শেয়ারFacebookWhatsApp

মনে করো, তুমি শিমুল, কুমিল্লা হাই স্কুলের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তোমার বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার বিবরণ দিয়ে প্রধান শিক্ষক বরাবর একটি প্রতিবেদন প্রণয়ন করো।

উত্তর: ৩ এপ্রিল প্রধান শিক্ষক দিনাজপুর জিলা স্কুল বিষয়: বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়ানুষ্ঠান সম্পর্কিত প্রতিবেদন। সূত্র: দি. জি. স্কু. বাক্রী/২০২৩/২৭ (০৭) জনাব আমি আপনার আদেশানুসারে দিনাজপুর জিলা স্কুলে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বার্ষিক ক্রীড়ানুষ্ঠান সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন করছি। দিনাজপুর জিলা স্কুলে বার্ষিক ক্রীড়ানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত ১ এপ্রিল, ২০২৩ দিনাজপুর জিলা স্কুলে বার্ষিক ক্রীড়ানুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। অন্যান্য বছরের মতো এবারও এই নিয়মিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের দায়িত্ব ছিল বার্ষিক ক্রীড়া উদ্যাপন কমিটির ওপর। কমিটির সদস্যদের একান্ত প্রচেষ্টায় সুন্দরভাবে ক্রীড়ানুষ্ঠানটি পরিচালিত হয়েছে। এবারের প্রতিযোগিতার বিষয় ছিল খুবই বৈচিত্র্যপূর্ণ। পঁচিশটিরও বেশি বিষয়ে শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে। বিষয়গুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য বিভিন্ন রকমের দৌড়, লাফ, লৌহগোলক নিক্ষেপ, বর্শা নিক্ষেপ, চাকতি নিক্ষেপ, দ্রুত হাঁটা, সাইকেল দৌড় ইত্যাদি। ছাত্র ও ছাত্রীদের জন্য পৃথক পৃথক বিষয় নির্ধারিত ছিল। 'যেমন খুশি তেমন সাজো' এবং আমন্ত্রিত মহিলাদের জন্য 'বালিশ খেলা' অনুষ্ঠানটি হয়েছিল বিশেষ উপভোগ্য। পুরুষ অতিথিদের জন্য ছিল হাঁড়িভাঙা। বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও অন্য কর্মচারীদের জন্যও ছিল প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা। ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারীদের পুরস্কৃত করা হয়। প্রতিযোগিতায় ছেলেদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ প্রতিযোগীর গৌরব লাভ করেছিল দশম শ্রেণির ছাত্র মাহফুজ হাসান এবং মেয়েদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হয়েছিল নবম শ্রেণির নীতি পাল। বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন হয়েছিল সকাল নয়টায়। উদ্বোধন করেছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় যুব, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী। সারাদিন প্রতিযোগিতা চলার পর বিকেল পাঁচটায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন মাননীয় যুব, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে অভিভাবক ও স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। বিপুলসংখ্যক আমন্ত্রিত অতিথি দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠান উপভোগ করেন। বিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছিল। বিদ্যালয়ের ক্রীড়া শিক্ষকের নির্দেশনায় শিক্ষার্থীরা ক্রীড়ানুশীলনের প্রতি দারুণভাবে আগ্রহী হয়ে উঠেছিল। তবে ক্রীড়াচর্চায় উৎকর্ষের কিছু অভাব পরিলক্ষিত হয়েছে। বিদ্যালয়ে নিয়মিত খেলাধুলা চর্চার সুযোগ থাকলে শিক্ষার্থীরা আরও বেশি উৎকর্ষ দেখাতে সক্ষম হতো। লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলারও যে প্রয়োজনীয়তা আছে, সে সম্পর্কে কর্তৃপক্ষের সচেতন হওয়া আবশ্যক। 'এবারের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অত্যন্ত উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে উদ্যাপিত হয়েছে। বিদ্যালয়ের বিশাল মাঠ সুন্দরভাবে সাজানো হয়েছিল সুন্দরভাবে। প্রতিযোগীদের কুচকাওয়াজ, তোপধ্বনি, পায়রা ওড়ানো ইত্যাদি আনুষ্ঠানিকতা সুন্দরভাবে সম্পাদিত হয়েছে। খেলাধুলার পাশাপাশি বিভিন্ন বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান দর্শকদের মনে আনন্দ দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা যে শৃঙ্খলার পরিচয় দিয়েছে, তা আজকের দিনে বিরল। প্রধান অতিথির ভাষণ শিক্ষার্থীদের মনে বহুদিন প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। বার্ষিক ক্রীড়ানুষ্ঠানটি বিদ্যালয়ের গৌরবজনক ইতিহাসে নতুন মাত্রা সংযোজন করতে সক্ষম হয়েছে। প্রতিবেদকের নাম ও ঠিকানা : তামিম হাসান দশম শ্রেণি, মানবিক বিভাগ দিনাজপুর জিলা স্কুল প্রতিবেদনের শিরোনাম : দিনাজপুর জিলা স্কুলে বার্ষিক ক্রীড়ানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত প্রতিবেদন তৈরির সময় : সকাল ১০টা তারিখ : ৩ এপ্রিল, ২০২৩ [এখানে প্রতিষ্ঠান ও প্রতিবেদকের ঠিকানা-সংবলিত খাম আঁকতে হবে]

