উদ্দীপকে উল্লিখিত শাখা-২ হলো অর্থনৈতিক ভূগোল। নিচে অর্থনৈতিক ভূগোল পাঠের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করা হলো:
পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে বসবাসকারী মানুষের অর্থনৈতিক ক্রিয়াকলাপের বিকাশ, বিস্তার ও ক্রমবিবর্তন এবং প্রাকৃতিক ও অপ্রাকৃতিক পরিবেশের সাথে এর কার্যকরণ সম্পর্কের বিচার-বিশ্লেষণ এবং পর্যালোচনা করাই অর্থনৈতিক ভূগোল।
অর্থনৈতিক ভূগোল মানব ভূগোলের একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা। মানুষের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড কীভাবে পরিচালিত হচ্ছে তা এ শাখায় আলোচনা করা হয়; যেমন- বাণিজ্য। বিভিন্ন দেশ বা অঞ্চলের মধ্যে পারস্পরিক পণ্য বিনিময়ের মাধ্যমেই বাণিজ্যিক ভিত্তি রচিত হয়। অতীতে ব্যবসায়-বাণিজ্যের বিস্তার ছিল খুবই কম। পরিবহন ও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে ব্যবসায়-বাণিজ্যের প্রসার ঘটে। তাই পণ্যের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, বাণিজ্যকেন্দ্র, বাণিজ্যপথ, ব্যবসায়-বাণিজ্যের পরিমাণ, পশ্চাদ্ভূমি প্রভৃতি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা অর্থনৈতিক ভূগোলের আওতাভুক্ত।
এ ভূগোল পাঠের মাধ্যমে আমরা মানুষের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, বিশ্বব্যাপী কৃষিপণ্য বণ্টন, বিশ্বের কোথায় কী উৎপাদন হয়, কেন উৎপাদন হয়, কী পরিমাণ উৎপাদন হয় এবং এসব সম্পদের ব্যবহারই বা কী প্রভৃতি সম্বন্ধে জানতে পারি।
অতএব, উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বলতে পারি অর্থনৈতিক ভূগোল পাঠের গুরুত্ব অপরিসীম।