উদ্দীপকে উল্লেখিত মেলাটি হলো কৃষি ও বৃক্ষ মেলা। নতুন বনায়নের ক্ষেত্রে কৃষি ও বৃক্ষ মেলা যেভাবে ভূমিকা রাখবে তা নিচে বিশ্লেষণ করা হলো-
প্রতি বছর আমাদের দেশে উপজেলা ও জাতীয় পর্যায়ে কৃষি ও বৃক্ষমেলা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। সাধারণত আমাদের দেশে জুন- জুলাই মাসে কৃষি ও বৃক্ষমেলার আয়োজন করা হয়। উপজেলা পর্যায়ে এ মেলা ৩-৭ দিনব্যাপী করা হয়। এ মেলায় কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ভালো ও দর্শনীয় পণ্য উপস্থাপন করে সকলের দর্শনের জন্য। পক্ষান্তরে জাতীয় পর্যায়ে অনুষ্ঠিত কৃষি ও বৃক্ষমেলায় দেশের বিভিন্ন অালে উৎপাদিত ভালো মানের ফসল, ফল, সবজি প্রভৃতি উপস্থাপন করা হয়। জাতীয় পর্যায়ের বৃক্ষমেলা মাসব্যাপী অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। তবে বীজ ও কৃষি যন্ত্রপাতির প্রদর্শনী ৩-৫ দিনব্যাপী করা হয়ে থাকে। এ ধরনের মেলায় ফলজ, বনজ, ঔষধী ও সৌন্দর্যবর্ধনকারী উদ্ভিদ দেখা যায়। অনেক সৌখিন মানুষ বাড়ির আশেপাশে ও ছাদে বৃক্ষরোপণ করে। এ মেলার মাধ্যমে সাধারণ মানুষ বৃক্ষরোপণে উৎসাহিত হয়। এ মেলা থেকে গাছের চারাসহ অন্যান্য কৃষি উপকরণ সহজেই পাওয়া যায় বলে সাধারণ মানুষ তা ক্রয় করে বৃক্ষরোপণ করতে উদ্বুদ্ধ হয়। এর মাধ্যমে নতুন বনায়ন কার্যক্রম তরান্বিত হয়। জাতীয় পর্যায়ে বৃক্ষমেলায় বিভিন্ন সংস্থা, ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায় হতে যারা প্রযুক্তি, তথ্য, কর্মকান্ড, পণ্য ইত্যাদি উপস্থাপন করে প্রতিযোগিতায় নির্বাচিত হন, তাদেরকে স্বর্ণ, রৌপ্য ও ব্রোঞ্জ পদক দেওয়া হয়ে থাকে। এ থেকে উদ্যোক্তা উন্নয়ন কর্মকান্ড ত্বরান্বিত হয়।
সুতরাং উপরের আলোচনা হতে দেখা যায় যে, নতুন বনায়নের ক্ষেত্রে কৃষি ও বৃক্ষমেলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।