SSC বাংলা ২য় পত্র পরিচ্ছেদ ৪৬ : ভাব-সম্প্রসারণ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · বাংলা ২য় পত্র · পরিচ্ছেদ ৪৬ : ভাব-সম্প্রসারণ · সৃজনশীল

মনে করো, তুমি শিমুল, কুমিল্লা হাই স্কুলের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তোমার বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার বিবরণ দিয়ে প্রধান শিক্ষক বরাবর একটি প্রতিবেদন প্রণয়ন করো।

উত্তর

৩ এপ্রিল প্রধান শিক্ষক দিনাজপুর জিলা স্কুল বিষয়: বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়ানুষ্ঠান সম্পর্কিত প্রতিবেদন। সূত্র: দি. জি. স্কু. বাক্রী/২০২৩/২৭ (০৭) জনাব আমি আপনার আদেশানুসারে দিনাজপুর জিলা স্কুলে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বার্ষিক ক্রীড়ানুষ্ঠান সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন করছি। দিনাজপুর জিলা স্কুলে বার্ষিক ক্রীড়ানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত ১ এপ্রিল, ২০২৩ দিনাজপুর জিলা স্কুলে বার্ষিক ক্রীড়ানুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। অন্যান্য বছরের মতো এবারও এই নিয়মিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের দায়িত্ব ছিল বার্ষিক ক্রীড়া উদ্যাপন কমিটির ওপর। কমিটির সদস্যদের একান্ত প্রচেষ্টায় সুন্দরভাবে ক্রীড়ানুষ্ঠানটি পরিচালিত হয়েছে। এবারের প্রতিযোগিতার বিষয় ছিল খুবই বৈচিত্র্যপূর্ণ। পঁচিশটিরও বেশি বিষয়ে শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে। বিষয়গুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য বিভিন্ন রকমের দৌড়, লাফ, লৌহগোলক নিক্ষেপ, বর্শা নিক্ষেপ, চাকতি নিক্ষেপ, দ্রুত হাঁটা, সাইকেল দৌড় ইত্যাদি। ছাত্র ও ছাত্রীদের জন্য পৃথক পৃথক বিষয় নির্ধারিত ছিল। 'যেমন খুশি তেমন সাজো' এবং আমন্ত্রিত মহিলাদের জন্য 'বালিশ খেলা' অনুষ্ঠানটি হয়েছিল বিশেষ উপভোগ্য। পুরুষ অতিথিদের জন্য ছিল হাঁড়িভাঙা। বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও অন্য কর্মচারীদের জন্যও ছিল প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা। ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারীদের পুরস্কৃত করা হয়। প্রতিযোগিতায় ছেলেদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ প্রতিযোগীর গৌরব লাভ করেছিল দশম শ্রেণির ছাত্র মাহফুজ হাসান এবং মেয়েদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হয়েছিল নবম শ্রেণির নীতি পাল। বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন হয়েছিল সকাল নয়টায়। উদ্বোধন করেছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় যুব, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী। সারাদিন প্রতিযোগিতা চলার পর বিকেল পাঁচটায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন মাননীয় যুব, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে অভিভাবক ও স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। বিপুলসংখ্যক আমন্ত্রিত অতিথি দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠান উপভোগ করেন। বিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছিল। বিদ্যালয়ের ক্রীড়া শিক্ষকের নির্দেশনায় শিক্ষার্থীরা ক্রীড়ানুশীলনের প্রতি দারুণভাবে আগ্রহী হয়ে উঠেছিল। তবে ক্রীড়াচর্চায় উৎকর্ষের কিছু অভাব পরিলক্ষিত হয়েছে। বিদ্যালয়ে নিয়মিত খেলাধুলা চর্চার সুযোগ থাকলে শিক্ষার্থীরা আরও বেশি উৎকর্ষ দেখাতে সক্ষম হতো। লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলারও যে প্রয়োজনীয়তা আছে, সে সম্পর্কে কর্তৃপক্ষের সচেতন হওয়া আবশ্যক। 'এবারের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অত্যন্ত উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে উদ্যাপিত হয়েছে। বিদ্যালয়ের বিশাল মাঠ সুন্দরভাবে সাজানো হয়েছিল সুন্দরভাবে। প্রতিযোগীদের কুচকাওয়াজ, তোপধ্বনি, পায়রা ওড়ানো ইত্যাদি আনুষ্ঠানিকতা সুন্দরভাবে সম্পাদিত হয়েছে। খেলাধুলার পাশাপাশি বিভিন্ন বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান দর্শকদের মনে আনন্দ দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা যে শৃঙ্খলার পরিচয় দিয়েছে, তা আজকের দিনে বিরল। প্রধান অতিথির ভাষণ শিক্ষার্থীদের মনে বহুদিন প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। বার্ষিক ক্রীড়ানুষ্ঠানটি বিদ্যালয়ের গৌরবজনক ইতিহাসে নতুন মাত্রা সংযোজন করতে সক্ষম হয়েছে। প্রতিবেদকের নাম ও ঠিকানা : তামিম হাসান দশম শ্রেণি, মানবিক বিভাগ দিনাজপুর জিলা স্কুল প্রতিবেদনের শিরোনাম : দিনাজপুর জিলা স্কুলে বার্ষিক ক্রীড়ানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত প্রতিবেদন তৈরির সময় : সকাল ১০টা তারিখ : ৩ এপ্রিল, ২০২৩ [এখানে প্রতিষ্ঠান ও প্রতিবেদকের ঠিকানা-সংবলিত খাম আঁকতে হবে]
SSCবাংলা ২য় পত্রপরিচ্ছেদ ৪৬ : ভাব-সম্প্রসারণ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.শৈবাল দিঘিরে বলে উচ্চ করি শির লিখে রেখো এক ফোঁটা দিলেম শিশির।

