উদ্দীপকে উল্লিখিত যুদ্ধের সাথে ভারতীয় উপমহাদেশের পলাশী যুদ্ধের সাদৃশ্য রয়েছে। নিম্নে তা ব্যাখ্যা করা হলো : বাংলার নবাব আলীর্বাদ খানের মৃত্যুর পর নবাব সিরাজউদ্দৌলা বাংলার শাসনভার গ্রহণ করেন। কিন্তু তার শাসনভার গ্রহণ তার খালা ঘসেটি বেগম সহ অনেক আপনজনদের পছন্দ হয়নি। যার ফলে তারা সিরাজউদ্দৌলাকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করতে থাকেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে তারা ইংরেজদের ষড়যন্ত্রে যোগ দেয়। যার ফলে রবার্ট ক্লাইভ তাদের এই ষড়যন্ত্রকে সফল করার উদ্যোগ নেয়। আর যুদ্ধ করার জন্য রবাট ক্লাইভ নবাবের বিরুদ্ধে আলিনগর সন্ধী ভঙ্গের একটি মিথ্যা অভিযোগ আরোপ করে, যার ফলে যুদ্ধ ঘোষণা হয়। ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশীর প্রান্তরে উভয়পক্ষ যুদ্ধে লিপ্ত হয়। কিন্তু যুদ্ধে নবাবের সেনাপতি মীরজাফর নবাবের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে। যার ফলে তার এই কুটকৌশলের কারণে যুদ্ধে নবাবের পরাজয় ঘটে। উদ্দীপকেও সিফপিনের যুদ্ধের কথা বলা হয়েছে। এই যুদ্ধ মুয়াবিয়া ও আলী রা. এর মধ্যে সংঘটিত হয়। যুদ্ধে যখন মুয়াবিয়ার হার নিশ্চিত তখন আলী রা. মুয়াবিয়ার প্রতিনিধি আমর ইবনে আল আস এর কূটনৈতিক চালে যুদ্ধ বন্ধ করেন। যার ফলে আলী রা. খিলাফতের শাসনভার হারান। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত যুদ্ধের সাথে ভারতীয় উপমহাদেশের পলাশী যুদ্ধের সাদৃশ্য রয়েছে।