উদ্দীপকের C হলো প্রক্রিয়াজাত করে ফল সংরক্ষণ। নিম্নে প্রক্রিয়াজাত করে ফল সংরক্ষণ পদ্ধতি ব্যাখ্যা করা হলো-
১. তাপ নিয়ন্ত্রণ করে সংরক্ষণ:
ক. নিম্ন তাপমাত্রায় সংরক্ষণ: নিম্ন তাপমাত্রায় জীবাণুর কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়, এমনকি জীবাণু ধ্বংসও হয়ে যায়।
খ. উচ্চ তাপমাত্রায় সংরক্ষণ: পানিতে ফল উচ্চ তাপমাত্রায় ফুটিয়ে টিন বা ক্যানে সংরক্ষণ করা হয়। এতে গন্ধ স্বাদের কিছুটা পরিবর্তন হয়।
২. রাসায়নিকভাবে সংরক্ষণ: সোডিয়াম বেনজোয়েট, জিবারেলিক এসিড, প্রোপানয়িক এসিড ইত্যাদি রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করে ফল দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা যায়। এছাড়াও ফলের রস ও আচার হিসেবেও সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়।
৩. লবণ ব্যবহার করে সংরক্ষণ: লেবু, জলপাই, আমড়া, কাঁচা ২৫% লবণ পানিতে সিদ্ধ করে আমের মতো টক ফুল ২০ বায়ুরোধী পাত্রে সংরক্ষণ করা হয়।
৪. সিরকা বা ভিনেগারে সংরক্ষণ: এসিটিক এসিডযুক্ত জৈব অম্লে (৪-৬%) ফল ডুবিয়ে সংরক্ষণ করলে জীবাণু ধ্বংস হয় এবং ফল দীর্ঘদিন ভালো থাকে, যেমন- লিচু ও লেবু।
৫. চিনি ব্যবহার করে সংরক্ষণ: পেঁপে, আনারস, কমলা ইত্যাদি পচনশীল ফল ৬৫ - ৭০% ঘন চিনির সিরাপে জ্বাল দিয়ে বায়ুরোধী পাত্রে সংরক্ষণ করা যায়।
৬. তেল ব্যবহার করে সংরক্ষণ: আম, জলপাই, কুল, তেঁতুল, আমলকী, আমড়া, লেবু ইত্যাদি বিশুদ্ধ সরিষার তেলে সংরক্ষণ করা যায়। এ ফলগুলো আচার বা চাটনি তৈরি করেও দীর্ঘদিন ভালো রাখা সম্ভব।