অধ্যায়-৭ : বারিমণ্ডল (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) Geography 1st Paper

HSC Geography 1st Paper এর অধ্যায়-৭ : বারিমণ্ডল (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

১৩৪

প্রশ্ন

Geography 1st Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মহসিন বাংলাদেশের পানি উন্নয়ন ও গবেষণা বোর্ড-এর একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। সম্প্রতি তিনি এ বিষয়ে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা শীর্ষক সম্মেলনে যোগ দেন। সম্মেলনে বিভিন্ন মহাদেশীয় ভূভাগে পানি সরবরাহ বিষয়ক আলোচনা হয়। কেননা, পৃথিবীতে মানুষসহ বিভিন্ন জীবজন্তুর বেঁচে থাকার জন্য পানির গুরুত্ব সর্বাধিক। তাছাড়া উদ্ভিদের প্রস্বেদনের জন্যও পানির প্রয়োজন রয়েছে।
ক
মানুষের শরীরে শতকরা কতভাগ পানি?

উত্তর

মানুষের শরীরে পানির পরিমাণ শতকরা ৬৫ ভাগ।
খ
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড বঙ্গোপসাগরের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ?

উত্তর

সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড বঙ্গোপসাগরের তলদেশের ভূমিরূপের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ভূমিরূপ। সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের উপস্থিতি জোয়ারভাটা, পললের গতিবিধি ও অবক্ষেপণ, পানির গতি প্রকৃতি ও ভূমিরূপের ওপর প্রভাববিস্তার করে। তাই বঙ্গোপসাগরের জন্য সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড গুরুত্বপূর্ণ।
গ
একটি মহাদেশের পানি সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিলে কোন ধরনের অসুবিধা হবে? বর্ণনা কর।

উত্তর

একটি মহাদেশে পানিচক্র বা সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিলে জীবজগতের অস্তিত্ব রক্ষায় নানা অসুবিধা দেখা দিবে। যেকোনো মহাদেশে বা অঞ্চলে জীবের অস্তিত্ব রক্ষায় প্রধান উপকরণ হলো পানি। তাই পানি সরবরাহ বা চক্র স্বাভাবিক হতে হয়। পৃথিবীর শতকরা ৭১ ভাগেরও বেশি পানি এবং অবশিষ্ট ২৯ ভাগের কম স্থলভাগের অন্তর্গত। এত কম স্থলভাগ হওয়া সত্ত্বেও মাঝে মাঝে পানি সরবরাহে কোনো কোনো মহাদেশে ঘাটতি পরিলক্ষিত হয়। এমনই একটি মহাদেশ ইউরোপ। যার অন্যতম প্রধান রাষ্ট্র ইংল্যান্ডের একটি এলাকায় এরূপ পানি সরবরাহের ঘাটতি দেখা যায়। ফলে সেখানে মানুষের বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এরূপ অবস্থা থেকে পরিত্রাণের লক্ষ্যে সে দেশের রাষ্ট্রপ্রধান এলাকাবাসীকে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন। অর্থাৎ সেখানে জীবজগতের বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। তাছাড়া উদ্ভিদ তার সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়াও সঠিক অনুসরণে ব্যর্থ হচ্ছে। ফলে দিন দিন সেখানে মরুভূমিতে পরিণত হওয়ার উপক্রম হয়েছে। আর এসব কিছু ঘটছে পানিচক্র বা পানি সরবরাহ ঘাটতি দেখা দেওয়ার কারণে।
ঘ
পৃথিবীতে মানুষ ও জীবের অস্তিত্ব রক্ষায় পানিচক্রের ভূমিকা মূল্যায়ন কর।

