উদ্দীপকের ব্রিটিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রীর ঘোষণার ন্যায় মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবে ভারতে মুসলমানদের জন্য আলাদা রাষ্ট্রের দাবি করা হয়।হিন্দু-মুসলিম সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার প্রেক্ষাপটে ১৯৪০ সালে পাঞ্জারের রাজধানী লাহোরে মুসলিম লীগের অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। এ অধিবেশনে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ দ্বিজাতি তত্ত্ব উত্থাপন করেন। তার মতে, ভারতে হিন্দু-মুসলমান দুটি পৃথক জাতি। সুতরাং, মুসলমানদের ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি এবং সুন্দর জীবনযাপনের জন্য একটি পৃথক রাষ্ট্র থাকা একান্ত প্রয়োজন। তৎকালীন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী এ. কে. ফজলুল হক মুসলিম লীগের এ অধিবেশনে দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে একটি প্রস্তাব উত্থাপন করেন। তারই ধারাবাহিকতায় ১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান নামের আলাদা দুটি রাষ্ট্রের জন্ম হয়। উদ্দীপকে দেখা যায়, উনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে পৃথক ইহুদিবাদী আবাসভূমির দাবিতে ইহুদিরা সোচ্চার হয়ে ওঠে। ১৯১৭ সালের ২ নভেম্বর ব্রিটিশ পররাষ্ট্র ও অর্থবিষয়ক মন্ত্রী জেমস বেলফোরের একটি ঘোষণার মধ্য দিয়ে ইসরাইল রাষ্ট্রের উদ্ভব হয়।সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকে ব্রিটিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রীর ঘোষণার ন্যায় তৎকালীন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী এ. কে. ফজলুল হক উত্থাপিত ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবে ভারত ও পাকিস্তান নামের আলাদা দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের দাবি করা হয়েছিল।