হ্যাঁ, উদ্দীপকের মি. সোহানের মতো দুর্নীতিই লর্ড ওয়ারেন হেস্টিংসের পতন ডেকে এনেছিল।
ওয়ারেন হেস্টিংস তার শাসনামলে ব্রিটিশ ন্যায় নীতি তোয়াক্কা না করে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কার সাধন করেন। আবার অনেক কিছু করেন তার ব্যক্তিগত স্বার্থে। ফলে ইংল্যান্ডে ওয়ারেন হেস্টিংসের কার্যকালের শেষ দিকে তার বিরুদ্ধে নানা প্রকার অভিযোগ ও অপবাদ প্রকাশ পেতে শুরু করে। তাই ওয়ারেন হেস্টিংস ১৭৮৫ খ্রিষ্টাব্দে পদত্যাগ করে ইংল্যান্ডে ফিরে যান। তারপর উইলিয়াম পিট ও লর্ড জান্ডাসের কর্মপ্রচেষ্টার ফলে ওয়ারেন হেস্টিংসকে বিভিন্ন অপরাধে অভিযুক্ত করা হয়। বিশেষ করে চৈৎ সিংহ এবং অযোধ্যার বেগমের প্রতি অসদাচরণ ও অত্যাচারের অভিযোগ ছিল সবচেয়ে বেশি গুরুতর। দীর্ঘ ৭ বছর ধরে বিচারের পর ওয়ারেন হেস্টিংস তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ হতে মুক্তি পান। কিন্তু আত্মপক্ষ সমর্থনের ব্যয় সংকুলান করতে গিয়ে তিনি একেবারে সর্বস্বান্ত হয়ে যান। এমনকি উইলিয়াম পিট ও জান্ডাসের বিরোধিতার ফলে তার ভাতাও বন্ধ হয়ে যায়।
অতএব, উদ্দীপকের মি. সোহানের মতো দুর্নীতিই তার অর্থাৎ ওয়ারেন হেস্টিংসের পতন ডেকে এনেছিল-উক্তিটি যথার্থ।