উত্তর

পৃথিবীতে মানুষ ও জীবের অস্তিত্ব রক্ষায় পানিচক্রের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভূমিকা রয়েছে। পৃথিবীর পানিচক্র হচ্ছে আমাদের গ্রহে পানি ও আর্দ্রতার বিরামহীন পরিভ্রমণ। অর্থাৎ সমুদ্র থেকে বায়ুমন্ডল ও স্থলভাগ হয়ে আবার সমুদ্রে পানির সাধারণ পরিভ্রমণকে পানিচক্র বলে। পানিচক্রের মাধ্যমে পৃথিবীতে মানুষ ও জীবের অস্তিত্ব বজায় থাকে যেমন- পানিচক্রের ফলে অধঃক্ষেপণের পানি মাটির রন্দ্রপথে চুঁইয়ে প্রবেশ্য স্তরের মধ্য দিয়ে ভূত্বকের গভীর অংশে যায়। ফলে মাটি সিক্ত হয় এবং মাটির স্তরগুলো পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ দ্বারা পরিপূর্ণ হয়। তাছাড়া পানিচক্র বৃষ্টি, ঝর্ণা ও নদীনালার মাধ্যমে পশুপাখি ও মানুষকে প্রচুর মিষ্টি পানি সরবরাহ করে। এছাড়া মানুষ প্রয়োজনে কূপ ও নলকূপের মাধ্যমে মাটির গভীর অংশ থেকে সুপেয় পানি তুলে ব্যবহার করছে। পানিচক্র অব্যাহত না থাকলে এরূপ পানি পাওয়া সম্ভব হতো না। উদ্ভিদের জন্ম ও বিস্তারে আর্দ্র মাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই মাটির আর্দ্রতা পানি সরবরাহের মাধ্যমেই সম্ভব হয়। এছাড়া ফসল উৎপাদন ও বৃদ্ধিকল্পে পানি প্রধান নিয়ামক হিসেবে কাজ করে। মানুষের জীবনকে কর্মময় ও আরামদায়ক করার কাজেও পানিচক্র সহায়তা করে। পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানের জলবায়ু বিভিন্নতার জন্য পানিচক্রের ব্যাপক ভূমিকা রয়েছে। অবিরাম জলীয়বাষ্প সরবরাহ নিশ্চিত করে পানিচক্র সমুদ্র, বায়ুমণ্ডল ও স্থলভাগের মধ্যে যোগসূত্র স্থাপন করেছে। পানিচক্রের প্রভাবে নদীগুলো সক্রিয় থাকায় ভূমিক্ষয় এবং পলি গঠিত নতুন ভূমি গড়ে ওঠা সম্ভব হচ্ছে। এককথায় বলা যায়, পানিচক্র অব্যাহত বিশ্বে সৃষ্টি ও ক্ষয় প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। তাই বলা যায়, পৃথিবীতে মানুষ ও জীবের অস্তিত্ব রক্ষায় পানিচক্রের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভূমিকা রয়েছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মহসিন বাংলাদেশের পানি উন্নয়ন ও গবেষণা বোর্ড-এর একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। সম্প্রতি তিনি এ বিষয়ে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা শীর্ষক সম্মেলনে যোগ দেন। সম্মেলনে বিভিন্ন মহাদেশীয় ভূভাগে পানি সরবরাহ বিষয়ক আলোচনা হয়। কেননা, পৃথিবীতে মানুষসহ বিভিন্ন জীবজন্তুর বেঁচে থাকার জন্য পানির গুরুত্ব সর্বাধিক। তাছাড়া উদ্ভিদের প্রস্বেদনের জন্যও পানির প্রয়োজন রয়েছে।
ক
মানুষের শরীরে শতকরা কতভাগ পানি?

উত্তর

মানুষের শরীরে পানির পরিমাণ শতকরা ৬৫ ভাগ।
খ
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড বঙ্গোপসাগরের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ?

উত্তর

সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড বঙ্গোপসাগরের তলদেশের ভূমিরূপের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ভূমিরূপ। সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের উপস্থিতি জোয়ারভাটা, পললের গতিবিধি ও অবক্ষেপণ, পানির গতি প্রকৃতি ও ভূমিরূপের ওপর প্রভাববিস্তার করে। তাই বঙ্গোপসাগরের জন্য সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড গুরুত্বপূর্ণ।
গ
একটি মহাদেশের পানি সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিলে কোন ধরনের অসুবিধা হবে? বর্ণনা কর।