শৈবাল দিঘিরে বলে উচ্চ করি শির লিখে রেখো এক ফোঁটা দিলেম শিশির।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.কীর্তিমানের মৃত্যু নাই।

কীর্তিমানের মৃত্যু নাই।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসূতি।

পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসূতি।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.পরের অনিষ্ট চিন্তা করে যেই জন নিজের অনিষ্ট বীজ করে সে বপন।

পরের অনিষ্ট চিন্তা করে যেই জন নিজের অনিষ্ট বীজ করে সে বপন।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.পরের অনিষ্ট চিন্তা করে যেই জন নিজের অনিষ্ট বীজ করে সে বপন।

পরের অনিষ্ট চিন্তা করে যেই জন নিজের অনিষ্ট বীজ করে সে বপন।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.ভোগে নয়, ত্যাগেই প্রকৃত সুখ।

ভোগে নয়, ত্যাগেই প্রকৃত সুখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.মানুষ বাঁচে তার কর্মের মধ্যে, বয়সের মধ্যে নহে।

মানুষ বাঁচে তার কর্মের মধ্যে, বয়সের মধ্যে নহে।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসূতি।

পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসূতি।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে আমার পরের তরে।

সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে আমার পরের তরে।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.আত্মশক্তি অর্জনই শিক্ষার উদ্দেশ্য।

আত্মশক্তি অর্জনই শিক্ষার উদ্দেশ্য।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.মনে করো, তুমি ফরহাদ, একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকার প্রতিনিধি।পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার জন্য চাই বৃক্ষরোপণ'- এ শিরোনামে পত্রিকায় প্রকাশ উপযোগী একটি প্রতিবেদন তৈরি করো।

মনে করো, তুমি ফরহাদ, একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকার প্রতিনিধি।পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার জন্য চাই বৃক্ষরোপণ'- এ শিরোনামে পত্রিকায় প্রকাশ উপযোগী একটি প্রতিবেদন তৈরি করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে স্বাধীনতা রক্ষা করা কঠিন।

স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে স্বাধীনতা রক্ষা করা কঠিন।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।