চিত্রের ধাপগুলো বর্ণনা কর।
উত্তর: উদ্দীপকের চিত্রে চারা রোপণ পরবর্তী সেচ, সহায়ক খুঁটি ও মালচিং এবং চারা রক্ষা বেড়া ইত্যাদি পরিচর্যা দেখানো হয়েছে। নিচে ধাপগুলো বর্ণনা করা হলো- ১. পানি সেচ : চারা লাগানোর পর বৃষ্টি না হলে প্রয়োজনবোধে কোনো পাত্র বা ঝরনার সাহায্যে বা সেচের মাধ্যমে চারায় পানি দিতে হবে। চারার গোড়ায় পানি জমে গেলে চারা মরে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই চারার গোড়া মাটি দিয়ে উঁচু ও চারদিকে চালু করে দিতে হবে। ২.চারা গাছে খুঁটি দেওয়া : চারা রোপণের পর শক্ত বাঁশের খুঁটির সাথে গাছটিকে হালকাভাবে বেঁধে দিতে হবে যেন বাতাসে চারা বেশি দুলে শিকড় মাটি হতে আলগা না হয়ে যায়। খুঁটির সাইজ ১.৫ ইঞ্চি x ১ ইঞ্চি পুরু এবং চারার উচ্চতার সাথে সামঞ্জস্য রেখে তৈরি করা যেতে পারে। ৩. ঘেরাবেড়া প্রদান : রোপিত চারা গরু ছাগলের উপদ্রব হতে রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনমতো উচ্চতার বাঁশের/ইটের/লোহার ঘেরাবেড়া প্রদান করা হয়। ঘেড়াবেড়া প্রদানের সময় লক্ষ রাখতে হবে যাতে চারাটি আলো-বাতাস পায়। ৪. মালচিং : মাটির গুণাগুণ বজায় রাখা, আগাছা প্রতিরোধ, মাটির ক্ষয়রোধ এবং মাটিকে ঠাণ্ডা ও জলীয় কণা ধরে রাখার জন্য ফসলের উপর শুষ্ক উদ্ভিজ্জ দ্রব্য যেমন কলাপাতা, খড়, কচুরিপানা ইত্যাদি প্রয়োগকে মালচিং বলা হয়। মাটির আর্দ্রতা সংরক্ষণে মালচিং বিশেষভাবে উপকারী, কারণ এ প্রযুক্তি ব্যবহারে গাছের গোড়া থেকে পানি সূর্যের তাপ ও বাতাসে উড়ে যায় না। ফলে মাটিতে রসের ঘাটতি হয় না এবং সেচ কম লাগে। মালচিং এর মাধ্যমে মাটিতে প্রায় ১০ থেকে ২৫ ভাগ আর্দ্রতা সংরক্ষণ করা সম্ভব। মালচিং এর জন্য ব্যবহৃত দ্রবগুলোকে মালচ বলে। মালচ হিসেবে ব্যবহৃত উপাদানগুলো হলো জৈব ও অজৈব পদার্থ। উপাদানগুলো হলো— ধান বা গমের খড়, কচুরিপানা, গাছের পাতা, শুকনা ঘাস, কম্পোস্ট, ভালোভাবে পচানো রান্নাঘরের আবর্জনা ইত্যাদি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। শীতকালে মালচ ব্যবহার করলে মাটিতে প্রয়োজনীয় তাপমাত্রা ধরে রাখা সম্ভব হয় এবং গরমকালে মাটি ঠাণ্ডা থাকে।
HSC কৃষি শিক্ষা ২য় পত্র Chapter 4 : বনায়ন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · কৃষি শিক্ষা ২য় পত্র · Chapter 4 : বনায়ন · সৃজনশীল
চিত্রের ধাপগুলো বর্ণনা কর।
উদ্দীপক
চিত্র-১: সেচ চিত্র-২: সহায়ক খুঁটি ও মালচিং চিত্র-৩: চারা রক্ষা বেড়াঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর

