রমজান মিয়ার গ্রহীত আন্তঃপরিচর্যাগুলো আলোচনা কর।
উত্তর: রমজান মিয়ার গৃহীত আন্তঃপরিচর্যাগুলো হচ্ছে পানি সেচ, খুঁটি বাধা, বেড়া দেওয়া, ছায়া দেওয়া এবং জাবড়া প্রয়োগ। নিচে এসব আলোচনা করা হলো- পানি সেচ : চারা লাগানোর পর বৃষ্টি না হলে প্রয়োজনবোধে কোনো পাত্র বা ঝরনার সাহায্যে বা সেচের মাধ্যমে চারায় পানি দিতে হবে। চারার গোড়ায় পানি জমে গেলে চারা মরে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই চারার গোড়া মাটি দিয়ে উঁচু ও চারদিকে ঢালু করে দিতে হবে। খুঁটি বাঁধা: চারা রোপণের পর শক্ত বাঁশের খুঁটির সাথে গাছটিকে হালকাভাবে বেঁধে দিতে হবে যেন বাতাসে চারা বেশি দুলে শিকড় মাটি হতে আলগা না হয়ে যায়। বেড়া দেওয়া: রোপিত চারা গরু ছাগলের উপদ্রব হতে রক্ষার জন্য প্রয়োজনমত উচ্চতার বাঁশের ইটের/লোহার ঘেরাবেড়া প্রদান করা হয়। ঘেরাবেড়া প্রদানের সময় লক্ষ্য রাখতে হবে যাতে চারাটি পর্যাপ্ত আলো-বাতাস পায়। ছায়া প্রদান: কিছু কিছু চারাগাছের ক্ষেত্রে ছায়া প্রদান করতে হয়। এজন্য সেবক/ছায়াগাছ লাগানো হয়। নতুবা সূর্যের প্রখর তাপে প্রাথমিক অবস্থায় চারা মারা যায়। ধৈঞা, বগামেডুলা বা অড়হর ছায়াগাছ হিসেবে উপযোগী। জাবড়া প্রয়োগ: মাটির গুণাগুণ বজায় রাখা, আগাছা প্রতিরোধ, মাটির ক্ষয়রোধ এবং মাটিকে ঠান্ডা ও জলীয়কণা ধরে রাখার জন্য ফসলের উপর শুষ্ক উদ্ভিজ্জ দ্রব্য যেমন- কলাপাতা, খড়, কচুরিপানা ইত্যাদি প্রয়োগকে জাবড়া প্রয়োগ বা মালচিং বলে। এ প্রযুক্তি ব্যবহারে গাছের গোড়া থেকে পানি সূর্যের তাপ ও বাতাসে উড়ে যায় না। ফলে মাটিতে রসের ঘাটতি হয় না এবং সেচ কম লাগে।
HSC কৃষি শিক্ষা ২য় পত্র Chapter 4 : বনায়ন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · কৃষি শিক্ষা ২য় পত্র · Chapter 4 : বনায়ন · সৃজনশীল
রমজান মিয়ার গ্রহীত আন্তঃপরিচর্যাগুলো আলোচনা কর।
উদ্দীপক
মাইলস্টোন কলেজ, ঢাকা · 2025
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর

