শেয়ারFacebookWhatsApp

মি. মনিরুল ইসলামের গবেষণালব্ধ উপসাগরের ভূমিরূপ বর্ণনা কর।

উত্তর: মি. মনিরুল ইসলামের গবেষণালব্ধ উপসাগরটি হলো বঙ্গোপসাগর। বঙ্গোপসাগর বাংলাদেশের দক্ষিণ উপকূলে অবস্থিত। এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৭১৬ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। এ উপসাগরকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে অনেক অঞ্চল গড়ে উঠেছে। উদ্দীপকের মি. মনিরুল ইসলামের গবেষণালব্ধ বঙ্গোপসাগরটি মূলত বন্ধুর প্রকৃতির উপসাগর। এ উপসাগরের ভূভাগ হঠাৎ খাড়াভাবে নেমে গভীর তলদেশের সঙ্গে মিশে গেছে। অর্থাৎ এখানে মহীসোপানের কোনো চিহ্ন পরিলক্ষিত হয় না। তাছাড়া এখানে মহীঢালের সংখ্যা বেশি হওয়ায় এটি সমভূমি নামে পরিচিত। কারণ গভীর সমুদ্রের সমভূমির ওপর জলমগ্ন বহু শৈলশিরা ও উচ্চভূমি এখানে অবস্থান করছে। এছাড়া এ উপসাগর থেকে লাভা বেরিয়ে এসে সমুদ্রগর্ভে সঞ্চিত হয়ে শৈলশিরার ন্যায় ভূমিরূপ গঠন করেছে। এগুলো ছাড়াও এ উপসাগরের সমভূমি অঞ্চলে মাঝে মাঝে গভীর খাত দেখা যায়। এ খাতগুলো অধিক প্রশস্ত না হলেও খাড়া ঢালবিশিষ্ট। এদের গভীরতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৫,৫০০ মিটারের অধিক।

HSC Geography 1st Paper অধ্যায়-৭ : বারিমণ্ডল (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Geography 1st Paper · অধ্যায়-৭ : বারিমণ্ডল (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) · সৃজনশীল

মি. মনিরুল ইসলামের গবেষণালব্ধ উপসাগরের ভূমিরূপ বর্ণনা কর।

উদ্দীপক

মনিরুল ইসলাম একজন মেরিন ইঞ্জিনিয়ার। তিনি বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের উপসাগর বিষয়ক গবেষণার দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছেন। গবেষণা থেকে তিনি জানান, বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের উন্নয়নে এরূপ উপসাগর তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রাখবে।

উত্তর

মহাদেশের উপকূলে পর্বত বা মালভূমি থাকলে মহীসোপান সংকীর্ণ হয়।

উত্তর

পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র খাতটি হলো প্রশান্ত মহাসাগরের ম্যারিয়ানা, খাত। পৃথিবীতে বিভিন্ন মহাসাগরগুলোতে বিপুল পরিমাণে সমুদ্র খাত রয়েছে। তন্মধ্যে বেশি সমুদ্র খাত রয়েছে প্রশান্ত মহাসাগরে। আর এ খাতের অধিকাংশই পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত। এ সকল গভীর সমুদ্র খাতের মধ্যে গুয়াম দ্বীপের ৩২২ কিলেমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত পৃথিবীর দীর্ঘতম এ ম্যারিয়ানা খাতটি (Mariana trench)। এর গভীরতা প্রায় ১০,৮৭০ মিটার। তবে আটলান্টিক মহাসাগরের পোর্টোরিকো খাত (৮,৮০৬ মিটার), ভারত মহাসাগরের শুন্ডা খাত প্রভৃতিও বিশেষ উল্লেখযোগ্য।

উত্তর

মি. মনিরুল ইসলামের গবেষণালব্ধ উপসাগরটি হলো বঙ্গোপসাগর। বঙ্গোপসাগর বাংলাদেশের দক্ষিণ উপকূলে অবস্থিত। এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৭১৬ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। এ উপসাগরকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে অনেক অঞ্চল গড়ে উঠেছে। উদ্দীপকের মি. মনিরুল ইসলামের গবেষণালব্ধ বঙ্গোপসাগরটি মূলত বন্ধুর প্রকৃতির উপসাগর। এ উপসাগরের ভূভাগ হঠাৎ খাড়াভাবে নেমে গভীর তলদেশের সঙ্গে মিশে গেছে। অর্থাৎ এখানে মহীসোপানের কোনো চিহ্ন পরিলক্ষিত হয় না। তাছাড়া এখানে মহীঢালের সংখ্যা বেশি হওয়ায় এটি সমভূমি নামে পরিচিত। কারণ গভীর সমুদ্রের সমভূমির ওপর জলমগ্ন বহু শৈলশিরা ও উচ্চভূমি এখানে অবস্থান করছে। এছাড়া এ উপসাগর থেকে লাভা বেরিয়ে এসে সমুদ্রগর্ভে সঞ্চিত হয়ে শৈলশিরার ন্যায় ভূমিরূপ গঠন করেছে। এগুলো ছাড়াও এ উপসাগরের সমভূমি অঞ্চলে মাঝে মাঝে গভীর খাত দেখা যায়। এ খাতগুলো অধিক প্রশস্ত না হলেও খাড়া ঢালবিশিষ্ট। এদের গভীরতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৫,৫০০ মিটারের অধিক।

উত্তর

উদ্দীপকের উপসাগরটি (বঙ্গোপসাগর) বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের উন্নয়নে তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রাখবে বলে আমার মনে হয়। যেকোনো দেশের উপসাগর সাগর, কিংবা মহাসাগর একটি সম্পদ বলে বিবেচিত। যার উপায় উপকরণের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয় জলরাশি। বঙ্গোপসাগর তন্মধ্যে একটি। উদ্দীপকের মি. মনিরুল ইসলামের গবেষণালব্ধ বঙ্গোপসাগর বাংলাদেশের মতো এরূপ অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। কারণ এ উপসাগরে রয়েছে অনেক রকমের সামুদ্রিক সম্পদ। যেমন- ৪৪২ প্রজাতির মাছ, ৩৩৬ প্রজাতির মলাস্কস, ১৯ প্রজাতির চিংড়ি, হরেক রকমের কাঁকড়া, ম্যানগ্রোভ বনসহ আরও বিভিন্ন ধরনের সামুদ্রিক, জলজ উদ্ভিদ। তাছাড়া কক্সবাজার উপকূলীয় এলাকায় রয়েছে পারমাণবিক খনিজ 'জিরকন, মোনাজাইট, ইলমেনাইট, ম্যাগনেটাইট, রিওটাইল ও লিউকক্সেন প্রভৃতি মূল্যবান পদার্থ। এছাড়া সমুদ্র তলদেশে রয়েছে খনিজ তৈল ও' প্রাকৃতিক গ্যাস সম্পদ। আর এসব মূল্যবান সম্পদের পরিপূর্ণ ও কার্যকর ব্যবহারের মাধ্যমে এদেশের উন্নয়নে তাৎপর্য পরিবর্তন আনয়নে সম্ভব। কারণ এসব সম্পদের পরিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত হলে একদিকে যেমন দেশের চাহিদা মিটবে, অন্যদিকে বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রাও অর্জিত হবে। ফলে দেশের জাতীয় আয় বৃদ্ধি পাবে এবং জীবনযাত্রার মানও উন্নত হবে। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকে আলোচিত বঙ্গোপসাগরের মতো অন্যান্য উপসাগরও উন্নয়নশীল দেশের উন্নয়নকল্পে অভূতপূর্ব অবদান রাখবে বলে আমার বিশ্বাস।
HSCGeography 1st Paperঅধ্যায়-৭ : বারিমণ্ডল (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত)
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মহসিন বাংলাদেশের পানি উন্নয়ন ও গবেষণা বোর্ড-এর একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। সম্প্রতি তিনি এ বিষয়ে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা শীর্ষক সম্মেলনে যোগ দেন। সম্মেলনে বিভিন্ন মহাদেশীয় ভূভাগে পানি সরবরাহ বিষয়ক আলোচনা হয়। কেননা, পৃথিবীতে মানুষসহ বিভিন্ন জীবজন্তুর বেঁচে থাকার জন্য পানির গুরুত্ব সর্বাধিক। তাছাড়া উদ্ভিদের প্রস্বেদনের জন্যও পানির প্রয়োজন রয়েছে।
ক
মানুষের শরীরে শতকরা কতভাগ পানি?
খ
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড বঙ্গোপসাগরের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ?
গ
একটি মহাদেশের পানি সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিলে কোন ধরনের অসুবিধা হবে? বর্ণনা কর।
ঘ
পৃথিবীতে মানুষ ও জীবের অস্তিত্ব রক্ষায় পানিচক্রের ভূমিকা মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মহসিন বাংলাদেশের পানি উন্নয়ন ও গবেষণা বোর্ড-এর একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। সম্প্রতি তিনি এ বিষয়ে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা শীর্ষক সম্মেলনে যোগ দেন। সম্মেলনে বিভিন্ন মহাদেশীয় ভূভাগে পানি সরবরাহ বিষয়ক আলোচনা হয়। কেননা, পৃথিবীতে মানুষসহ বিভিন্ন জীবজন্তুর বেঁচে থাকার জন্য পানির গুরুত্ব সর্বাধিক। তাছাড়া উদ্ভিদের প্রস্বেদনের জন্যও পানির প্রয়োজন রয়েছে।
ক
মানুষের শরীরে শতকরা কতভাগ পানি?
খ
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড বঙ্গোপসাগরের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ?
গ
একটি মহাদেশের পানি সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিলে কোন ধরনের অসুবিধা হবে? বর্ণনা কর।
ঘ
পৃথিবীতে মানুষ ও জীবের অস্তিত্ব রক্ষায় পানিচক্রের ভূমিকা মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড বঙ্গোপসাগরের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ?

সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড বঙ্গোপসাগরের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.মানুষের শরীরে শতকরা কতভাগ পানি?

মানুষের শরীরে শতকরা কতভাগ পানি?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আসমা তার মামার সঙ্গে শ্রীমঙ্গল ভ্রমণে গিয়ে দেখতে পাচ্ছে। সেখানে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। আসমা তার মামাকে জিজ্ঞাসা করে বৃষ্টির পানি কোথা হতে আসে? মামা বললেন সাগর/নদীর পানি বাষ্প হয়ে মেঘ হয় তারপর বৃষ্টি হয়। আসমা মামাকে আরও, জিজ্ঞাসা করে সাগরের পানি শেষ হয় না কেন? মামা তাকে জানায় বৃষ্টির পানি, ঝরনার পানি, নদীর পানি ভূপৃষ্ঠের ওপর দিয়ে আবার সাগরে চলে যায়। একইভাবে আবার বাষ্প হয়ে মেঘ, বৃষ্টি ইত্যাদি হয়। এটি পানিচক্র।
ক
পানিচক্র কী?
খ
বৃষ্টির পানির উৎস কী কী?
গ
ভূগর্ভস্থ পানির উৎস কী?
ঘ
পানিচক্র পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কী ভূমিকা রাখে।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আসমা তার মামার সঙ্গে শ্রীমঙ্গল ভ্রমণে গিয়ে দেখতে পাচ্ছে। সেখানে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। আসমা তার মামাকে জিজ্ঞাসা করে বৃষ্টির পানি কোথা হতে আসে? মামা বললেন সাগর/নদীর পানি বাষ্প হয়ে মেঘ হয় তারপর বৃষ্টি হয়। আসমা মামাকে আরও, জিজ্ঞাসা করে সাগরের পানি শেষ হয় না কেন? মামা তাকে জানায় বৃষ্টির পানি, ঝরনার পানি, নদীর পানি ভূপৃষ্ঠের ওপর দিয়ে আবার সাগরে চলে যায়। একইভাবে আবার বাষ্প হয়ে মেঘ, বৃষ্টি ইত্যাদি হয়। এটি পানিচক্র।
ক
পানিচক্র কী?
খ
বৃষ্টির পানির উৎস কী কী?
গ
ভূগর্ভস্থ পানির উৎস কী?
ঘ
পানিচক্র পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কী ভূমিকা রাখে।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.বৃষ্টির পানির উৎস কী কী?

বৃষ্টির পানির উৎস কী কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.পানিচক্র কী?

পানিচক্র কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

নিচের চিত্রটি লক্ষ কর এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও। question image
ক
পানিচক্র কী?
খ
অধঃপতন কী?
গ
উদ্দীপকে চিত্রে প্রদর্শিত ঘটনাটির প্রক্রিয়াটি বিশ্লেষণ কর।
ঘ
জীবজগতের ওপর উক্ত ঘটনার ভূমিকা আলোচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

নিচের চিত্রটি লক্ষ কর এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও। question image
ক
পানিচক্র কী?
খ
অধঃপতন কী?
গ
উদ্দীপকে চিত্রে প্রদর্শিত ঘটনাটির প্রক্রিয়াটি বিশ্লেষণ কর।
ঘ
জীবজগতের ওপর উক্ত ঘটনার ভূমিকা আলোচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.অধঃপতন কী?

অধঃপতন কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.পানিচক্র কী?

পানিচক্র কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।