উদ্দীপকের সাথে পাঠ্যবইয়ের সিপাহী বিদ্রোহের মিল আছে যা ১৮৫৭ সালে সংঘটিত হয়।
সিপাহী বিদ্রোহের প্রত্যক্ষ কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয় চর্বিমিশ্রিত কার্তুজের প্রচলনকে। সামরিক তথা বিভিন্ন কারণে যখন ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে আন্দোলনের ক্ষেত্র প্রস্তুত ঠিক তখনই চর্বিমিশ্রিত কার্তুজের ঘটনা বারুদে অগ্নি স্ফুলিঙ্গের কাজ করে। ১৮৫৬ সালে, সেনাবাহিনীতে এনফিল্ড রাইফেল প্রচলন করা হয়। ব্যবহারের পূর্বেই এই রাইফেলের কার্তুজ দাঁত দিয়ে কাটতে হতো। গুজব রটে যে, এ কার্তুজে শূকর ও গরুর চর্বি মেশানো আছে। ইংরেজরা ইচ্ছাকৃতভাবে এ কার্তুজের প্রচলন করেছে। হিন্দু ও মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের সিপাহীদের ধর্ম নাশ করার জন্য। প্রচলনের অল্প কিছুদিনের মধ্যেই সিপাহীদের বিদ্রোহী, করে তোলে। বিদ্রোহে আপামর জনগণও অংশ নেয়। এজন্য একে ১৮৫৭ সালের স্বাধীনতা সংগ্রামও বলা হয়। তেমনি ঘটনা উদ্দীপকেও লক্ষ করা যায়। এখানে বলিভিয়ার সামরিক বাহিনীর সদস্যরা উন্নত পরিবেশ ও জীবনমান বৃদ্ধির দাবিতে বিক্ষোভ করে। বিদ্রোহী সৈন্যদের বহিষ্কার করে বিদ্রোহ দমনে সক্ষম হন দেশটির প্রেসিডেন্ট।
অতএব বলা যায়, উদ্দীপকের ঘটনার সাথে ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহের মিল আছে।