উদ্দীপকে আসাদের দেখা নাটকের কাহিনির সাথে পর্তুগিজ বণিকদের ভারতীয় উপমহাদেশে আগমনের মিল পাওয়া যায়।পর্তুগিজরা ইউরোপ থেকে আসা প্রথম বণিক জাতি, যারা সমুদ্রপথে ভারতবর্ষে প্রবেশ করে। ১৪৯৮ সালে ভাস্কো-দা-গামা প্রথম ভারতে আসেন এবং ধীরে ধীরে পর্তুগিজরা ভারতের বিভিন্ন স্থানে ব্যবসা প্রতিষ্ঠা করতে শুরু করে। তারা মসলা, কাপড় ও অন্যান্য প্রসাধনীর ব্যবসা করত। তবে তারা বাণিজ্যের পাশাপাশি সামরিক ও ধর্মীয় দিক থেকেও আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করে। উদ্দীপকের বণিক সংঘটি 'ক' দেশের বিভিন্ন স্থানে কুঠি ও দুর্গ নির্মাণ করেন এবং রাজ্য দখলের জন্য যুদ্ধে লিপ্ত হন। পর্তুগিজরাও ভারতে আসার পর গোয়া, চন্দননগর, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন স্থানে দুর্গ ও বাণিজ্য কেন্দ্র গড়ে তোলে। তারা ব্যবসার উদ্দেশ্যে আসলেও ধীরে ধীরে ছোট রাজ্যগুলো দখল করে নেয়। নাটকের কাহিনিতে বলা হয়েছে তারা তরুণদের জোর করে তাদের ধর্মে দীক্ষিত করে। পর্তুগিজরা ক্যাথলিক খ্রিষ্টধর্ম প্রচারের জন্য ব্যাপক ধর্মান্তকরণ চালায়। এক্ষেত্রে তারা ভয়ভীতি ও বলপ্রয়োগ করে ধর্মান্তকরণ করতেন। তাদের কার্যকলাপের মধ্যে লুটপাট ও জলদস্যুতা অন্যতম ছিল যা নাটকের কাহিনির সাথে মিল পাওয়া যায়। পর্তুগিজরা বঙ্গোপসাগরে ব্যাপক জলদস্যুতা চালাত। তারা স্থানীয় জনগণের ওপর অত্যাচার চালাত।সুতরাং, উদ্দীপকের নাটকের বণিক সংঘের কার্যক্রমের সাথে পর্তুগিজদের ভারতীয় উপমহাদেশে আগমন ও তাদের কর্মকাণ্ডের মিল পাওয়া যায়।