উদ্দীপকে উল্লেখিত জীবটি হলো Pteris উদ্ভিদ এবং হৃৎপিণ্ডাকার গঠনটি হলো প্রোথাল্যাস। আর জীবন চক্র হলো Pteris এর জনুক্রম। টেরিসের জনুক্রমের জন্য প্রোথ্যালাস অত্যাবশ্যকীয়। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
টেরিসের জীবনচক্রে সুস্পষ্টভাবে দুটি জনুর পর্যায়ক্রমিক আবর্তন ঘটে। স্পোরোফাইটিক জনুর শেষে হ্যাপ্লয়েড স্পোর (n) গঠিত হয়। স্পোরগুলো অঙ্কুরিত হয়ে প্রোথ্যালাস গঠন করে। প্রোথ্যালাসের অঙ্কীয় তলে আর্কিগোনিয়া এবং অ্যাম্বেরিডিয়া জন্মে। যেখানে যথাক্রমে ডিম্বাণু ও শুক্রাণু সৃষ্টি হয়। উভয় প্রকার হ্যাপ্লয়েড গ্যামেট
মিলিত হয়ে ডিপ্লয়েড জাইগোট (2n) গঠন করে। এভাবে গ্যামিটোফাইটিক জনুর সমাপ্তি ঘটে এবং স্পোরোফাইটিক জনু পুনরায় শুরু হয় এবং আবার স্পোর (n) তৈরি করে। এভাবে টেরিসের জীবনচক্র চক্রাকারে চলতে থাকে। টেরিসের জীবনচক্রে যদি স্পোর থেকে প্রোথ্যালাস গঠিত না হয় তবে ডিম্বাণু ও শুক্রাণু সৃষ্টি হবে না। ফলে কোনো জাইগোট গঠন হবে না এবং স্পোরোফাইটিক উদ্ভিদও উৎপন্ন হবে না। মোটকথা টেরিসের জনুক্রমই বন্ধ হয়ে যাবে।
অতএব, উপর্যুক্ত আলোচনা থেকে স্পষ্টরূপে বুঝা যায় যে, টেরিসের জনুক্রমে প্রোথ্যালাসের ভূমিকা অপরিহার্য।