উদ্দীপকের ন্যায় ১৮৫৮ খ্রিস্টাব্দে ভারতবর্ষে ব্রিটিশ শাসন প্রতিষ্ঠা পায়। এর ফলে শাসনব্যবস্থা যেরূপ পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয় তা নিম্নে ব্যাখ্যা করা হলো : ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন বিলুপ্ত করে ১৮৫৮ সালে একটি রাজকীয় ঘোষণার মধ্য দিয়ে রানী ভিক্টোরিয়া ভারতের শাসনভার গ্রহণ করেন। এই ঘোষণায় ভারতবর্ষে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, কোম্পানির শাসন আমলে ভারতীয় শাসক ও অন্যান্যদের যে সকল সুবিধা প্রদান করার প্রতিশ্রুতি রয়েছে সেগুলো প্রদান করা হবে। এছাড়াও ভারতীয় প্রজাদেরও ব্রিটিশ প্রজাদের মতো বিচার করা হবে, অর্থাৎ বর্ণ গোত্র নির্বিশেষে সকলকে শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ করা হবে। এছাড়াও সবার নিজ নিজ ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রতি শ্রদ্ধা ও সহিষ্ণুতা প্রদর্শন করা হবে। অর্থাৎ এই শাসন ব্যবস্থায় জনগণের কল্যাণের জন্য প্রতিশ্রুতির বিষয়টিও লক্ষ্য করা যায়। উদ্দীপকেও দেখা যায়, উসমানীয় সাম্রাজ্যের পর কামাল আতাতুর্কের নেতৃত্বে বিভিন্ন সংস্কারের মধ্যে দিয়ে আধুনিক তুরস্ক গঠিত হয়। যার ফলে একটি ধর্মনিরপেক্ষ, গণতান্ত্রিক ও আধুনিক রাষ্ট্র হিসেবে তুরস্ক গড়ে ওঠে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের সাথে ১৮৫৮ সালে ভারতবর্ষে প্রবর্তিত শাসনব্যবস্থার সাদৃশ্য রয়েছে।