উদ্দীপকের রোগ নির্ণয়ে অন্য কোনো প্রযুক্তির সাহায্যে করা যাবে কিনা -উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।
উত্তর: বিশ্রামত অবস্থায় করোনারী ধমনীতে' সৃষ্ট আংশিক অবরুদ্ধ অবস্থা ধরা পড়ে না। কিন্তু অনুশীলনরত অবস্থাতে হৃদপিণ্ডের উপর অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগ করে এ ধরনের রোগ সনাক্ত করা সম্ভব। এক্ষেত্রে হৃদযন্ত্রের যে পরীক্ষা করা হয় তা হলো ই.টি.টি। ব্যয়াম বা অনুশীলন চলাকালীন হৃদপিণ্ডের বৈদ্যুতিক সক্রিয়তা বা কার্যকলাপ ই.টি.টি পরীক্ষার মাধ্যমে রেকর্ড করা হয়। করোনারী আর্টারী রোগীর রোগ নিরূপণের জন্য এ পরীক্ষাটি খুবই উপকারী। পরীক্ষাটির মাধ্যমে হৃদপিণ্ডের করোনারী ধমনীতে সৃষ্ট আংশিক অবরুদ্ধ অবস্থা শনাক্ত করা হয়ে থাকে। মূলত এ পরীক্ষার মাধ্যমে অনুশীলনের সময় রোগীর হৃদযন্ত্রে যে সকল পরিবর্তন হয় চিকিৎসক সেগুলো সনাক্ত করতে সক্ষম হন। তাই জনাব মুবিন সাহেবের ক্ষেত্রে ই.টি.টি পরীক্ষা করার পরামর্শদান যৌক্তিক ছিল।
SSC পদার্থবিজ্ঞান অধ্যায়-১৪ : জীবন বাঁচাতে পদার্থবিজ্ঞান CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · পদার্থবিজ্ঞান · অধ্যায়-১৪ : জীবন বাঁচাতে পদার্থবিজ্ঞান · সৃজনশীল
উদ্দীপকের রোগ নির্ণয়ে অন্য কোনো প্রযুক্তির সাহায্যে করা যাবে কিনা -…
উদ্দীপক
Sylhet · 2019
উত্তর
প্রথম টেস্টটি হল ই.সি.জি। ই.সি.জি করতে হলে বৈদ্যুতিক সংকেতগুলো গ্রহণ করার জন্য শরীরে ইলেকট্রোড লাগাতে হয়। দুই হাতে দুটি, দুই পায়ে দুটি এবং ছয়টি হৃৎপিন্ডের অবস্থানসংলগ্ন বুকের ওপর লাগানো হয়। প্রত্যেকটি ইলেকট্রোড থেকে বৈদ্যুতিক সংকেতকে সংগ্রহ করা হয়। এই সংকেতগুলোকে যখন ছাপানো হয় তখন সেটিকে বলে ইলেকট্রোকার্ডিওগ্রাম।
একজন সুস্থ মানুষের প্রত্যেকটি ইলেকট্রোড থেকে পাওয়া বিদ্যুৎ সংকেতের একটা স্বাভাবিক নকশা থাকে। যদি কোনো মানুষের হৃৎপিণ্ডে অস্বাভাবিক অবস্থা তৈরি হয় তখন তার ইলেকট্রোড থেকে পাওয়া সংকেতগুলো স্বাভাবিক নকশা থেকে ভিন্ন হবে।উত্তর