উক্ত ভূমি ব্যবস্থার দোষগুণ আলোচনা কর।
উত্তর: উক্ত ভূমি ব্যবস্থার অর্থাৎ চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের বেশকিছু দোষ ও গুণ ছিল। উদ্দীপকে বলা হয়েছে, ভূমি ব্যবস্থার সংস্কারের ফলে ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থায় গতিশীলতা আসে। অনুরূপভাবে, চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের ফলেও বাংলার ভূমি ব্যবস্থায় বেশকিছু সুবিধা ও অসুবিধা যুক্ত হয়। চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সুফলগুলো হলো- ১. চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের জন্য সরকারের রাজস্ব আয় সুনির্দিষ্ট হয়। ফলে সরকার নিজের আয় সম্পর্কে ধারণা লাভ করে। এর জন্য বাজেট প্রণয়ন ও বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকারের সুবিধা হয়। ২. এ ব্যবস্থার জন্য জমিদাররা কোম্পানির একনিষ্ঠ সমর্থক হয়ে। ওঠেন। এর ফলে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের স্থায়িত্বকাল বৃদ্ধিতে জমিদাররা আন্তরিকভাবে চেষ্টা করেন। ৩. এ ব্যবস্থার ফলে জমিদাররা নিজ নিজ এলাকায় বিভিন্ন রকম জনকল্যাণমূলক এবং সমাজসেবামূলক কাজে আগ্রহী হয়ে ওঠেন। চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের কুফলসমূহ হলো- ১. চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত জমিদারদের স্বার্থ সুরক্ষা করে। এজন্য জমিদার ইচ্ছা করলেই যেকোনো সময় জমি থেকে উচ্ছেদ করতে পারতেন। ২. এ ব্যবস্থায় জমির সঠিকভাবে জরিপের ব্যবস্থা-ছিল না। ফলে নিষ্কর জমির ওপর বেশি রাজস্ব ধার্য করা হতো। এছাড়া জমির সীমারেখা নির্ধারিত না থাকায় পরবর্তীকালে মামলা সৃষ্টি হয়। ৩. সূর্যাস্ত আইনের কারণে নির্দিষ্ট অর্থাৎ ৩০ চৈত্র সূর্যাস্তের আগে জমির খাজনা দেওয়ার কঠোর বিধান ছিল। এ নিয়ম মানতে গিয়ে অনেক জমিদার নিশ্চিহ্ন হয়ে যান।
HSC History 1st Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · History 1st Paper · সৃজনশীল
উক্ত ভূমি ব্যবস্থার দোষগুণ আলোচনা কর।
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর