উক্ত শাসন ব্যবস্থা ছিল একটি সংবিধানিক মুখোশ- বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: দ্বৈত শাসনব্যবস্থা ছিল একটি সাংবিধানিক মুখোশ। কারণ— দ্বৈত শাসন বলতে দুই পক্ষের শাসনব্যবস্থাকে বোঝায়। দ্বৈত শাসন ব্যবস্থায় দিউয়ানি ও দেশরক্ষার দায়িত্ব থাকে কোম্পানির হাতে এবং বিচার ও শাসনভার থাকে নবাবের হাতে। এ ব্যবস্থা রবার্ট ক্লাইভ প্রবর্তন করেন। নবাব নাবালক হওয়ার অজুহাতে তার অভিভাবক হিসেবে রাজাস্ব বিশারদ সৈয়দ মুহাম্মদ রেজা খানকে নিযুক্ত করেন রবার্ট ক্লাইভ এবং তার ওপর বাংলার রাজস্ব আদায়ের সম্পূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়। কোম্পানির স্বার্থ রক্ষার্থে তারা রাজস্ব আদায় করতেন এবং কোম্পানির আদেশ মেনে চলতেন। অন্যদিকে, তাদের ওপর কোম্পানির পক্ষ থেকে নজর রাখার জন্য মুর্শিদাবাদ দরবারে একজন ইংরেজ প্রতিনিধি অবস্থান করতেন। দ্বৈত শাসনব্যবস্থায় মূলত সব ক্ষমতার অধিকারী ছিল কোম্পানি। দ্বৈত শাসনব্যবস্থা বাংলার সামাজিক, অর্থনৈতিক, শান্তি, স্থিতি ও সমৃদ্ধি ধ্বংস করে দেয়। উপযুক্ত আলোচনার আলোকে তাই বলা যায়, দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা ছিল একটি সাংবিধানিক মুখোশ।
HSC History 1st Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · History 1st Paper · সৃজনশীল
উক্ত শাসন ব্যবস্থা ছিল একটি সংবিধানিক মুখোশ- বিশ্লেষণ কর।
উদ্দীপক
সরকারি আজিজুল হক কলেজ, বগুড়া · 2024
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর