তি স্বাক্ষর হলে ক্ষুব্ধ চীন মার্কিন বলয়ে যোগ দেয়। ১৯৭১ সালের মধ্যভাগে চীন পশ্চিম পাকিস্তান সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ১০০ ট্রাকভর্তি সমর উপকরণ পাঠাত। জাতিসংঘে বাংলাদেশ প্রশ্নেও চীন নেতিবাচক ভূমিকা পালন করে। জাতিসংঘের আলোচনায় বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমস্যার সমাধানের সোভিয়েত প্রস্তাবে চীন ভেটো দিয়ে আটকে দেয় ৷ উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, বৃহৎ শক্তিধর দেশগুলোর মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে মুক্তিযুদ্ধকে বিতর্কিত করার চেষ্টায় লিপ্ত ছিল ।
HSCHistory 1st Paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.বেতার ও টেলিভিশনে রবীন্দ্র সংগীত নিষিদ্ধ করে কে?

Combined · 2017

  • খাজা নাজিমুদ্দিন
  • খাজা শাহাবুদ্দিন
  • নূরুল আমিন
  • মোনায়েম খান

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.ভারতে সর্বপ্রথম রেলপথ প্রবর্তন করেন কে?

Combined · 2018

  • লর্ড হেস্টিংস
  • লর্ড কর্নওয়ালিস
  • লর্ড ডালহৌসি
  • লর্ড ওয়েলেসলি

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার খালার নাম কী?

Combined · 2018

  • আমেনা বেগম
  • খাদিজা বেগম
  • ফিরোজা বেগম
  • ঘষেটি বেগম

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.ভারতবাসীর জন্য সবচেয়ে উদারপন্থি ছিলেন কোন শাসক?

Combined · 2019

  • ওয়ারেন হেস্টিংস
  • রবার্ট ক্লাইভ
  • লর্ড রিপন
  • উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধে ফ্রান্স বিপ্লবীদের রসদ ও অন্ত সরবরাহ করে সাহায্য করে। তারা স্থল ও নৌ পথে আমেরিকার স্বাধীনতাকামীদের সহায়তা করে। অবশেষে প্যারিস চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা স্বীকার করে ব্রিটিশরা আমেরিকা ত্যাগ করে।

Rajshahi · 2017

মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন?
শহিদ মিনার নির্মাণ প্রক্রিয়া বর্ণনা কর।
উদ্দীপকের অনুরূপ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সহযোগী দেশটির অবদানের বর্ণনা দাও।
'শুধু সামরিক সাহায্য নয়, মানবিক সাহয্যের ক্ষেত্রের দেশটির ভূমিকা ছিল অগ্রগণ্য'- উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধে ফ্রান্স বিপ্লবীদের রসদ ও অন্ত সরবরাহ করে সাহায্য করে। তারা স্থল ও নৌ পথে আমেরিকার স্বাধীনতাকামীদের সহায়তা করে। অবশেষে প্যারিস চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা স্বীকার করে ব্রিটিশরা আমেরিকা ত্যাগ করে।

Rajshahi · 2017

মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন?
শহিদ মিনার নির্মাণ প্রক্রিয়া বর্ণনা কর।
উদ্দীপকের অনুরূপ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সহযোগী দেশটির অবদানের বর্ণনা দাও।
'শুধু সামরিক সাহায্য নয়, মানবিক সাহয্যের ক্ষেত্রের দেশটির ভূমিকা ছিল অগ্রগণ্য'- উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মধ্যপ্রাচ্যে আইএস হুমকি ও হত্যাযজ্ঞের কারণে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত সিরিয়াবাসী শরণার্থী হিসেবে প্রতিবেশী দেশ তুরস্কে আশ্রয় নিচ্ছে। তুরষ্ক সরকার তাদের জন্য সাধ্যমত শরণার্থী শিবির স্থাপন করে সহযোগিতা করছে। অধিকন্তু সিরিয়ার বন্ধুপ্রতীম দেশগুলো সাহায্য ও মানবিক সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছে।

Dhaka · 2017

"কনসার্ট ফর বাংলাদেশ" কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
মুক্তিযুদ্ধে সাত নং সেক্টরের অবস্থান ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকের মত মুক্তিযুদ্ধে কোন দেশ বাংলাদেশকে অনুরূপ সহযোগিতা করে? ব্যাখ্যা কর।
উক্ত দেশের সহযোগিতামূলক কর্মকাণ্ডই বাংলাদেশের বিজয়কে নিশ্চিত করে পাঠ্যবইয়ের আলোকে মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মধ্যপ্রাচ্যে আইএস হুমকি ও হত্যাযজ্ঞের কারণে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত সিরিয়াবাসী শরণার্থী হিসেবে প্রতিবেশী দেশ তুরস্কে আশ্রয় নিচ্ছে। তুরষ্ক সরকার তাদের জন্য সাধ্যমত শরণার্থী শিবির স্থাপন করে সহযোগিতা করছে। অধিকন্তু সিরিয়ার বন্ধুপ্রতীম দেশগুলো সাহায্য ও মানবিক সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছে।

