উক্ত নবাবের গৃহীত পদক্ষেপসমূহের প্রেক্ষিতে সংঘটিত যুদ্ধের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।
উত্তর: উক্ত নবাব অর্থাৎ নবাব মীর কাশিমের গৃহীত পদক্ষেপসমূহের পরিপ্রেক্ষিতে বক্সারের যুদ্ধ সংঘটিত হয়। ভারতবর্ষের ইতিহাসে ১৭৬৪ সালে সংঘটিত বক্সারের যুদ্ধের তাৎপর্য অনেক। কেননা, পলাশীর যুদ্ধে শুধু বাংলার নবাব পরাজিত হন, বক্সারের যুদ্ধে বাংলার নবাব, অযোধ্যার নবাব এবং মুঘল সম্রাট সম্মিলিতভাবে পরাজিত হন। এর মধ্য দিয়ে ভারতীয় শাসকদের সামরিক ক্ষমতা ও দক্ষতা ইংরেজদের তুলনায় নিম্নস্তরের বলে প্রমাণিত হয়। ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে বক্সারের যুদ্ধের গুরুত্ব অপরিসীম। বক্সারের যুদ্ধে পরাজয়ের ফলে বাংলার স্বাধীন নবাবি আমলের চূড়ান্ত অবসান ঘটে। অযোধ্যার নবাবের কাছ থেকে কারা ও এলাহাবাদ অঞ্চল দুটি কেড়ে নেওয়া হয়। বাংলা থেকে দিল্লি পর্যন্ত সমগ্র উত্তর ভারত ইংরেজদের অধীনে চলে যায়। যুদ্ধে পরাজয়ের পর মীর কাশিম আত্মগোপন করেন। দিল্লির সম্রাট ইংরেজদের পক্ষাবলম্বন করেন। বক্সারের যুদ্ধের পর ভারতবর্ষে ইংরেজ বাহিনীর সামরিক সক্ষমতা ও দক্ষতা প্রমাণিত হয়। এর ধারাবাহিকতায় ভারতের অন্যান্য স্থানেও একে 'একে ইংরেজ আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলার ব্যবসা-বাণিজ্যের ওপর যথার্থভাবে ইংরেজ কোম্পানির একচ্ছত্র অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়। পরিশেষে বলা যায়, ইংরেজ শক্তির উত্থানের সহায়ক হিসেবে ভারতবর্ষের ইতিহাসে বক্সারের যুদ্ধের গুরুত্ব অনেক।
HSC History 1st Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · History 1st Paper · সৃজনশীল
উক্ত নবাবের গৃহীত পদক্ষেপসমূহের প্রেক্ষিতে সংঘটিত যুদ্ধের গুরুত্ব ব…
উদ্দীপক
ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর