উদ্দীপকের ছবিটি আমাদের মুক্তিযুদ্ধে লক্ষ লক্ষ নাম না জানা শহিদদের আত্মত্যাগের ঘটনাকে মনে করিয়ে দেয়।আমাদের জাতীয় ইতিহাসে শ্রেষ্ঠতম অধ্যায় হলো একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ। এ মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে জন্ম লাভ করে আমাদের সার্বভৌম বাংলাদেশ। ১৯৪৭ সালে দেশ ভাগ হওয়ার পর থেকে নানা বৈষম্য, শাসন-শোষণের পর ১৯৭১ সালে অর্জিত হয় আমাদের রক্তক্ষত স্বাধীনতা। আর এই স্বাধীনতার মূর্তপ্রতীক এই জাতীয় স্মৃতিসৌধ। সাতটি স্তম্ভ দিয়ে নির্মিত জাতীয় স্মৃতিসৌধ। যার প্রত্যেকটি স্তম্ভ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বহন করে। যেমন- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৫৬ সালের শাসনতান্ত্রিক আন্দোলন, ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন, ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ। বলার অপেক্ষা রাখে না, এই সাতটি গুরুত্বপূর্ণ সালের মধ্যেই আমাদের সংগ্রামের ইতিহাস নিহিত। লাখো শহীদের রক্তে গড়া এই স্মৃতিসৌধ। এটি আমাদের গৌরব, মর্যাদা আর স্বাধীনতার প্রতীক।অতএব বলা যায়, এটি আমাদের মুক্তিযুদ্ধের নাম না জানা লাখো শহিদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।