উদ্দীপক
রুস্তম আলী কৃষকদের নির্দিষ্ট ধান দেওয়ার শর্তে জমি বন্দোবস্ত দেয়। উৎপাদন বেশি হলে ১০ মণ, কম হলে ৭ মণ হারে ধান ধার্য করেন। এতে রুস্তম আলীর হিসাব রাখায় সমস্যার সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে তিনি ১০ মণ হারে ধান ধার্য করে জমি বন্দোবস্ত দিলে কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হন। এতে অনেক কৃষকের অবস্থা শোচনীয় হয়ে পড়ে। তাদের অনেকেই গ্রাম ছেড়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। কেউ কেউ দালালের সাহায্য নিয়ে মালয়েশিয়া রওনা দেয়। যাওয়ার পথে তাদেরকে নৌকার পাটাতনের নিচে ছোট্ট কুঠুরির মতো স্থানে রাখা হয়। এখানে গাদাগাদি করে তারা শুধু বসতে পারত। ফলে শ্বাসরুদ্ধকর ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে এদের অনেকে মৃত্যুবরণ করে। অবশেষে নিরাপত্তাকর্মীদের সহায়তায় অবশিষ্টদের উদ্ধার করা হয়।