উদ্দীপকের সোহানের সাথে আমার পাঠ্যবইয়ের শহিদ তিতুমীরের সংস্কার কাজের মিল রয়েছে।
তিতুমীর পরাধীন ভারতবর্ষে স্বাধীনতা সংগ্রামে আত্মদানকারী এক মহান সৈনিক। কেননা তিনি জমিদার ও নীলকরদের নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। তিনি শুধু মুসলিম সম্প্রদায়কে এককভাবে দেখেননি, তিনি সমাজের নিম্ন শ্রেণির সকল কৃষক মানুষের মুক্তির জন্য সংগ্রাম করেছেন। তিনি নিজস্ব বাহিনী গঠন করেন ও বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করেন। তার বাহিনীতে নির্যাতিত কৃষক ও সাধারণ মানুষ যোগ দেয়। তার সংস্কারের মূল উদ্দেশ্য ছিল ইসলামে পূর্ণ বিশ্বাস স্থাপন, রাসুল (স.) এর নির্দেশ পালন, বাংলার হিন্দু মুসলিম কৃষকদের ঐক্য স্থাপন, অত্যাচারী জমিদার ও নীলকরদের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ হওয়ার আহ্বান। মূলত তার সংগ্রাম বা সংস্কার ছিল অত্যাচার, শোষণ আর নির্যাতনের বিরুদ্ধে। শেষ পর্যন্ত তিনি ইংরেজদের হাতে নিহত হন।
উদ্দীপকের ঘটনায়ও দেখা যায়, রূপপুর গ্রামের কৃষকরা দীর্ঘদিন ধরে মহাজনদের দ্বারা নির্যাতিত হয়ে আসছে। সোহান নামের একজন সচেতন মানুষ মহাজনদের হাত থেকে কৃষকদের রক্ষা করতে এগিয়ে আসেন। শেষ পর্যন্ত মহাজনদের হাতেই তিনি নিহত হন।
অতএব বলা যায়, উদ্দীপকের সোহানের সাথে শহীদ তিতুমীরের কর্মকান্ডের মিল রয়েছে।