দৃশ্যপট-২ ও দৃশ্যপট-৩ এ উল্লিখিত দেশ, দুটি হলো যথাক্রমে ভারত ও জাপান। উক্ত দুটি দেশের কৃষি, খনিজ ও শিল্পের মধ্যে তুলনামূলক আলোচনা করা হলো:
ভারত: ভারত ধান উৎপাদনে বিশ্বে ২য় অবস্থানে রয়েছে। ২০১৯ সালের তথ্য অনুসারে এদেশে ১১৬.৪২ মিলিয়ন টন ধান উৎপাদিত হয়। গম উৎপাদনেও ভারত বিশ্বে ২য় অবস্থানে রয়েছে। ২০১৭ সালের তথ্যানুসারে ভারতে গমের উৎপাদন ৯৫ মিলিয়ন মেট্রিক টন। আখের উৎপাদনে ভারত বিশ্বে ২য় অবস্থানে রয়েছে। ২০১৭ সালের তথ্যানুসারে এদেশে ৩৪ কোটি ১২ লাখ মেট্রিকটন আখ উৎপন্ন হয়। ভারত চা উৎপাদনকারী দেশগুলোর মধ্যে বিশ্বে ২য় স্থান অধিকার করেছে। এ অঞ্চলে ২০১৭ সাল অনুযায়ী ৯ লাখ মেট্রিক টন চা উৎপাদন হয়ে থাকে। ভারত পৃথিবীতে গবাদি পশু পালনে প্রথম স্থান অধিকার করেছে। এদেশে বেশ কিছু খনিজ সম্পদ তন্মধ্যে লৌহ ও আকরিক, গ্রাফাইট, কয়লা উল্লেখযোগ্য। উক্ত খনিজের আলোকে ভারতে লৌহ ও ইস্পাত শিল্প, কার্পাস বয়ন শিল্প। কার্পস বয়ন শিল্পে ভারত প্রথম স্থান অধিকার করে আছে।
জাপান: অপরদিকে জাপান ধান উৎপাদনে বিশ্বে দশম অবস্থানে রয়েছে। এদেশে ২০১৯ সালে ৭.৬৬ মিলিয়ন টন ধান উৎপন্ন হয়। চা উৎপাদনে জাপান ৮ম স্থান অধিকার করে আছে। এখানে ০.৮৮ লাখ মেট্রিক টন চা উৎপন্ন হয়। জাপানে কিছু কিছু অঞ্চলে লৌহ আকরিক পাওয়া যায়। এর উপর ভিত্তি করে জাপানে লৌহ্ ও ইস্পাত শিল্প গড়ে উঠেছে। জাপান কার্পাসজাত দ্রব্য উৎকর্ষের দিক থেকে শ্রেষ্ঠ।
সুতরাং বলা যায় যে, জাপান ও ভারতের মধ্যে কৃষি, খনিজ সম্পদ ও শিল্পের মধ্যে পার্থক্য বিদ্যমান।