হ্যাঁ, উক্ত নীতি অর্থাৎ অধীনতামূলক মিত্রতানীতি ভারতবর্ষে ইংরেজ সাম্রাজ্য বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বলে আমি মনে করি।
লর্ড ওয়েলেসলির অধীনতামূলক মিত্রতানীতির উদ্দেশ্য ছিল যে সকল ভারতীয় রাজন্যবর্গ এ নীতিতে আবদ্ধ হবেন তারা ব্রিটিশ সরকারের অনুমতি ব্যতীত অপর কোনো রাজ্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা বা সন্ধি স্থাপন করতে পারবে না। যে রাজ্য এ নীতিতে আবদ্ধ হবে সে রাজ্য একদল ইংরেজ সৈন্য পালন করবে এবং ব্যয়ভার নির্বাহের জন্য নগদ অর্থ অথবা রাজ্যের একাংশ ইংরেজদেরকে ছেড়ে দিতে হবে। দেশীয় রাজ্য থেকে একমাত্র ইংরেজ ব্যতীত সকল ইউরোপীয় কর্মচারী ও নাগরিকদের বিতাড়িত করতে হবে। তিনি তার সাম্রাজ্যবাদী দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে হায়দ্রাবাদ, মহীশুর এবং মারাঠা রাষ্ট্রসংঘকে বশীভূত করার চেষ্টা করেন এবং শক্তি ও কৌশল দ্বারা সফলও হন। আর এভাবেই তিনি ভারতের শক্তিশালী রাজ্যগুলোকে পদানত করে ব্রিটিশ সার্বভৌমত্বকে সুপ্রতিষ্ঠিত করেন।
পরিশেষে বলা যায় যে, অধীনতামূলক মিত্রতানীতির দ্বারা লর্ড ওয়েলেসলি ভারতবর্ষে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।