শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে চিত্রে প্রদর্শিত ঘটনাটির প্রক্রিয়াটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: চিত্রের প্রক্রিয়াটি হলো পানিচক্র। পানি তার উৎসস্থল থেকে স্থানান্তরিত হয়ে বিভিন্ন রূপান্তরের মাধ্যমে আবার উৎসস্থলে ফিরে আসার প্রক্রিয়াকে পানিচক্র বলে। সূর্যরশ্মির তাপে সমুদ্র, হ্রদ, নদী ও অন্যান্য জলাশয় 'থেকে পানি বাষ্পীভবনের মাধ্যমে বাষ্পরূপে প্রথমে বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে। বায়ুতে বাষ্পীভূত জলীয়বাষ্প উপরে উঠে শীতল ও ঘনীভূত হয়ে জলকণার আকার ধারণ করে অবশেষে বারিপাত ঘটায়। বারিপাত পানিচক্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সমুদ্র ও স্থলভাগ থেকে বাষ্পীভূত পানি তুষার, শিলা ও বৃষ্টিরূপে পৃথিবীপৃষ্ঠে আসে। স্থলভাগে পতিত বৃষ্টির পানি বিভিন্ন অবস্থা অতিক্রম করে আবার সাগরে গিয়ে পড়ে। অতঃপর স্থলভাগে পতিত কিছু পানি চুইয়ে বা থিতিয়ে মাটির স্তরে প্রবেশ করে এবং এ পানিও কতিপয় প্রক্রিয়ায় সাগরে গিয়ে মিলিত হয়। -এভাবে বায়ুমণ্ডল থেকে ভূপৃষ্ঠে এবং ভূপৃষ্ঠ থেকে বায়ুমণ্ডলে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ পানি চক্রাকারে আবর্তিত হয় এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার মাধ্যমে জীবজগৎকে সচল রাখে।

HSC Geography 1st Paper অধ্যায়-৭ : বারিমণ্ডল (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Geography 1st Paper · অধ্যায়-৭ : বারিমণ্ডল (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) · সৃজনশীল

উদ্দীপকে চিত্রে প্রদর্শিত ঘটনাটির প্রক্রিয়াটি বিশ্লেষণ কর।

উদ্দীপক

নিচের চিত্রটি লক্ষ কর এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও। question image

উত্তর

পানির রূপান্তরের মাধ্যমে স্থানান্তর এবং বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আবার স্বস্থানে ফিরে আসাই পানিচক্র।

উত্তর

অধঃপতন বলতে মেঘ ঘনীভূত হয়ে বৃষ্টিরূপে নিচের দিকে পতিত হওয়াকে বোঝায়। আমরা জানি, সূর্যের তাপে সমুদ্রের পানি বাষ্পীভূত হয়ে বায়ুমণ্ডলে চলে যায়। ধীরে ধীরে তা ঘনীভূত হয়ে মেঘরূপে বায়ুমণ্ডলে জমা হয় এবং এ মেঘ আরও ঘনীভূত হয়ে ভারী হয়ে নিচের দিকে বৃষ্টিরূপে পতিত হয়; যা অধঃপতন নামে পরিচিত।

উত্তর

চিত্রের প্রক্রিয়াটি হলো পানিচক্র। পানি তার উৎসস্থল থেকে স্থানান্তরিত হয়ে বিভিন্ন রূপান্তরের মাধ্যমে আবার উৎসস্থলে ফিরে আসার প্রক্রিয়াকে পানিচক্র বলে। সূর্যরশ্মির তাপে সমুদ্র, হ্রদ, নদী ও অন্যান্য জলাশয় 'থেকে পানি বাষ্পীভবনের মাধ্যমে বাষ্পরূপে প্রথমে বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে। বায়ুতে বাষ্পীভূত জলীয়বাষ্প উপরে উঠে শীতল ও ঘনীভূত হয়ে জলকণার আকার ধারণ করে অবশেষে বারিপাত ঘটায়। বারিপাত পানিচক্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সমুদ্র ও স্থলভাগ থেকে বাষ্পীভূত পানি তুষার, শিলা ও বৃষ্টিরূপে পৃথিবীপৃষ্ঠে আসে। স্থলভাগে পতিত বৃষ্টির পানি বিভিন্ন অবস্থা অতিক্রম করে আবার সাগরে গিয়ে পড়ে। অতঃপর স্থলভাগে পতিত কিছু পানি চুইয়ে বা থিতিয়ে মাটির স্তরে প্রবেশ করে এবং এ পানিও কতিপয় প্রক্রিয়ায় সাগরে গিয়ে মিলিত হয়। -এভাবে বায়ুমণ্ডল থেকে ভূপৃষ্ঠে এবং ভূপৃষ্ঠ থেকে বায়ুমণ্ডলে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ পানি চক্রাকারে আবর্তিত হয় এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার মাধ্যমে জীবজগৎকে সচল রাখে।

উত্তর

চিত্রে পানিচক্র দেখানো হয়েছে। যা জীবজগতের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বাষ্পীভবন বেশি হলে বৃষ্টিপাত বেশি হবে। এ বৃষ্টিপাত পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ও জীবজগতের ওপর প্রভাব রাখে। বৃষ্টিপাত না হলে কৃষিকাজ সম্ভব হতো না। তাহলে পৃথিবীতে খাদ্য উৎপাদন কমে যেত। দেখা দিবে খাদ্যাভাব। অন্যদিকে ভূ-জলচক্র মানুষের হস্তক্ষেপ ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হয়। শিল্পায়ন, নগরায়ণ, অধিক জনসংখ্যা প্রভৃতি পানিচক্রে পরিবর্তন করে। বন ও বনজ সম্পদ সম্পদ নগরায়ণযোগ্য সম্পদ। এটি অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা রাখে। এসবই বনভূমি পানিচক্রের ওপর নির্ভর। বাষ্পীভবন, ঘনীভবন, মেঘ, বৃষ্টিপাত প্রভৃতি পানিচক্রের সাথে সম্পর্কিত। আর এসকল বিষয় পরিবেশের ভারসাম্য ও জীবজগতের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যেহেতু সূর্যের তাপশক্তির ওপর পানি চক্র নির্ভরশীল। তাই বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে ভারসাম্য নষ্ট হলে পানি চক্রে এর প্রভাব পড়ে। পানিচক্র নদীর পানি প্রবাহ, মাটির আর্দ্রতা, বায়ুমণ্ডলের আর্দ্রতা, বৃষ্টিপাত প্রভৃতির ওপর প্রভাববিস্তার করে। অন্যদিকে নদীর পানি প্রবাহ, মাটির আর্দ্রতা প্রভৃতি যদি স্বাভাবিক না থাকে তবে এটি পরিবেশের ওপর জীবজগতের ওপর প্রভাববিস্তার করবে। সুতরাং বলা যায় যে, জীবজগতের সাথে পানিচক্রের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।
HSCGeography 1st Paperঅধ্যায়-৭ : বারিমণ্ডল (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত)
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মহসিন বাংলাদেশের পানি উন্নয়ন ও গবেষণা বোর্ড-এর একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। সম্প্রতি তিনি এ বিষয়ে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা শীর্ষক সম্মেলনে যোগ দেন। সম্মেলনে বিভিন্ন মহাদেশীয় ভূভাগে পানি সরবরাহ বিষয়ক আলোচনা হয়। কেননা, পৃথিবীতে মানুষসহ বিভিন্ন জীবজন্তুর বেঁচে থাকার জন্য পানির গুরুত্ব সর্বাধিক। তাছাড়া উদ্ভিদের প্রস্বেদনের জন্যও পানির প্রয়োজন রয়েছে।
ক
মানুষের শরীরে শতকরা কতভাগ পানি?
খ
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড বঙ্গোপসাগরের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ?
গ
একটি মহাদেশের পানি সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিলে কোন ধরনের অসুবিধা হবে? বর্ণনা কর।
ঘ
পৃথিবীতে মানুষ ও জীবের অস্তিত্ব রক্ষায় পানিচক্রের ভূমিকা মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মহসিন বাংলাদেশের পানি উন্নয়ন ও গবেষণা বোর্ড-এর একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। সম্প্রতি তিনি এ বিষয়ে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা শীর্ষক সম্মেলনে যোগ দেন। সম্মেলনে বিভিন্ন মহাদেশীয় ভূভাগে পানি সরবরাহ বিষয়ক আলোচনা হয়। কেননা, পৃথিবীতে মানুষসহ বিভিন্ন জীবজন্তুর বেঁচে থাকার জন্য পানির গুরুত্ব সর্বাধিক। তাছাড়া উদ্ভিদের প্রস্বেদনের জন্যও পানির প্রয়োজন রয়েছে।
ক
মানুষের শরীরে শতকরা কতভাগ পানি?
খ
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড বঙ্গোপসাগরের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ?
গ
একটি মহাদেশের পানি সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিলে কোন ধরনের অসুবিধা হবে? বর্ণনা কর।
ঘ
পৃথিবীতে মানুষ ও জীবের অস্তিত্ব রক্ষায় পানিচক্রের ভূমিকা মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড বঙ্গোপসাগরের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ?

সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড বঙ্গোপসাগরের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.মানুষের শরীরে শতকরা কতভাগ পানি?

মানুষের শরীরে শতকরা কতভাগ পানি?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আসমা তার মামার সঙ্গে শ্রীমঙ্গল ভ্রমণে গিয়ে দেখতে পাচ্ছে। সেখানে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। আসমা তার মামাকে জিজ্ঞাসা করে বৃষ্টির পানি কোথা হতে আসে? মামা বললেন সাগর/নদীর পানি বাষ্প হয়ে মেঘ হয় তারপর বৃষ্টি হয়। আসমা মামাকে আরও, জিজ্ঞাসা করে সাগরের পানি শেষ হয় না কেন? মামা তাকে জানায় বৃষ্টির পানি, ঝরনার পানি, নদীর পানি ভূপৃষ্ঠের ওপর দিয়ে আবার সাগরে চলে যায়। একইভাবে আবার বাষ্প হয়ে মেঘ, বৃষ্টি ইত্যাদি হয়। এটি পানিচক্র।
ক
পানিচক্র কী?
খ
বৃষ্টির পানির উৎস কী কী?
গ
ভূগর্ভস্থ পানির উৎস কী?
ঘ
পানিচক্র পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কী ভূমিকা রাখে।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আসমা তার মামার সঙ্গে শ্রীমঙ্গল ভ্রমণে গিয়ে দেখতে পাচ্ছে। সেখানে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। আসমা তার মামাকে জিজ্ঞাসা করে বৃষ্টির পানি কোথা হতে আসে? মামা বললেন সাগর/নদীর পানি বাষ্প হয়ে মেঘ হয় তারপর বৃষ্টি হয়। আসমা মামাকে আরও, জিজ্ঞাসা করে সাগরের পানি শেষ হয় না কেন? মামা তাকে জানায় বৃষ্টির পানি, ঝরনার পানি, নদীর পানি ভূপৃষ্ঠের ওপর দিয়ে আবার সাগরে চলে যায়। একইভাবে আবার বাষ্প হয়ে মেঘ, বৃষ্টি ইত্যাদি হয়। এটি পানিচক্র।
ক
পানিচক্র কী?
খ
বৃষ্টির পানির উৎস কী কী?
গ
ভূগর্ভস্থ পানির উৎস কী?
ঘ
পানিচক্র পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কী ভূমিকা রাখে।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.বৃষ্টির পানির উৎস কী কী?

বৃষ্টির পানির উৎস কী কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.পানিচক্র কী?

পানিচক্র কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

নিচের চিত্রটি লক্ষ কর এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও। question image
ক
পানিচক্র কী?
খ
অধঃপতন কী?
গ
উদ্দীপকে চিত্রে প্রদর্শিত ঘটনাটির প্রক্রিয়াটি বিশ্লেষণ কর।
ঘ
জীবজগতের ওপর উক্ত ঘটনার ভূমিকা আলোচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.অধঃপতন কী?

অধঃপতন কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.পানিচক্র কী?

পানিচক্র কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

কয়েকজন ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞানের ছাত্র পৃথিবীর মানচিত্রে দেখতে পেল এশিয়া তথা পৃথিবীর বৃহত্তম নদী গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র, মেঘনা, ইরাবতি এবং সিন্ধু নদ হিমালয় পর্বত থেকে উৎপত্তি হয়ে একটি মহাসাগরে পতিত হয়েছে।
ক
আটলান্টিক মহাসাগরের দুটি গিরিখাতের নাম লেখ?
খ
বার্মা ট্রেন্স সম্পর্কে লেখ?
গ
উদ্দীপকে নদীগুলো যে মহাসাগরে পতিত হয়েছে তার আকৃতি ও আয়তন সম্পর্কে লেখ।
ঘ
উক্ত মহাসাগরের তলদেশের ভূমিরূপের গভীর খাত ও দ্বীপপুঞ্জ আলোচনা কর?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।