উদ্দীপকের রহিমের দেখা নাটকের ঘটনা আমার পঠিত পাঠ্যবইয়ের বক্সার যুদ্ধের প্রতিচ্ছবি।ইংরেজরা মীর জাফরের জামাতা মীর কাশিমকে ১৭৬০ খ্রিষ্টাব্দে বাংলার মসনদে অধিষ্ঠিত করেন। বাংলার মসনদে আরোহণ করেই মীর কাশিম উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন যে, এদেশে ইংরেজদের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে না পারলে ভবিষ্যতে তারাই এদেশের ভাগ্যবিধাতা হয়ে দাঁড়াবে। ইংরেজদের হাতে ক্রীড়ানক হয়ে থাকার মতো হীন মনোবৃত্তি তার ছিল না। তাই তিনি ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন। কিন্তু নবাবের সৈন্য সংখ্যা বেশি থাকা সত্ত্বেও ১৭৬৩ খ্রিষ্টাব্দে গিরিয়া, কাটোয়া ও উদয়নালার যুদ্ধে শোচনীয়ভাবে পরাজিত হন। পরবর্তীতে তিনি অযোধ্যায় নবাব সুজাউদ্দৌলা ও মুঘল সম্রাট শাহ আলমের সহায়তায় ১৭৬৪ খ্রিষ্টাব্দে বক্সার নামক স্থানে সম্মিলিত তিন বাহিনী নিয়ে ইংরেজ সেনাপতি মেজর মনরোর বাহিনীর নিকট শোচনীয় পরাজয় বরণ করে। উদ্দীপকেও নাটকের ঘটনায় দেখা যায়, একটি বিদেশি কোম্পানিকে বিতাড়িত করার জন্য দেশটির ৩টি অঞ্চলের রাজা মিলে যৌথবাহিনী নিয়ে যুদ্ধ করেন। কিন্তু তারা যুদ্ধে পরাজিত হন। যা বক্সারের যুদ্ধের প্রতিচ্ছবি।অতএব, বলা যায়, উদ্দীপকের রহিমের দেখা নাটকের ঘটনা আমার পঠিত পাঠ্যবইয়ের বক্সারর যুদ্ধের প্রতিচ্ছবি তাতে কোনো সন্দেহ নেই।