Dhaka · 2017

"কনসার্ট ফর বাংলাদেশ" কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
মুক্তিযুদ্ধে সাত নং সেক্টরের অবস্থান ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকের মত মুক্তিযুদ্ধে কোন দেশ বাংলাদেশকে অনুরূপ সহযোগিতা করে? ব্যাখ্যা কর।
উক্ত দেশের সহযোগিতামূলক কর্মকাণ্ডই বাংলাদেশের বিজয়কে নিশ্চিত করে পাঠ্যবইয়ের আলোকে মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মায়ানমারের ক্ষমতাসীন দল ও সামরিক জান্তা সরকার 'নিরীহ রোহিঙ্গাদের ওপর বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞ চালায় । শত শত নারী-পুরুষ প্রাণের ভয়ে পার্শ্ববর্তী বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। মানবিক প্রয়োজনে বাংলাদেশ সরকার রোহিঙ্গাদের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র খোলে। বিশ্বের অনেক দেশ ও বিভিন্ন সংস্থা তাদের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় ৷

Rajshahi · 2018

মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
মুক্তিযুদ্ধে ব্রিটেনের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকের ঘটনাটি মুক্তিযুদ্ধের কোন দিকটিকে ইঙ্গিত করে? ব্যাখ্যা কর।
“মুক্তিযুদ্ধে মিত্রদেশগুলো সহায়তা না করলে স্বাধীনতার স্বপ্ন বাস্তবায়ন বিলম্বিত হতো”—উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মায়ানমারের ক্ষমতাসীন দল ও সামরিক জান্তা সরকার 'নিরীহ রোহিঙ্গাদের ওপর বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞ চালায় । শত শত নারী-পুরুষ প্রাণের ভয়ে পার্শ্ববর্তী বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। মানবিক প্রয়োজনে বাংলাদেশ সরকার রোহিঙ্গাদের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র খোলে। বিশ্বের অনেক দেশ ও বিভিন্ন সংস্থা তাদের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় ৷

Rajshahi · 2018

মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
মুক্তিযুদ্ধে ব্রিটেনের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকের ঘটনাটি মুক্তিযুদ্ধের কোন দিকটিকে ইঙ্গিত করে? ব্যাখ্যা কর।
“মুক্তিযুদ্ধে মিত্রদেশগুলো সহায়তা না করলে স্বাধীনতার স্বপ্ন বাস্তবায়ন বিলম্বিত হতো”—উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মায়ানমার সেনাবাহিনীর অত্যাচার ও নিপীড়নের কারণে মুসলমান রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী বাংলাদেশে শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় গ্রহণ করছে। বাংলাদেশ সরকার সাধ্যমত তাদের সাহায্য ও সহযোগিতা করছে। এছাড়াও বন্ধুপ্রতীম অনেক দেশ সাহায্য অব্যাহত রেখেছে।

Dhaka · 2018

জর্জ হ্যারিসন কে ছিলেন?
ইন্দিরা গান্ধীর পরিচয় দাও।
উদ্দীপকের মতো তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন, কোন দেশ বাংলাদেশকে সহযোগিতা করেছিল— ব্যাখ্যা কর।
উক্ত দেশের সহযোগিতামূলক কর্মকাণ্ডই বাংলাদেশের বিজয়কে ত্বরান্বিত করে তোমার পাঠ্যবইয়ের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মায়ানমার সেনাবাহিনীর অত্যাচার ও নিপীড়নের কারণে মুসলমান রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী বাংলাদেশে শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় গ্রহণ করছে। বাংলাদেশ সরকার সাধ্যমত তাদের সাহায্য ও সহযোগিতা করছে। এছাড়াও বন্ধুপ্রতীম অনেক দেশ সাহায্য অব্যাহত রেখেছে।

Dhaka · 2018

জর্জ হ্যারিসন কে ছিলেন?
ইন্দিরা গান্ধীর পরিচয় দাও।
উদ্দীপকের মতো তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন, কোন দেশ বাংলাদেশকে সহযোগিতা করেছিল— ব্যাখ্যা কর।
উক্ত দেশের সহযোগিতামূলক কর্মকাণ্ডই বাংলাদেশের বিজয়কে ত্বরান্বিত করে তোমার পাঠ্যবইয়ের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

বেতার ও টেলিভিশনে রবীন্দ্র সংগীত নিষিদ্ধ করে কে?ভারতে সর্বপ্রথম রেলপথ প্রবর্তন করেন কে?নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার খালার নাম কী?ভারতবাসীর জন্য সবচেয়ে উদারপন্থি ছিলেন কোন শাসক?'শুধু সামরিক সাহায্য নয়, মানবিক সাহয্যের ক্ষেত্রের দেশটির ভূমিকা ছিল অগ্রগণ্য'- উদ্দীপকের অনুরূপ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সহযোগী দেশটির অবদানের বর্ণনা দাও।উক্ত দেশের সহযোগিতামূলক কর্মকাণ্ডই বাংলাদেশের বিজয়কে নিশ্চিত করে পাঠ্যবইয়ের আলোকউদ্দীপকের মত মুক্তিযুদ্ধে কোন দেশ বাংলাদেশকে অনুরূপ সহযোগিতা করে? ব্যাখ্যা কর।“মুক্তিযুদ্ধে মিত্রদেশগুলো সহায়তা না করলে স্বাধীনতার স্বপ্ন বাস্তবায়ন বিলম্বিতউদ্দীপকের ঘটনাটি মুক্তিযুদ্ধের কোন দিকটিকে ইঙ্গিত করে? ব্যাখ্যা কর।উক্ত দেশের সহযোগিতামূলক কর্মকাণ্ডই বাংলাদেশের বিজয়কে ত্বরান্বিত করে তোমার পাঠ্যউদ্দীপকের মতো তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন, কোন দেশ বাংলাদেশকে সহযোগিতা করেছিল— ব্যাখ্য

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।