উত্তর

একটি মহাদেশে পানিচক্র বা সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিলে জীবজগতের অস্তিত্ব রক্ষায় নানা অসুবিধা দেখা দিবে। যেকোনো মহাদেশে বা অঞ্চলে জীবের অস্তিত্ব রক্ষায় প্রধান উপকরণ হলো পানি। তাই পানি সরবরাহ বা চক্র স্বাভাবিক হতে হয়। পৃথিবীর শতকরা ৭১ ভাগেরও বেশি পানি এবং অবশিষ্ট ২৯ ভাগের কম স্থলভাগের অন্তর্গত। এত কম স্থলভাগ হওয়া সত্ত্বেও মাঝে মাঝে পানি সরবরাহে কোনো কোনো মহাদেশে ঘাটতি পরিলক্ষিত হয়। এমনই একটি মহাদেশ ইউরোপ। যার অন্যতম প্রধান রাষ্ট্র ইংল্যান্ডের একটি এলাকায় এরূপ পানি সরবরাহের ঘাটতি দেখা যায়। ফলে সেখানে মানুষের বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এরূপ অবস্থা থেকে পরিত্রাণের লক্ষ্যে সে দেশের রাষ্ট্রপ্রধান এলাকাবাসীকে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন। অর্থাৎ সেখানে জীবজগতের বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। তাছাড়া উদ্ভিদ তার সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়াও সঠিক অনুসরণে ব্যর্থ হচ্ছে। ফলে দিন দিন সেখানে মরুভূমিতে পরিণত হওয়ার উপক্রম হয়েছে। আর এসব কিছু ঘটছে পানিচক্র বা পানি সরবরাহ ঘাটতি দেখা দেওয়ার কারণে।
ঘ
পৃথিবীতে মানুষ ও জীবের অস্তিত্ব রক্ষায় পানিচক্রের ভূমিকা মূল্যায়ন কর।

উত্তর

পৃথিবীতে মানুষ ও জীবের অস্তিত্ব রক্ষায় পানিচক্রের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভূমিকা রয়েছে। পৃথিবীর পানিচক্র হচ্ছে আমাদের গ্রহে পানি ও আর্দ্রতার বিরামহীন পরিভ্রমণ। অর্থাৎ সমুদ্র থেকে বায়ুমন্ডল ও স্থলভাগ হয়ে আবার সমুদ্রে পানির সাধারণ পরিভ্রমণকে পানিচক্র বলে। পানিচক্রের মাধ্যমে পৃথিবীতে মানুষ ও জীবের অস্তিত্ব বজায় থাকে যেমন- পানিচক্রের ফলে অধঃক্ষেপণের পানি মাটির রন্দ্রপথে চুঁইয়ে প্রবেশ্য স্তরের মধ্য দিয়ে ভূত্বকের গভীর অংশে যায়। ফলে মাটি সিক্ত হয় এবং মাটির স্তরগুলো পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ দ্বারা পরিপূর্ণ হয়। তাছাড়া পানিচক্র বৃষ্টি, ঝর্ণা ও নদীনালার মাধ্যমে পশুপাখি ও মানুষকে প্রচুর মিষ্টি পানি সরবরাহ করে। এছাড়া মানুষ প্রয়োজনে কূপ ও নলকূপের মাধ্যমে মাটির গভীর অংশ থেকে সুপেয় পানি তুলে ব্যবহার করছে। পানিচক্র অব্যাহত না থাকলে এরূপ পানি পাওয়া সম্ভব হতো না। উদ্ভিদের জন্ম ও বিস্তারে আর্দ্র মাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই মাটির আর্দ্রতা পানি সরবরাহের মাধ্যমেই সম্ভব হয়। এছাড়া ফসল উৎপাদন ও বৃদ্ধিকল্পে পানি প্রধান নিয়ামক হিসেবে কাজ করে। মানুষের জীবনকে কর্মময় ও আরামদায়ক করার কাজেও পানিচক্র সহায়তা করে। পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানের জলবায়ু বিভিন্নতার জন্য পানিচক্রের ব্যাপক ভূমিকা রয়েছে। অবিরাম জলীয়বাষ্প সরবরাহ নিশ্চিত করে পানিচক্র সমুদ্র, বায়ুমণ্ডল ও স্থলভাগের মধ্যে যোগসূত্র স্থাপন করেছে। পানিচক্রের প্রভাবে নদীগুলো সক্রিয় থাকায় ভূমিক্ষয় এবং পলি গঠিত নতুন ভূমি গড়ে ওঠা সম্ভব হচ্ছে। এককথায় বলা যায়, পানিচক্র অব্যাহত বিশ্বে সৃষ্টি ও ক্ষয় প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। তাই বলা যায়, পৃথিবীতে মানুষ ও জীবের অস্তিত্ব রক্ষায় পানিচক্রের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভূমিকা রয়েছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

আসমা তার মামার সঙ্গে শ্রীমঙ্গল ভ্রমণে গিয়ে দেখতে পাচ্ছে। সেখানে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। আসমা তার মামাকে জিজ্ঞাসা করে বৃষ্টির পানি কোথা হতে আসে? মামা বললেন সাগর/নদীর পানি বাষ্প হয়ে মেঘ হয় তারপর বৃষ্টি হয়। আসমা মামাকে আরও, জিজ্ঞাসা করে সাগরের পানি শেষ হয় না কেন? মামা তাকে জানায় বৃষ্টির পানি, ঝরনার পানি, নদীর পানি ভূপৃষ্ঠের ওপর দিয়ে আবার সাগরে চলে যায়। একইভাবে আবার বাষ্প হয়ে মেঘ, বৃষ্টি ইত্যাদি হয়। এটি পানিচক্র।
ক
পানিচক্র কী?

উত্তর

সমুদ্র, বায়ুমণ্ডল ও ভূপৃষ্ঠের পানি সবসময় পরস্পর সম্পর্কযুক্ত একটি জটিল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এর ভৌত অবস্থা ও ভৌগোলিক অবস্থানের পরিবর্তন ঘটিয়ে আবার সাগরে ফিরে আসার প্রক্রিয়াকে পানিচক্র বলে।
খ
বৃষ্টির পানির উৎস কী কী?

উত্তর

বৃষ্টির পানির উৎস হচ্ছে- সমুদ্র, নদী, ভূগর্ভস্থ পানি, ভূপৃষ্ঠসহ পানি, উদ্ভিদ থেকে নিঃসৃত প্রস্বেদন প্রক্রিয়ায় নির্গত পানি প্রভৃতি। উক্ত পানি সূর্যের তাপে জলীয়বাষ্পরূপে বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে এবং ঘনীভূত হয়ে মেঘ আকারে জমা হয় যা বৃষ্পিরূপে ভূপৃষ্ঠে পতিত হয়।
গ
ভূগর্ভস্থ পানির উৎস কী?

উত্তর

ভূগর্ভস্থ পানির উৎস হচ্ছে বায়ুমণ্ডলের, অবস্থিত মেঘপুঞ্জ। যা বৃষ্টির মাধ্যমে স্থলভাগে পতিত হয়ে ভূপৃষ্ঠের অভ্যন্তরে চোয়ানো প্রক্রিয়ায় ভূগর্ভে প্রবেশ করে। সূর্যের উত্তাপে সমুদ্র থেকে জলীয়বাষ্প অনবরত উপরের দিকে উঠতে থাকে এবং স্থলভাগের উদ্ভিদকূল প্রস্বেদন প্রক্রিয়ায় জলীয়বাষ্প উপরের দিকে নিঃসৃত করে থাকে। এসব জলীয়বাষ্প বায়ুমণ্ডলে ঘনীভূত হয়ে মেঘ আকারে জমা হয় এবং ঘনীভূত হয়ে বৃষ্টিরূপে ভূপৃষ্ঠে পতিত হয়। ভূপৃষ্ঠের পতিত পানির কিছু অংশ সরাসরি সমুদ্রে চলে যায় এবং বাকি অংশ ভূপৃষ্ঠের অভ্যন্তরে কৈশিক জালিকার মাধ্যমে চোয়ানো প্রক্রিয়ায় ভূগর্ভে প্রবেশ করে যা ভূগর্ভস্থ পানি নামে পরিচিত।
ঘ
পানিচক্র পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কী ভূমিকা রাখে।

উত্তর

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জীবজগতের ওপর পানি চক্র প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ভূমিকা রাখে। পানিচক্রের প্রক্রিয়া সংঘটিত হয় সূর্যের তাপশক্তি দ্বারা। বাষ্পীভবন ও বর্ষণ একে অপরের সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িত। বাষ্পীভবন বেশি হলে বৃষ্টিপাত বেশি হবে। এ বৃষ্টিপাত পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ও জীবজগতের ওপর প্রভাব রাখে। বৃষ্টিপাত না হলে কৃষি কাজ সম্ভব হতো না। তাহলে পৃথিবীতে খাদ্য উৎপাদন কমে যেত। দেখা দিবে খাদ্যাভাব। অন্যদিকে ভূ-জলচক্র মানুষের হস্তক্ষেপে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হয়। যেমন- বনভূমি ধ্বংস, জলাভূমির পরিবর্তন, নদীখাতের পরিবর্তন, বাঁধ নির্মাণ প্রভৃতি বাষ্পীভবন, বর্ষণের হারকে প্রভাবিত করে। ফলে পানিচক্রে ব্যাপকভাবে বিঘ্ন ঘটে। শিল্পায়ন, নগরায়ণ, অধিক জনসংখ্যা প্রভৃতি পানিচক্রে পরিবর্তন করে। বন ও বনজ সম্পদ নগরায়ণযোগ্য সম্পদ। এটি অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা রাখে। এসবই বনভূমি পানিচক্রের ওপর নির্ভর। বাষ্পীভবন, ঘনীভবন, মেঘ, বৃষ্টিপাত প্রভৃতি পানিচক্রের সাথে সম্পর্কিত। আর এসকল বিষয় পরিবেশের ভারসাম্য ও জীবজগতের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যেহেতু সূর্যের তাপশক্তির ওপর পানিচক্র নির্ভরশীল। তাই বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে ভারসাম্য নষ্ট হলে পানিচক্রে এর প্রভাব পড়ে। যা জীবজগতের নানা প্রকার কর্মকান্ডের ওপর একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পানিচক্র নদীর পানির প্রবাহ, মাটির আর্দ্রতা, বায়ুমণ্ডলের আর্দ্রতা, বায়ুমণ্ডলের আর্দ্রতা, বৃষ্টিপাত প্রভৃতির ওপর প্রভাববিস্তার করে। সুতরাং পানিচক্র পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

আসমা তার মামার সঙ্গে শ্রীমঙ্গল ভ্রমণে গিয়ে দেখতে পাচ্ছে। সেখানে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। আসমা তার মামাকে জিজ্ঞাসা করে বৃষ্টির পানি কোথা হতে আসে? মামা বললেন সাগর/নদীর পানি বাষ্প হয়ে মেঘ হয় তারপর বৃষ্টি হয়। আসমা মামাকে আরও, জিজ্ঞাসা করে সাগরের পানি শেষ হয় না কেন? মামা তাকে জানায় বৃষ্টির পানি, ঝরনার পানি, নদীর পানি ভূপৃষ্ঠের ওপর দিয়ে আবার সাগরে চলে যায়। একইভাবে আবার বাষ্প হয়ে মেঘ, বৃষ্টি ইত্যাদি হয়। এটি পানিচক্র।
ক
পানিচক্র কী?

উত্তর

সমুদ্র, বায়ুমণ্ডল ও ভূপৃষ্ঠের পানি সবসময় পরস্পর সম্পর্কযুক্ত একটি জটিল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এর ভৌত অবস্থা ও ভৌগোলিক অবস্থানের পরিবর্তন ঘটিয়ে আবার সাগরে ফিরে আসার প্রক্রিয়াকে পানিচক্র বলে।
খ
বৃষ্টির পানির উৎস কী কী?

উত্তর

বৃষ্টির পানির উৎস হচ্ছে- সমুদ্র, নদী, ভূগর্ভস্থ পানি, ভূপৃষ্ঠসহ পানি, উদ্ভিদ থেকে নিঃসৃত প্রস্বেদন প্রক্রিয়ায় নির্গত পানি প্রভৃতি। উক্ত পানি সূর্যের তাপে জলীয়বাষ্পরূপে বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে এবং ঘনীভূত হয়ে মেঘ আকারে জমা হয় যা বৃষ্পিরূপে ভূপৃষ্ঠে পতিত হয়।
গ
ভূগর্ভস্থ পানির উৎস কী?

উত্তর

ভূগর্ভস্থ পানির উৎস হচ্ছে বায়ুমণ্ডলের, অবস্থিত মেঘপুঞ্জ। যা বৃষ্টির মাধ্যমে স্থলভাগে পতিত হয়ে ভূপৃষ্ঠের অভ্যন্তরে চোয়ানো প্রক্রিয়ায় ভূগর্ভে প্রবেশ করে। সূর্যের উত্তাপে সমুদ্র থেকে জলীয়বাষ্প অনবরত উপরের দিকে উঠতে থাকে এবং স্থলভাগের উদ্ভিদকূল প্রস্বেদন প্রক্রিয়ায় জলীয়বাষ্প উপরের দিকে নিঃসৃত করে থাকে। এসব জলীয়বাষ্প বায়ুমণ্ডলে ঘনীভূত হয়ে মেঘ আকারে জমা হয় এবং ঘনীভূত হয়ে বৃষ্টিরূপে ভূপৃষ্ঠে পতিত হয়। ভূপৃষ্ঠের পতিত পানির কিছু অংশ সরাসরি সমুদ্রে চলে যায় এবং বাকি অংশ ভূপৃষ্ঠের অভ্যন্তরে কৈশিক জালিকার মাধ্যমে চোয়ানো প্রক্রিয়ায় ভূগর্ভে প্রবেশ করে যা ভূগর্ভস্থ পানি নামে পরিচিত।
ঘ
পানিচক্র পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কী ভূমিকা রাখে।

উত্তর

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জীবজগতের ওপর পানি চক্র প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ভূমিকা রাখে। পানিচক্রের প্রক্রিয়া সংঘটিত হয় সূর্যের তাপশক্তি দ্বারা। বাষ্পীভবন ও বর্ষণ একে অপরের সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িত। বাষ্পীভবন বেশি হলে বৃষ্টিপাত বেশি হবে। এ বৃষ্টিপাত পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ও জীবজগতের ওপর প্রভাব রাখে। বৃষ্টিপাত না হলে কৃষি কাজ সম্ভব হতো না। তাহলে পৃথিবীতে খাদ্য উৎপাদন কমে যেত। দেখা দিবে খাদ্যাভাব। অন্যদিকে ভূ-জলচক্র মানুষের হস্তক্ষেপে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হয়। যেমন- বনভূমি ধ্বংস, জলাভূমির পরিবর্তন, নদীখাতের পরিবর্তন, বাঁধ নির্মাণ প্রভৃতি বাষ্পীভবন, বর্ষণের হারকে প্রভাবিত করে। ফলে পানিচক্রে ব্যাপকভাবে বিঘ্ন ঘটে। শিল্পায়ন, নগরায়ণ, অধিক জনসংখ্যা প্রভৃতি পানিচক্রে পরিবর্তন করে। বন ও বনজ সম্পদ নগরায়ণযোগ্য সম্পদ। এটি অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা রাখে। এসবই বনভূমি পানিচক্রের ওপর নির্ভর। বাষ্পীভবন, ঘনীভবন, মেঘ, বৃষ্টিপাত প্রভৃতি পানিচক্রের সাথে সম্পর্কিত। আর এসকল বিষয় পরিবেশের ভারসাম্য ও জীবজগতের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যেহেতু সূর্যের তাপশক্তির ওপর পানিচক্র নির্ভরশীল। তাই বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে ভারসাম্য নষ্ট হলে পানিচক্রে এর প্রভাব পড়ে। যা জীবজগতের নানা প্রকার কর্মকান্ডের ওপর একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পানিচক্র নদীর পানির প্রবাহ, মাটির আর্দ্রতা, বায়ুমণ্ডলের আর্দ্রতা, বায়ুমণ্ডলের আর্দ্রতা, বৃষ্টিপাত প্রভৃতির ওপর প্রভাববিস্তার করে। সুতরাং পানিচক্র পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিচের চিত্রটি লক্ষ কর এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও। question image
ক
পানিচক্র কী?

উত্তর

পানির রূপান্তরের মাধ্যমে স্থানান্তর এবং বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আবার স্বস্থানে ফিরে আসাই পানিচক্র।
খ
অধঃপতন কী?

উত্তর

অধঃপতন বলতে মেঘ ঘনীভূত হয়ে বৃষ্টিরূপে নিচের দিকে পতিত হওয়াকে বোঝায়। আমরা জানি, সূর্যের তাপে সমুদ্রের পানি বাষ্পীভূত হয়ে বায়ুমণ্ডলে চলে যায়। ধীরে ধীরে তা ঘনীভূত হয়ে মেঘরূপে বায়ুমণ্ডলে জমা হয় এবং এ মেঘ আরও ঘনীভূত হয়ে ভারী হয়ে নিচের দিকে বৃষ্টিরূপে পতিত হয়; যা অধঃপতন নামে পরিচিত।
গ
উদ্দীপকে চিত্রে প্রদর্শিত ঘটনাটির প্রক্রিয়াটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

চিত্রের প্রক্রিয়াটি হলো পানিচক্র। পানি তার উৎসস্থল থেকে স্থানান্তরিত হয়ে বিভিন্ন রূপান্তরের মাধ্যমে আবার উৎসস্থলে ফিরে আসার প্রক্রিয়াকে পানিচক্র বলে। সূর্যরশ্মির তাপে সমুদ্র, হ্রদ, নদী ও অন্যান্য জলাশয় 'থেকে পানি বাষ্পীভবনের মাধ্যমে বাষ্পরূপে প্রথমে বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে। বায়ুতে বাষ্পীভূত জলীয়বাষ্প উপরে উঠে শীতল ও ঘনীভূত হয়ে জলকণার আকার ধারণ করে অবশেষে বারিপাত ঘটায়। বারিপাত পানিচক্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সমুদ্র ও স্থলভাগ থেকে বাষ্পীভূত পানি তুষার, শিলা ও বৃষ্টিরূপে পৃথিবীপৃষ্ঠে আসে। স্থলভাগে পতিত বৃষ্টির পানি বিভিন্ন অবস্থা অতিক্রম করে আবার সাগরে গিয়ে পড়ে। অতঃপর স্থলভাগে পতিত কিছু পানি চুইয়ে বা থিতিয়ে মাটির স্তরে প্রবেশ করে এবং এ পানিও কতিপয় প্রক্রিয়ায় সাগরে গিয়ে মিলিত হয়। -এভাবে বায়ুমণ্ডল থেকে ভূপৃষ্ঠে এবং ভূপৃষ্ঠ থেকে বায়ুমণ্ডলে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ পানি চক্রাকারে আবর্তিত হয় এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার মাধ্যমে জীবজগৎকে সচল রাখে।
ঘ
জীবজগতের ওপর উক্ত ঘটনার ভূমিকা আলোচনা কর।

উত্তর

চিত্রে পানিচক্র দেখানো হয়েছে। যা জীবজগতের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বাষ্পীভবন বেশি হলে বৃষ্টিপাত বেশি হবে। এ বৃষ্টিপাত পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ও জীবজগতের ওপর প্রভাব রাখে। বৃষ্টিপাত না হলে কৃষিকাজ সম্ভব হতো না। তাহলে পৃথিবীতে খাদ্য উৎপাদন কমে যেত। দেখা দিবে খাদ্যাভাব। অন্যদিকে ভূ-জলচক্র মানুষের হস্তক্ষেপ ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হয়। শিল্পায়ন, নগরায়ণ, অধিক জনসংখ্যা প্রভৃতি পানিচক্রে পরিবর্তন করে। বন ও বনজ সম্পদ সম্পদ নগরায়ণযোগ্য সম্পদ। এটি অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা রাখে। এসবই বনভূমি পানিচক্রের ওপর নির্ভর। বাষ্পীভবন, ঘনীভবন, মেঘ, বৃষ্টিপাত প্রভৃতি পানিচক্রের সাথে সম্পর্কিত। আর এসকল বিষয় পরিবেশের ভারসাম্য ও জীবজগতের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যেহেতু সূর্যের তাপশক্তির ওপর পানি চক্র নির্ভরশীল। তাই বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে ভারসাম্য নষ্ট হলে পানি চক্রে এর প্রভাব পড়ে। পানিচক্র নদীর পানি প্রবাহ, মাটির আর্দ্রতা, বায়ুমণ্ডলের আর্দ্রতা, বৃষ্টিপাত প্রভৃতির ওপর প্রভাববিস্তার করে। অন্যদিকে নদীর পানি প্রবাহ, মাটির আর্দ্রতা প্রভৃতি যদি স্বাভাবিক না থাকে তবে এটি পরিবেশের ওপর জীবজগতের ওপর প্রভাববিস্তার করবে। সুতরাং বলা যায় যে, জীবজগতের সাথে পানিচক্রের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিচের চিত্রটি লক্ষ কর এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও। question image
ক
পানিচক্র কী?

উত্তর

পানির রূপান্তরের মাধ্যমে স্থানান্তর এবং বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আবার স্বস্থানে ফিরে আসাই পানিচক্র।
খ
অধঃপতন কী?

উত্তর

অধঃপতন বলতে মেঘ ঘনীভূত হয়ে বৃষ্টিরূপে নিচের দিকে পতিত হওয়াকে বোঝায়। আমরা জানি, সূর্যের তাপে সমুদ্রের পানি বাষ্পীভূত হয়ে বায়ুমণ্ডলে চলে যায়। ধীরে ধীরে তা ঘনীভূত হয়ে মেঘরূপে বায়ুমণ্ডলে জমা হয় এবং এ মেঘ আরও ঘনীভূত হয়ে ভারী হয়ে নিচের দিকে বৃষ্টিরূপে পতিত হয়; যা অধঃপতন নামে পরিচিত।
গ
উদ্দীপকে চিত্রে প্রদর্শিত ঘটনাটির প্রক্রিয়াটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

চিত্রের প্রক্রিয়াটি হলো পানিচক্র। পানি তার উৎসস্থল থেকে স্থানান্তরিত হয়ে বিভিন্ন রূপান্তরের মাধ্যমে আবার উৎসস্থলে ফিরে আসার প্রক্রিয়াকে পানিচক্র বলে। সূর্যরশ্মির তাপে সমুদ্র, হ্রদ, নদী ও অন্যান্য জলাশয় 'থেকে পানি বাষ্পীভবনের মাধ্যমে বাষ্পরূপে প্রথমে বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে। বায়ুতে বাষ্পীভূত জলীয়বাষ্প উপরে উঠে শীতল ও ঘনীভূত হয়ে জলকণার আকার ধারণ করে অবশেষে বারিপাত ঘটায়। বারিপাত পানিচক্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সমুদ্র ও স্থলভাগ থেকে বাষ্পীভূত পানি তুষার, শিলা ও বৃষ্টিরূপে পৃথিবীপৃষ্ঠে আসে। স্থলভাগে পতিত বৃষ্টির পানি বিভিন্ন অবস্থা অতিক্রম করে আবার সাগরে গিয়ে পড়ে। অতঃপর স্থলভাগে পতিত কিছু পানি চুইয়ে বা থিতিয়ে মাটির স্তরে প্রবেশ করে এবং এ পানিও কতিপয় প্রক্রিয়ায় সাগরে গিয়ে মিলিত হয়। -এভাবে বায়ুমণ্ডল থেকে ভূপৃষ্ঠে এবং ভূপৃষ্ঠ থেকে বায়ুমণ্ডলে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ পানি চক্রাকারে আবর্তিত হয় এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার মাধ্যমে জীবজগৎকে সচল রাখে।
ঘ
জীবজগতের ওপর উক্ত ঘটনার ভূমিকা আলোচনা কর।

উত্তর

চিত্রে পানিচক্র দেখানো হয়েছে। যা জীবজগতের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বাষ্পীভবন বেশি হলে বৃষ্টিপাত বেশি হবে। এ বৃষ্টিপাত পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ও জীবজগতের ওপর প্রভাব রাখে। বৃষ্টিপাত না হলে কৃষিকাজ সম্ভব হতো না। তাহলে পৃথিবীতে খাদ্য উৎপাদন কমে যেত। দেখা দিবে খাদ্যাভাব। অন্যদিকে ভূ-জলচক্র মানুষের হস্তক্ষেপ ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হয়। শিল্পায়ন, নগরায়ণ, অধিক জনসংখ্যা প্রভৃতি পানিচক্রে পরিবর্তন করে। বন ও বনজ সম্পদ সম্পদ নগরায়ণযোগ্য সম্পদ। এটি অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা রাখে। এসবই বনভূমি পানিচক্রের ওপর নির্ভর। বাষ্পীভবন, ঘনীভবন, মেঘ, বৃষ্টিপাত প্রভৃতি পানিচক্রের সাথে সম্পর্কিত। আর এসকল বিষয় পরিবেশের ভারসাম্য ও জীবজগতের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যেহেতু সূর্যের তাপশক্তির ওপর পানি চক্র নির্ভরশীল। তাই বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে ভারসাম্য নষ্ট হলে পানি চক্রে এর প্রভাব পড়ে। পানিচক্র নদীর পানি প্রবাহ, মাটির আর্দ্রতা, বায়ুমণ্ডলের আর্দ্রতা, বৃষ্টিপাত প্রভৃতির ওপর প্রভাববিস্তার করে। অন্যদিকে নদীর পানি প্রবাহ, মাটির আর্দ্রতা প্রভৃতি যদি স্বাভাবিক না থাকে তবে এটি পরিবেশের ওপর জীবজগতের ওপর প্রভাববিস্তার করবে। সুতরাং বলা যায় যে, জীবজগতের সাথে পানিচক্রের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো